আগামির নোয়াখালী বিনির্মাণে চাই কার্যকর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত
সরকার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় ইতোমধ্যে বাজেটে অর্থ বরাদ্দ যেমন রেখেছে তেমনি বিশেষ বিশেষ এলাকাকে নিয়ে বিশেষায়িত অর্থনৈতিক জোন (অঞ্চল) করার পরিকল্পনার বিষয়টিও বলছে। তাই নিজেদের গুরুত্ব ( Importance ) জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে একমাত্র রাজনৈতিক নেতৃত্বকেই দায়িত্ব নিতে হবে। বর্তমান সরকার মতায় আসার পর নোয়াখালীর সদর-সুবর্নচর আসনের সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী সম্ভাবনাময় অনেকগুলো বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে মন্ত্রী পর্যায়ে দেনদরবার এবং জেলা পর্যায়ে ভিন্ন মতের রাজনৈতিক নেতাদের উন্নয়ন সংশিষ্ট বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করছেন। এটি একটি শুভ লক্ষণ। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব এক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য দেখাবেন না। যার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে সমৃদ্ধ আগামির নোয়াখালী।
সুখের আশায়
মেঘনার করাল গ্রাসে হারিয়ে গেলো সে সাজানো গ্রাম, প্রাণচঞ্চল বাজার আর রাত-জাগা উৎসব গান-বাজনা, নাটক-যাত্রা, জারি আর মাইজভান্ডারীর গান। এখন আমরা নোয়াখালীর দক্ষিণে আমাদেরই পূর্বপুরুষের ঠিকানায় জেগে ওঠা খন্ড খন্ড চরের বাসিন্দা।
চৌদ্দপুরুষের ভিটেমাটি হারিয়ে আমি এক পথ হারা পাখি এই চরের বুকে। সেই গ্রাম, সেই চেনা পথ, গোয়ালের গরু, রাখালের বাঁশি- আজ সবই যেনো থেকে থেকে বুকের ভেতরে গর্জন করে জেগে; মাতাল করে তোলে। বাঁশী আর বাজে না। দস্যুদের অস্ত্রের তান্ডবে আর ক্ষুধার জালায় বাঁশী আজ স্তব্ধ, নির্বিকার। সুরের বদলে আজ চরাপাশে বেদনার রোল।
-ফেলে আসা অতীতের স্মৃতি নিয়ে লিখেছেন আমিরুল মোমিন বাবলু
খার্তুম থেকে কাবুল : সত্যিকার ইসলামের সন্ধান
১৮৮১ সালে পৃথিবীর অদ্বিতীয় ব্রিটিশ নৌশক্তি ফরাসীদের বিতাড়িত করে গোটা মিশর তাদের আয়ত্বে আনে। সূদান তখন মিশরের একটি প্রদেশ। কিন্তু অল্প কিছু দিনের মধ্যে সূদানের ধর্মীয় নেতা মোহাম্মদ আহাম্মদ, যিনি ‘‘মেহেদী” নামে পরিচিত খার্তুম দখল করে নিলেন। ব্রিটিশ জেনারেল গর্ডন বীরত্বের সাথে লড়ে তার সৈনিকদের সাথে মৃত্যুবরণ করেন। মেহেদীর নেতৃত্বে সূদানে প্রতিষ্ঠিত হলো ‘‘ দরবেশে সাম্রাজ্য”। জোনরেল গর্ডনের করুন মৃত্যু এবং সূদান হারানো- ব্রিটিশরা সহজে মেনে নিতে পারেনি। ১৩ বছর পর ১৮৯৮ সালে জেনারেল কিচেনার নেতৃত্বে ওমডারমানের যুদ্ধে ব্রিটিশ সেনারা মেহেদীর দরবেশ বাহিনীকে পরাজিত করে। মেহেদী যুদ্ধে বীরত্বের সাথে লড়ে মৃত্যুবরণ করেন। ব্রিটেনের ভাবী প্রধানমন্ত্রী এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রবাহিনীর সমরনায়ক উইনস্ট চার্চিল ওই যুদ্ধের থিয়োটরে ছিলেন এক নতুন আর্মি অফিসার হিসাবে।
চলমান নোয়াখালীর ৭ম বর্ষে পদার্পন এবং আগামির নোয়াখালী
নোয়াখালী অঞ্চলের তথ্যনির্ভর পত্রিকা- এ শ্লোগানকে সামনে রেখে ২০০৩ সালের ৩০ এপ্রিল চলমান নোয়াখালী’র যাত্রা শুরু হয়েছিলো। নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে নিয়মিত প্রকাশনার ৬ষ্ঠ বর্ষ শেষ করে আমারা ৭তম বর্ষে পদার্পন করেছি আমরা। ইতোমধ্যে তথ্য প্রযুক্তির সাথে তালমিলিয়ে চলমান নোয়াখালী নিজস্ব ওয়েব সাইটেও নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে।
চলমান নোয়াখালীর এ জন্মদিনটি ঘিরে আমরা আগামি ১৭ মে ‘‘আগামির নোয়াখালী’’ শিরোনামে বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করতে যাচ্ছি। আমরা জন্মদিনের সংখ্যাটিকে নতুন করে সাজাতে চাই।
গণতন্ত্র স্থনীয় সরকার এবং এমপি মহোদয়
যদিও জর্জ ওয়াশিংটনকে জাতির পিতা হিসাবে সকল আমেরিকানরা একবাক্যে শ্রদ্ধা করে তথাপি এটা বিতর্কের উর্ধ্বে যে, সবচেয় স্বার্থক ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হলেন আব্রাহাম লিংকন। তিনি গণতান্ত্রিক সরকারের বর্ণনায় বলেছিলেন- ''Government of the people, by the people, for the people'' অর্থাৎ জনগণের সরকার, জনগণের জন্যে, জনগন কর্তৃক নির্বাচিত। তাহলে কোন সরকারকে গণতান্ত্রিক দাবী করতে হলে তাকে অবশ্যই প্রথমে গণভোটে নির্বাচিত হতে হবে এবং সকল কর্মকান্ডে জনগণের স্বার্থ ও সুবিধাকে প্রাধান্য দিতে হবে।
সামান্য ক্ষতি
সরকারে যারা আছেন এবং বিরোধীদলে যারা আছেন তারা হাতেগোনা কয়েকজনমাত্র। আর এদেশের বাস করে প্রায় ১৬ কোটি মানুষ। তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ, তারা ভোটের মালিক, তারা দেশের মালিক এবং তাই তাদের ভাত রুটির রাজনীতি সবার আগে আসা চাই। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের একখন্ড জায়গার জন্য ১৬ কোটি বাঙালীকে বলি দেয়া যায় না।
-লিখেছেন প্রকৌশলী আমিরুল মোমিন বাবলু
|