স্কুল পালানো কিশোরের রণাঙ্গনের চিঠি, অতপর শহীদ
পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন স্কুল ছাত্র আমান উল্যা ফারুক। যুদ্ধে অংশ নেওয়ার কারণ জানিয়ে রণাঙ্গন থেকেই বাবাকে লেখেন চিঠি। তিনি আর রণাঙ্গণ থেকে ফিরেননি। শহীদ হয়েছেন বামনীর যুদ্ধে। সেই কিশোরকে নিয়ে লিখেছেন মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন বাঙালী...Details
অস্ত্র ছাড়াই দেয়াল টপকে থানা কম্পাউন্ডে ঢুকি
অস্ত্র ছাড়াই দেয়াল টপকে থানা কম্পাউন্ডে ঢুকি
আমরা পাঁচ ভাই এক বোনের মধ্যে আমি ছিলা মেঝো। যুদ্ধকালীন সময়ে তখন আমি চৌমুহনী কলেজের ছাত্র। যুদ্ধের আগেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলাম। বঙ্গবন্ধুর আহবানে সাড়া দিয়ে সেদিন যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। সশস্ত্র যুদ্ধ হওয়ার পর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করাসহ নানান কাজেই সময় চলে যায়। এপ্রিলের মধ্যভাগে ট্রেণিংয়ের জন্য ভারতের চোত্তাখোলা হয়ে হাপলং ট্রেণিং সেন্টারে পৌঁছি। প্রায় দুই মাস ট্রেণিং শেষে মধ্য জুনে ফিরে আসি। নিযুক্ত হই তখন কোম্পানীগঞ্জ থানা বিএলএফ’র ডেপুটি কমান্ডার হিসাবে। তখন কোম্পানীগঞ্জ থানা বিএলএফ কমান্ডার ছিলো আব্দুর রাজ্জাক। ওবায়দুল কাদের এলাকায় আসার পর তিনি থানা বিএলএফ এর কমান্ডার নিযুক্ত হন। মুক্তিযুদ্ধকালীণ সময়ে রণাঙ্গনের স্মৃতিচারণ নিয়ে লিখছেন খিজির হায়াত খান...Details
গোপালপুর গণহত্যা : খাল ভর্তি লাশ আর রক্তে লাল বর্ষায় টইটম্বুর খালের পানি
গোপালপুর গণহত্যা : খাল ভর্তি লাশ আর রক্তে লাল বর্ষায় টইটম্বুর খালের পানি
রুদ্র মাসুদ :: একাত্তরে নোয়াখালীতে সবচেয়ে বড় বর্বরোচিত গণহত্যা সংঘটিত হয় বেগমগঞ্জের গোপালপুর বাজারে। ১৯ আগষ্ট সকালে স্থানীয় রাজাকারদের সহযোগীতায় ৫৪জন নিরীহ জনসাধারণকে খালপাড়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করে পাকিস্থানী আর্মিরা। হত্যাযজ্ঞ শেষে পাক আর্মি ও রাজাকাররা চলে যাওয়ার পর যার যার স্বজনরা তাদের লাশ নিয়ে যায়। যার মধ্যে ২৪ জনের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে। যাদের নামসহ স্বাধীনতার ১৭ বছর পর গোপালপুর বাজারে স্থাপিত হয় স্মৃতি¯Íম্ভ। স্থানীয় জনতা কাবের উদ্যোগে স্মৃতি স্তম্ভটিই এখন সেই র্ববরোচিত লোমহর্ষক গণহত্যার একমাত্র নিদর্শন।Details
Showing Page 1 of 1 No more page No more page 1No more page No more page