 মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলী : সাতটি সামাজিক পাপ মুক্ত সমাজ কতদূর !
বৈষম্যের শিকার নিরীহ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করতে গিয়ে ‘অহিংসার’ মাধ্যমে সহিংসতা মোকাবেলার মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপী স্মরণীয় হয়ে আছেন মহাত্মা গান্ধী। তাঁর পিতৃদত্ত নাম মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধী । এই মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীই তার কর্মের মাধ্যমে হয়ে উঠেছিলেন ‘মহাত্মা গান্ধী’ । আজ ত্রিশ জানুয়ারি এই মহান ব্যক্তিটির ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী।
বাবা কাবা গান্ধী এবং মা পুতলী বাঈর সন্তান মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধী (মহাত্মা গন্ধী) ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর জন্ম গ্রহন করেন ভারতের গুজরাট রাজ্যের পোরবন্দরে । শৈশবেই গান্ধীজী বুঝতে পেরেছিলেন ‘অহিংসা’র শক্তি অত্যন্ত প্রবল এবং তা হিংসার শক্তির থেকে বহুগুণে শক্তিশালী । তাই তাঁর পরবর্র্তী জীবনে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শুরু করে সমগ্র ভারতবর্ষব্যাপী যেখানেই তিনি মানবতার অবমাননা দেখেছেন, যেখানেই তিনি দুর্বলের প্রতি সবলের অত্যাচার দেখেছেন - দেখেছেন ক্ষুধা ,দারিদ্র আর অস্পৃশ্যতা সেখাই তিনি প্রয়োগ করেছেন ‘অহিংস’র শক্তি । তাঁর শ্লেগান ছিল '' Say NO to violence, violence solves no problems''। মহাত্মা গান্ধীর ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে লিখেছেন রুদ্র মাসুদ।
স্কুল পালানো কিশোরের রণাঙ্গনের চিঠি, অতপর শহীদ
পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন স্কুল ছাত্র আমান উল্যা ফারুক। যুদ্ধে অংশ নেওয়ার কারণ জানিয়ে রণাঙ্গন থেকেই বাবাকে লেখেন চিঠি। তিনি আর রণাঙ্গণ থেকে ফিরেননি। শহীদ হয়েছেন বামনীর যুদ্ধে। সেই কিশোরকে নিয়ে লিখেছেন মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন বাঙালী...
 অস্ত্র ছাড়াই দেয়াল টপকে থানা কম্পাউন্ডে ঢুকি
আমরা পাঁচ ভাই এক বোনের মধ্যে আমি ছিলা মেঝো। যুদ্ধকালীন সময়ে তখন আমি চৌমুহনী কলেজের ছাত্র। যুদ্ধের আগেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলাম। বঙ্গবন্ধুর আহবানে সাড়া দিয়ে সেদিন যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। সশস্ত্র যুদ্ধ হওয়ার পর মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করাসহ নানান কাজেই সময় চলে যায়। এপ্রিলের মধ্যভাগে ট্রেণিংয়ের জন্য ভারতের চোত্তাখোলা হয়ে হাপলং ট্রেণিং সেন্টারে পৌঁছি। প্রায় দুই মাস ট্রেণিং শেষে মধ্য জুনে ফিরে আসি। নিযুক্ত হই তখন কোম্পানীগঞ্জ থানা বিএলএফ’র ডেপুটি কমান্ডার হিসাবে। তখন কোম্পানীগঞ্জ থানা বিএলএফ কমান্ডার ছিলো আব্দুর রাজ্জাক। ওবায়দুল কাদের এলাকায় আসার পর তিনি থানা বিএলএফ এর কমান্ডার নিযুক্ত হন। মুক্তিযুদ্ধকালীণ সময়ে রণাঙ্গনের স্মৃতিচারণ নিয়ে লিখছেন খিজির হায়াত খান...
