 ৬৯’র ১৯ ফেব্রুয়ারি সেনবাগবাসীর কাছে আজও অবিস্মরনীয় দিন : ৪৩ বছর পর স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ
রুদ্র মাসুদ::উনসত্তরের উনিশ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীর সেনবাগবাসীর কারছে অবিস্বরণীয় একটি দিন। ৬৯’র ১৮ ফেব্রুয়ারি গণআন্দোলনের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ডঃ শামসুজ্জোহা হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে ১৯ ফেব্রুয়ারি কালো পতাকা উত্তোলন ও থানা ঘেরাও করতে গেলে নির্বিচারে পুলিশের গুলিতে চারজন নিহত ও অগণিত ছাত্র-যুবক আহত হন। সেই চার শহীদ এবং আহতরা আজো পায়নি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। শহীদদের কবরগুলোর কোন চিহ্ন নেই। এমনকি বাঙালীর মুক্তিসংগ্রামের সাথে সম্পৃক্ত ঐতিহাসিক এ ঘটনার কোন স্মৃতিচিহ্নও নেই সেনবাগে। দাঁড়িয়ে আছে শুধু গুলিবর্ষণকারী পুলিশদের সেই সেনবাগ থানা।
আশার কথা হচ্ছে ৪৩ বছর পর বর্তমান সরকার ৬৯’র ১৯ ফেব্রুয়ারির সেই ঘটনা এবং শহীদদের স্মরণে সেনবাগ থানা চত্বরে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্ত-এলজিইডির মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় এটি নির্মাণ করা হবে। এতে খুশি চার শহীদের পরিবার ও আহতরা এবং স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য বিগত সময়ে যারা আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন তারাও।
 সুবর্নচরের উত্তর বাগ্যা আশ্রায়ন প্রকল্প : এক দশকেও ঘর আর জমির মিলেনি আশ্রিতদের, নেই ন্যূনতম নাগরিক সুবিধাও
রুদ্র মাসুদ::‘দশ বোচর অই গেছে আঙ্গো খবর লইতো কেয় আইয়ে ন, ঘর আর জমির কোনা কাগজহত্র অ হাই ন, এক হুডা হানি হাই না খাইতাম, হোলা হাইনের হড়ালেয়া ত দুরে থাক একজন ডাক্তর কবিরাজ অ নাই অসুক বিসুক অইলে দেয়াইতাম’- ক্ষোভের সাথেই কথাগুলো বলছিলেন নোয়াখালীর সুবর্নচর উপজেলার চরজব্বার ইউনিয়নের উত্তর চরবাগ্যা আশ্রায়ন প্রল্পের আশ্রিত ভ‚মিহীন নুরজাহান (৪৭), হোসনেয়ারা বেগম (৪৮), মোঃ সেলিম (৩৭)সহ অনেকেই। শুধু এক’জনই নয় এমন ক্ষোভ দেখা গেছে আশ্রায়ণে বসরবাসরত ন্যূনতম নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত পরিবারগুলোর মাঝে।
 কতক্ষণ কান্না চেপে রাখবো ?
প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে টিভি স্ক্রীনে সর্বশেষ খবরগুলো দেখা যত দ্রুত সম্ভব নেটে বসে অনলাইন নিউজগুলোতে চোখ বুলানো নিত্যদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কিন্তু শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে ঘুম থেকে উঠতে দেরী থেকে শুরু করে বাসা থেকে বেরুনো পত্রিকায় চোখ রাখা সবকিছুতেই যেনো দেরী হতে থাকে। টিভিও দেখা হয়নি, হয়নি নেটে বসাও। কোন এক দুঃসংবাদ যেনো পিছু তাড়া করে ফিরছিলো। দুপুর ১২টায় যখন সমকালের পাতায় চোখ বুলাচ্ছিলাম তখন বারবার চোখের সামনে পড়ে বিরক্তি তৈরী করছিলো ডিএমপির ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ক্রোড়পত্রটি। সমকালের পাতায় চোখ থাকা অবস্থায়ই মুঠোফোন বেজে উঠে। অপরপ্রান্ত থেকে বন্ধু নুরুল আলম মাসুদ (পার্টিসিপেটরি রিসার্স এন্ড এ্যাকশন নেটওয়ার্ক-প্রান’র নির্বাহী প্রধান) জানলেন- আপনাকে ফোন করেছি একটা কারণে সেটি হচ্ছে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার ভাই আর উনার স্ত্রী এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনি খুন হয়েছেন। লেখাটি ১২ ফেব্রুয়ারি দৈনিক সমকালের মুক্তমঞ্চে ছাপা হয়েছে।
 মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলী : সাতটি সামাজিক পাপ মুক্ত সমাজ কতদূর !
