পথ হোক আরো দীর্ঘ
পথ হোক আরো দীর্ঘ
রুদ্র মাসুদ। আমেরিকা প্রবাসী হলেও একজন ঘনিষ্ট প্রিয়। সাম্প্রতিক একটি বিষয়ে তার প্রতি ক্ষুব্ধতা ও অভিমান রয়েছে। সোজা-সাপটা কথা আমার। তাতে ঘুরানো-প্যাচানো কোনো কথা নেই। যেই রুদ্র মাসুদ ভাইকে চিনতাম, কোনো একটি মসনদে বসার পর তিনি ওইটার ভারে ছদ্মবেশি হয়ে গেলেন। তাকে ঠিক ওই মাসুদ ভাই হিসেবে চিনতে পারি নি। ওই রুদ্র ভাইকে এখনও খুঁজে পাওয়া যায় না। এ সত্যটা যে তার বেলায় কেবল প্রযোজ্য তা নয়, আমার বেলায় নির্মোহ এটি। Details
শহরের বাঁকে গোধুলি স্মরণ
শহরের বাঁকে গোধুলি স্মরণ
যে শহর আমার নয় সে শহরে আমি অনাহুত। ভূলুয়া থেকে কালক্রমে মাইজদী হয়ে উঠা ছোট্ট এক রাস্তার শহর মাইজদী। ২০০২ সালে প্রথম এসেছিলাম। পাঠ চুকানো হয় নি তখনও। সব কিছু পালটে দেবার স্বপ্ন তখন চোখে মুখে। পরবাসের অভিজ্ঞতাই হলো প্রথম দিকে। কাউকে চিনি না, বন্ধু নেই, সুহৃদ নেই। এরই মাঝে পড়–য়া, বন্ধুসভা, সুহৃদ সমাবেশ করে কেটে গেছে তিন বছর। Details
উড়াল মেঘের ভেলা
উড়াল মেঘের ভেলা
মিরন মহি উদ্দীন::সেই কবে কোনো এক এপ্রিল মাসে পত্রিকাটির প্রথম প্রকাশ, সাপ্তাহিক হিসেবে। সেতো কম সময় নয় চোদ্দ পেরিয়ে পনর বছরে পা। এখনো ‘চলমান নোয়াখালী’ চলমান। সেটাই গর্বের, গৌরবের। আর ভালোলাগে এ জন্যে যে সূচনা সংখ্যাটিতে আমার হাত লেগেছিলো। যদিও পুরো সংগ্রামটা ছিলো রুদ্র মাসুদের। তার কারণে আমাকে, আবু নাছের মঞ্জুকে, জামাল হোসেন বিষাদকে হাত লাগাতে হয়েছে; স্বত:স্ফূর্তভাবেই। সবটাই রুদ্রর ব্যক্তিগত ভালোবাসা আর ভালোলাগার ফসল। এ সূত্রেই মনে পড়ে যায়। আমার জন্ম জেলায় আমার সংবাদকর্মী হয়ে কাজ করা।Details
সাদাকালো লড়াই চলতেই থাকে !
সাদাকালো লড়াই চলতেই থাকে !
এখানে পত্রিকাকে পৃষ্টপোষকতা করার মত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নাই। এখানে পত্রিকাটিতে যোগান দেওয়ার মতো লেখক নাই, অংশদাতা নাই। এমন বহু কারণে স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত পত্রিকাগুলো শেষনাগাদ টিকতে পারে না। কিন্তু, টিকতে না পারার একশ একটি কারণ থাকার পরেও ইতোমধ্যে নোয়াখালী থেকে নিবন্ধিত পত্রিকার সংখ্যার ষাটটিরও বেশি; এবং নতুন আরো পত্রিকা প্রকাশের জন্য আবেদন নিবেদন চলছে। Details
অনেক বসন্ত গড়িয়েছে...
অনেক বসন্ত গড়িয়েছে...