 গোপালপুর গণহত্যা : খাল ভর্তি লাশ আর রক্তে লাল বর্ষায় টইটম্বুর খালের পানি
রুদ্র মাসুদ :: একাত্তরে নোয়াখালীতে সবচেয়ে বড় বর্বরোচিত গণহত্যা সংঘটিত হয় বেগমগঞ্জের গোপালপুর বাজারে। ১৯ আগষ্ট সকালে স্থানীয় রাজাকারদের সহযোগীতায় ৫৪জন নিরীহ জনসাধারণকে খালপাড়ে লাইনে দাঁড় করিয়ে ব্রাশফায়ার করে পাকিস্থানী আর্মিরা। হত্যাযজ্ঞ শেষে পাক আর্মি ও রাজাকাররা চলে যাওয়ার পর যার যার স্বজনরা তাদের লাশ নিয়ে যায়। যার মধ্যে ২৪ জনের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে। যাদের নামসহ স্বাধীনতার ১৭ বছর পর গোপালপুর বাজারে স্থাপিত হয় স্মৃতি¯Íম্ভ। স্থানীয় জনতা কাবের উদ্যোগে স্মৃতি স্তম্ভটিই এখন সেই র্ববরোচিত লোমহর্ষক গণহত্যার একমাত্র নিদর্শন।
 নোয়াখালীতে এগার দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা সমাপ্ত
চ.নো.রিপোর্ট::নোয়াখালীতে এগার দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা সমাপ্ত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় বিজয় মঞ্চে মেলার উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে; শেষ দিনেও মেলায় ছিলো দর্শণার্থীদের উপচে পড়া ভীড়।
এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা মমতাজুল করিম বাচ্চু, বিমলেন্দু মজুমদার, আব্দুল ওয়াদুদ পিন্টু, নাসির উদ্দিন প্রমুখ।
 নোবিপ্রবিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত
চ.নো.রিপোর্ট::নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। এসব কর্মসূচীর মধ্যে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতভাবে উত্তোলন এবং কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাজ ধারণ, শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন এবং আলোচনা সভা।
 শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নোয়াখালী মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিফলকে প্রদীপ প্রজ্বলন
চ.নো.রিপোর্ট::শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরস্মরণে প্রদীপ প্রজ্বলন কর্মসূচী পালন করেছে শিশু সংগঠন প্রজন্ম আলো। বুধবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিফলকে কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজুল করিম বাচ্চু।
 নোয়াখালীতে হতদরিদ্র কৃষকদের মাঝে পাওয়ারটিলার ও ধান মাড়াই কল বিতরণ
চ.নো.রিপোর্ট::নোয়াখালীতে কৃষকদের মাঝে পাওয়ারটিলার ও ধান মাড়াইয়ের কল বিতরণ করেছে উন্নয়ন সংগঠন নোয়াখালী রুরাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি-এনআরডিএস। ইটিইএ ফাউন্ডেশন’র আর্থিক সহায়তায় মঙ্গলবার সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের হতদরিদ্র এবং উদ্যোগী কৃষকদের মাঝে ৭টি পাওয়ার টিলার ও ৩টি ধান মাড়াই কল বিতরণ করা হয়।
সাত ডিসেম্বর ; ১৯৭১ এর এই দিনে শত্রুমুক্ত হয়েছিলো নোয়াখালী
রুদ্র মাসুদ:: সাত ডিসেম্বর নোয়াখালী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাকিস্থানী বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসরদের হাত থেকে মুক্ত হয়েছিলো অবিভক্ত নোয়াখালী।
১৯৭১ সালের কালো রাত্রিতে পাকিস্থানী বাহিনীর নৃশংস হত্যাযজ্ঞের পর মুক্তিকামী ছাত্রজনতা পুলিশ ও ইপিআর ফেরৎ জওয়ানদের সাথে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত নোয়াখালী ছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে। পরবর্তীতে পাকবাহিনীর হামলার মুখে মুক্তিযোদ্ধারা টিকতে না পেরে পিছু হটলে নোয়াখালীর নিয়ন্ত্রণ নেয় পাকিস্থানীরা। নোয়াখালী পিটিআই স্কুল এবং বেগমগঞ্জ সরকারি কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ে শক্তিশালী ঘাটি গাড়ে পাকিস্থানী সেনাবাহিনী। তাদের সাথে এদেশীয় রাজাকাররা মিলে শুরু করে লুটপাট।
নোয়াখালীতে পবিস’র সাড়ে ৮ কিঃমিঃ নতুন লাইন চালু, গ্রাহকদের আনন্দের কমতি নেই
রুদ্র মাসুদ:: নোয়াখালীতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-পবিস’র সাড়ে ৮ কিঃমিঃ নতুন লাইন চালু করা হয়েছে। জেলার সদর ও সুবর্নচর উপজেলায় নতুন স্থাপিত এই লাইন শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন স্থানীয় সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী। যারফলে একই সাথে দুই উপজেলার নয়টি গ্রামের ২৮৭জন গ্রাহক গতকাল থেকেই তাঁদের নুতন সংযোগও চালু করা হযেছে। যারা শনিবার থেকেই বিদ্যুৎ ব্যবহার শুরু করেছেন। দীর্ঘদিন পর কাঙ্খিত বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়ে গ্রাহকদের মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
|