বৈষম্যের শিকার নিরীহ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করতে গিয়ে ‘অহিংসার’ মাধ্যমে সহিংসতা মোকাবেলার মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপী স্মরণীয় হয়ে আছেন মহাত্মা গান্ধী। তাঁর পিতৃদত্ত নাম মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধী । এই মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীই তার কর্মের মাধ্যমে হয়ে উঠেছিলেন ‘মহাত্মা গান্ধী’ । আজ ত্রিশ জানুয়ারি এই মহান ব্যক্তিটির ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকী।
বাবা কাবা গান্ধী এবং মা পুতলী বাঈর সন্তান মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধী (মহাত্মা গন্ধী) ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর জন্ম গ্রহন করেন ভারতের গুজরাট রাজ্যের পোরবন্দরে । শৈশবেই গান্ধীজী বুঝতে পেরেছিলেন ‘অহিংসা’র শক্তি অত্যন্ত প্রবল এবং তা হিংসার শক্তির থেকে বহুগুণে শক্তিশালী । তাই তাঁর পরবর্র্তী জীবনে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শুরু করে সমগ্র ভারতবর্ষব্যাপী যেখানেই তিনি মানবতার অবমাননা দেখেছেন, যেখানেই তিনি দুর্বলের প্রতি সবলের অত্যাচার দেখেছেন - দেখেছেন ক্ষুধা ,দারিদ্র আর অস্পৃশ্যতা সেখাই তিনি প্রয়োগ করেছেন ‘অহিংস’র শক্তি । তাঁর শ্লেগান ছিল '' Say NO to violence, violence solves no problems''। মহাত্মা গান্ধীর ৬৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে লিখেছেন রুদ্র মাসুদ।
 নোয়াখালীতে এগার দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা সমাপ্ত
চ.নো.রিপোর্ট::নোয়াখালীতে এগার দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা সমাপ্ত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় বিজয় মঞ্চে মেলার উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে; শেষ দিনেও মেলায় ছিলো দর্শণার্থীদের উপচে পড়া ভীড়।
এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা মমতাজুল করিম বাচ্চু, বিমলেন্দু মজুমদার, আব্দুল ওয়াদুদ পিন্টু, নাসির উদ্দিন প্রমুখ।
 নোবিপ্রবিতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত
চ.নো.রিপোর্ট::নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। এসব কর্মসূচীর মধ্যে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতভাবে উত্তোলন এবং কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাজ ধারণ, শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন এবং আলোচনা সভা।
 শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নোয়াখালী মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিফলকে প্রদীপ প্রজ্বলন
চ.নো.রিপোর্ট::শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদেরস্মরণে প্রদীপ প্রজ্বলন কর্মসূচী পালন করেছে শিশু সংগঠন প্রজন্ম আলো। বুধবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিফলকে কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মমতাজুল করিম বাচ্চু।
 নোয়াখালীতে হতদরিদ্র কৃষকদের মাঝে পাওয়ারটিলার ও ধান মাড়াই কল বিতরণ
চ.নো.রিপোর্ট::নোয়াখালীতে কৃষকদের মাঝে পাওয়ারটিলার ও ধান মাড়াইয়ের কল বিতরণ করেছে উন্নয়ন সংগঠন নোয়াখালী রুরাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি-এনআরডিএস। ইটিইএ ফাউন্ডেশন’র আর্থিক সহায়তায় মঙ্গলবার সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের হতদরিদ্র এবং উদ্যোগী কৃষকদের মাঝে ৭টি পাওয়ার টিলার ও ৩টি ধান মাড়াই কল বিতরণ করা হয়।
সাত ডিসেম্বর ; ১৯৭১ এর এই দিনে শত্রুমুক্ত হয়েছিলো নোয়াখালী
রুদ্র মাসুদ:: সাত ডিসেম্বর নোয়াখালী মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাকিস্থানী বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসরদের হাত থেকে মুক্ত হয়েছিলো অবিভক্ত নোয়াখালী।
১৯৭১ সালের কালো রাত্রিতে পাকিস্থানী বাহিনীর নৃশংস হত্যাযজ্ঞের পর মুক্তিকামী ছাত্রজনতা পুলিশ ও ইপিআর ফেরৎ জওয়ানদের সাথে নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত নোয়াখালী ছিলো মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ন্ত্রণে। পরবর্তীতে পাকবাহিনীর হামলার মুখে মুক্তিযোদ্ধারা টিকতে না পেরে পিছু হটলে নোয়াখালীর নিয়ন্ত্রণ নেয় পাকিস্থানীরা। নোয়াখালী পিটিআই স্কুল এবং বেগমগঞ্জ সরকারি কারিগরি উচ্চ বিদ্যালয়ে শক্তিশালী ঘাটি গাড়ে পাকিস্থানী সেনাবাহিনী। তাদের সাথে এদেশীয় রাজাকাররা মিলে শুরু করে লুটপাট।
নোয়াখালীতে পবিস’র সাড়ে ৮ কিঃমিঃ নতুন লাইন চালু, গ্রাহকদের আনন্দের কমতি নেই
রুদ্র মাসুদ:: নোয়াখালীতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-পবিস’র সাড়ে ৮ কিঃমিঃ নতুন লাইন চালু করা হয়েছে। জেলার সদর ও সুবর্নচর উপজেলায় নতুন স্থাপিত এই লাইন শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন স্থানীয় সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী। যারফলে একই সাথে দুই উপজেলার নয়টি গ্রামের ২৮৭জন গ্রাহক গতকাল থেকেই তাঁদের নুতন সংযোগও চালু করা হযেছে। যারা শনিবার থেকেই বিদ্যুৎ ব্যবহার শুরু করেছেন। দীর্ঘদিন পর কাঙ্খিত বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়ে গ্রাহকদের মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়।
|