বেশ কিছুদিন ধরে মন ও শরীর ভালো নেই। তবু পেশাগত বাধ্যবাধকতায় গণমাধ্যমের চৌহদ্দী মাড়াচ্ছি নিয়মিত। সবসময় ভেবেছি এ চৌহদ্দীতে থাকা মানে আপন আলয়ে থাকা। সকলেই আপনার আপন। আত্মার অংশ। সুখে-অসুখে, রাগে-অণুরাগে, ব্যদনায় কিংবা আনন্দে আমরা সহজন। সমালোচনা নয়, অবস্থার প্রেক্ষিতে বলতে চাই- যাদের সাথে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর কাটিয়েছি অথচ এমন সকল অগ্রজ কিংবা অনুজ তাদের কাউকেই চিনতে পারিনি।Details
লোনা জলে টইটম্বুর চৌবাচ্চা
লোনা জলে টইটম্বুর চৌবাচ্চা
::রুদ্র মাসুদ :: ত্রিশ এপ্রিল, চৌদ্দ পেরিয়ে পনের বছরে পা রাখবে। একমুঠো উচ্ছ্বাস, বাড়তি চাপ, কৈফিয়ৎ দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি, হিসাব মেলানোর আয়োজন, সমালোচনা হজম করার পথ রপ্ত করা, পেছনের ভুল-ত্রুটিগুলো শোধরানোর মানসিকতায় শান দেয়া, অভিনন্দিত হবার বাসনা সর্বপরি দেড় দশকের চৌকাঠ পেরোনোর দায়িত্বশীলতা তো আছেই। আর এসব দৃশ্যমান হবে বিশেষ প্রকাশনায়। আর তাই এবার যথাসময়েই উদ্যোগ নিতে পেরেছিলাম। এই দেড় দশকের পথচলায় চলমান নোয়াখালী নানা বিষয় তুলে এনেছে পত্রিকার পাতায়। তবে; যাদের নানামাত্রিক অংশগ্রহণে পাঠকপ্রিয়তা চলমান নোয়াখালীর সাথে তাদের যুক্ততার বিষয়টি কখনো আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠেনি। তাই এবার সেইসব সহযোদ্ধাদের অনুভূতি জানতে প্রকাশনা বার্ষিকী সংখ্যার নাম দিয়েছি ‘সতীর্থ’। আর সেইসব সতীর্থদের কাছেই লেখা আহবান করা হয় যথাসময়ে। Details
ড্রিম পার্ক : রুদ্ধ হবে সাধারণের বিচরণ !
-সুমন ভৌমিক- এ শহরে যে ক’জন মুক্তমনা পাগল রয়েছে বা আছি, আমরাও এ শহরের নাগরিক। এ শহরে যা আছে সবইতো আপনাদের। আমাদের জন্য অবশিষ্ট কিছুই থাকবে না? আপনাদের উচ্ছিষ্টটুকুও না? ঠিক আছে আপনাদের যা খুশি করেন। যেহেতু আমাদের মুখে পাটের বস্তা ঠেঁসে দেয়া হয়েছে, তাই আমাদের মুখও বন্ধ! তবে ভুলে গেলে চলবে না, সমস্ত ভালোর সাথে আমাদের কিংবা আমাদের অগ্রজদের মতো কিছু লোকের অস্তিত্ব লেপটে আছে। আবার কিছু তথাকথিত মুখোশধারী কর্তাদের নষ্টামির বিপরীতে প্রতিবাদের ঝান্ডা ছুঁড়ে দেয়াদের দলেও আমরা ও আমাদের অগ্রজদের হাতের ছোঁয়া ছিল। এটা ভুলে গেলে চলবে না যে, এ যাবত জয় মুক্তমনা পাগলদেরই হয়েছে। আসল কথায় আসা যাক। নোয়াখালীর নতুন জেলা শহর তথা মাইজদীর জন্ম বৃটিশ আমলে। তৎকালীন সময়ের গুণিজনরা এ শহরের জন্য যা করে গেছেন, তারপর আপনারা তথাকথিত কর্তারা কী করেছেন? বুকে হাত রেখে আপনাদের চোখ দুটি বন্ধ করে একটু ভাবুন। হ্যাঁ, এ শহরের উন্নতি হয়েছে- কিছু বহুতল রঙিন বিল্ডিং হয়েছে আর আনাগোনা বেড়েছে যান্ত্রিক যানের। নিশ্বাস বন্ধ হয়ে এক সময় হয়তো এ শহর মৃত্যুবরণ করবে। ভেবে দেখুন, শহরটিকে সেই মৃত্যুর কোলে ঠেলে দেয়া হচ্ছে না? একটি উন্মুক্ত স্থান খুঁজে দেন, যেখানে শহর কর্তারা মুক্তমনা পাগলগুলোর বিচরণ স্থানের বিস্তৃতি করেছেন! না পারবেন না। এ শহরের শিশুরা কী পাচ্ছে? কী দিয়েছেন কবি, লেখক, সাংবাদিক ও সাহিত্যিকদের জন্য। শীতল পরিবেশকে দিন দিন উষ্ণ করে তুলছেন, পরিবেশকে দুষিত করা হচ্ছে।Details
