 এবার চাই উন্নত নোয়াখালী প্রতিষ্ঠা
গত ক’দিন আগে দেশের সবক’টি দৈনিকে একযোগে ছাপা হয় একটি উদ্বেগের খবর। জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান এ তথ্য প্রকাশ করে। যাতে উল্লেখ করা হয় জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে এশিয়ায় সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। স্বভাবতই এই ঝুঁকি দেশের উপকূলীয় এলাকাকে ঘিরেই। দেশের অন্যতম ও ঝূঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জেলা নোয়াখালীর বাসিন্দা হওয়ায় আমার উদ্বেগের কারণে। সম্পাদকের টেবিল থেকে লিখেছেন রুদ্র মাসুদ.....
 চলমান নোয়াখালীর অগ্রযাত্রা
গত কিছুদিন ধরে অসম্ভব রকম ব্যস্ত ছিলাম। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কাজে। ছুটাছুটি হচ্ছিলো ঢাকা নোয়াখালী। যেন নিঃশ্বাস নিতে পারছিলাম না। ঠিক এরি মধ্যে রুদ্র মাসুদ ফোন করে বসলেন। ‘চলমান নোয়াখালীর’ বর্ষপুর্তি। পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা বের হবে। লেখা দিতে হবে। হঠাত করে এ ফরমায়েশ আমার জন্য মুশকিল হয়ে দাঁড়াল। কিন্তু যত বড় মুশকিলই হোক রুদ্রকে উপেক্ষা করা আমার জন্য অসম্ভব। সেও নাছোড়বান্দা। লেখার জন্য প্রতিনিয়ত ফোনে তাগাদা দিয়েই চলেছে। অবশেষে তারই জয় হলো। ঢাকা থেকে নেমেই মধ্যরাতে ক্লান্ত শরীর নিয়ে তার জন্য কম্পিউটারের সামনে বসতে হলো। কী-বোর্ডে আঙুল চালাতে চালাতে তার উদ্বিগ্ন মুখচ্ছবি বার বার আমার মনের মনিটরে ভেসে উঠছিলো। চলমান নোয়াখালীর বর্ষপূর্তী সংখ্যার জন্য লিখেছেন সাংবাদিক মাহমুদুল হক ফয়েজ...
 বিজাতীয় সংবাদপত্রের স্বপ্নবাজ
রুদ্র’র চলমান নোয়াখালী চলছে। আতুর ঘরে প্রসবকালীন জন্ম যন্ত্রণার কথা এখন বোধ হয় অনেকটাই ভুলে গেছেন রুদ্র কিংবা চলমান নোয়াখালী। তা না হলে এত সাহস কোথায় পান? চলমান নোয়াখালীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ইস্যুর জন্য লিখেছেন জামাল হোসেন বিষাদ...
গণমাধ্যম শুধুই ক্ষমতাহীনের আশ্রয়স্থল !
ক’বছর ধরে তিন মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস হিসাবে আমাদের দেশে পালিত হচ্ছে। উপকূলী জেলা নোয়াখালীতেও বেশ ঘটা করে পালিত হয় দিবসটি। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার এই দিনে গণমাধ্যমকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের মধ্যদিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত পরিবেশ ও সংবাদ পরিবেশনের অবাদ সুযোগের বিষয়টি রাষ্ট্রের সামনে তুলে ধরার কথা। কিন্তু সুবিধাজনক অবস্থানে থাকা গণমাধ্যমকর্মীদের একটি অংশ সেই পেশাগত দাবি এবং জনবান্ধব গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার পরিবর্তে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতেই মরিয়া হয়ে উঠে। যা সমাজের অন্যান্য অনুষঙ্গের মতো সাংবাদিকতাকেও কলুষিত করে। গত ২৭ এপ্রিল সন্ধ্যায় লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করায় বিটিআরসি চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়ার পর আমরা দেখেছি সেখানকার সাংবাদিক ও কলাকুশলীদের কান্না। চ্যানেল ওয়ানের সম্প্রচার বন্ধ হওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমে যেভাবে ফলাও প্রচার পেয়েছে সেখানকার সাংবাদিকদের অনিশ্চিত আগামির বিষয়টির সেভাবে প্রচার পায়নি। আমাদের সাংবাদিক নেতৃত্বও বিষয়টি নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন বলে একজন মফস্বল সংবাদকর্মী হিসাবে বারবার মনে হয়েছে। এটি কেনো ? আগামিতে কোন মিডিয়া হাউজ যে বন্ধ হবে না এরকম নিশ্চয়তা কে দিবে ? তাহলে সাংবাদিকদের পেশাগত নিশ্চয়তা কোথায় ?