হৃৎকথন : নিউ ইয়র্কের ওজন পার্কে পথমেলা ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান দেখা এবং পেলে আসা গ্রামীণ সাংবাদিকতা
হৃৎকথন : নিউ ইয়র্কের ওজন পার্কে পথমেলা ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান দেখা এবং পেলে আসা গ্রামীণ সাংবাদিকতা
রুদ্র মাসুদ::শনিবার নিউইয়র্ক সময় সকাল ১০টায় জেএফকে বিমান বন্দরে নামলাম আমি আর আমার বুড়ি মা ‘সারা’। দীর্ঘ আট মাস পর প্রিয়তমা স্ত্রীর সাথে দেখা। পেছনে ফেলে এসেছি মা, মাটি আর লাল সবুজের পতাকা। বাবার কবর আর মা’র জন্য প্রিয় বাংলাদেশের প্রতি আমার পিছুটান বিমানে ওঠার প্রায় একমাস পূর্ব থেকেই শুরু হয়। ঘনিষ্ঠরা দেখেছেন সেটি চোখের পানিতে নিজেদের এবং আমার চোখে। এরসাথে যুক্ত হয়েছে দীর্ঘ ষোল বছরের এক বর্ণাঢ্য সাংবাদিকতা জীবন। যেখানে শুধুই প্রাপ্তির দীর্ঘ তালিকা। কানাকড়ি বাদ দিলে সেই তালিকা বিয়ের সদাই করার জন্য মুদি দোকানের দীর্ঘ তালিকার চেয়ে কয়েক’শ গুন লম্বা হবে।Details
শ্লোগান কন্ঠে নিয়ে নিয়ে ত্রিশ বছরের পথচলা
শ্লোগান কন্ঠে নিয়ে নিয়ে ত্রিশ বছরের পথচলা
-রুদ্র মাসুদ::শুধুমাত্র সংগীত চর্চা কিংবা শখের বশে গান শেখার জন্য নয়। একেবারে সাংগঠনিকভাবেই যাত্রা। আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে তখন বড়জোর সপ্তম কিংবা অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র। একা একা বাড়ি থেকে ছয় কিলোমিটার দুরে চৌমুহনীতে এসে দুর্ণিবার খেলাঘরের সাপ্তাহিক আসরে অংশ নিতেন আবুল পারাহ পলাশ। সেই থেকে শুরু, সংগীত চর্চার পাশাপাশি চলে সাংগঠনিক চর্চা। ঢাকা মহানগর কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি, কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভূক্তি, জাতীয় পৌষ মেলা ও জাতীয় নবান্ন উৎসব কমিটি, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটি, জাতীয় রবীন্দ্র সংগীত সম্মিলন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঠাঁই করে নেওয়ার পাশাপাশি রবীন্দ্র সংগীতে ছায়ানটের সার্টিফিকেট কোর্স সম্পন্ন করা এবং গত ১৬-১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত খেলাঘরের জাতীয় সম্মেলন-২০১৫ এ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বেগমগঞ্জের কৃতি সন্তান আবুল ফারাহ পলাশ।Details
শোকহীন নতুন বছরের প্রত্যাশা
নতুন মাস আসে, নতুন বছর আসে, ক্যালেন্ডার আসে; কিন্তু আমাদের নতুন দিন আসবে কবে? যেদিন আর মৃত্যুর মানুষকে নিয়ে খেলা করবে না, মানুষ শিকার হবে না নষ্ট রাজনীতির। শুনেছি মানুষ যখন রুখে দাঁড়ায় তখন সব অন্যায় বালির বাঁধের মতো ভেসে যায়। তাই আমি মানুষের দিকে চেয়ে আছি; বিশ্বাস করি একদিন মানুষ রুখে দাঁড়াবেই। নিশ্চই একদিন আমরা উদযাপন করতো পারবো শোকহীন নতুন বছর। নতুন বছরে প্রত্যাশা নিয়ে লিখেছেন কবি, অনলাইন এক্টিভিস্ট প্রণব আচার্য্যDetails
Showing Page 1 of 5 No more page No more page 1