একুশের চেতনায় আগামির বাংলাদেশ- একটি আহবান
প্রকাশনার শুরু থেকেই চলমান নোয়াখালী বাঙালীর ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে যুক্ত প্রতিটি মুহুর্তেই নানা প্রকাশনা অব্যাহত রেখেছে। ৫২’র ভাষা আন্দোলন; যার পথ ধরে আমাদের স্বাধীনতা। মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আমাদের এবারের আয়োজন ‘একুশের চেতনায় আগামির বাংলাদেশ’ ২১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।
আকুল বাসনা : জাতির সুসংহত ঐক্য গড়ে উঠুক
রাতের অবগুণ্ঠন সরিয়ে ভোরের হলুদাভ সূর্যটা আলো ছড়াবে দিগন্তজুড়ে। সরষে ক্ষেতের আলে খেজুরপাতার ফাঁকগলে পড়া সূর্যের সে আলোয় অতীতের সব দু:খ-ক্ষোভে মুছে সুন্দর একটি বছরের সূচনা হবে। সে আশায় স্বাগত জানিয়েছি ২০১০ সালকে। বিদায় জানিয়েছি ঘটনাবহুল ২০০৯।
প্রত্যাশার ২০১০ : আমাদের আত্মার শান্তি হোক
আমরা আলোচনার গোল চত্বরে সবসময় এভাবেই যোদ্ধাদের চিত্রপট এঁকে চলেছি। কেন জানি যুদ্ধের সময়ে মানসিক শান্তি, শারীরিক সম্ভ্রম বিসর্জন দেয়া অসংখ্য যোদ্ধা নারীর কথা আমাদের কন্ঠস্বর থেকে উহ্য থেকে যায়। আমরা “অসংখ্য মা বোন এর সম্ভ্রম এর বিনিময়ে.........................” এই কোটেশনটি ব্যবহার করেই আলোচনার দাঁড়ি টানি। “তারা” “তাদের” “বীর যোদ্ধাদের” ইত্যাদি সর্বনাম ধরে সব ধরনের বক্তব্য জন সম্মুখে নিয়ে আসি । শব্দটি উচ্চারিত হয় কেবল শ্রদ্ধার শুকনো ফুল হিসেবে।
নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলে ফসল উৎপাদনের অন্তরায় ও সম্ভাবনা
শীতকালীণ উষ্ণায়ন ও বৃষ্টিপাত কমে যাবার কারণে এই অঞ্চলের কৃষি, মৃত্তিকা ও সুপেয় মিষ্টি পানির অভাব দেখা দেবে যা এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার ওপর উল্লেখযোগ্য পরিমান প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উপকূলীয় নোয়াখালীর কৃষি সম্ভাবনা নিয়ে লিখেছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিষ্টিউট নোয়াখালী'র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এম আমিন।
নোয়াখালী চরাঞ্চলে কৃষি উন্নয়নের সম্ভাবনা, অন্তরায়
বাংলাদেশের ১৬টি উপকূলীয় জেলার মধ্যে নোয়াখালী একটি। একসময় এ জেলার বিশাল জনপদ সমুদ্র/নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। কালের স্রোতে সেসব এলাকায় আবার পলি জমে বিশাল চর জেগে ওঠে। সেখানে আবার নতুন করে জনপদ গড়ে উঠেছে। প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এই চরাঞ্চলে কৃষিক্ষেত্রে অমিত সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষি, মৎস্য ও পশুসম্পদ এ তিন ক্ষেত্রের সম্ভাবনাই উজ্জ্বল। এ সম্ভাবনা নিয়ে চলমান নোয়াখালীর অনুরোধে লিখেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কৃষিবিদ, অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী...
তারা এখনো থেমে নেই...
মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩৮ বছরেও থেমে নেই স্বাধীনতাবিরোধী চক্র। নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করতে তাদের তৎপরতা চলছে সমানতালে। স্থানীয় এবং জাতীয় পর্যায় সবর্ত্রই মুক্তযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মূলে আঘাত করতে তাদের নানা ক্রীয়াকলাপ চলছেই। এসব বিষয়ে লিখেছেন রুদ্র মাসুদ...
|