 ফটো ক্যাপশন-
'মুক্তিযুদ্ধের বিজয়, বিদ্রোহী বাঙালীর জয়' এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সোমবার থেকে নোয়াখালী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শুরু হচ্ছে ১১ দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা। মেলা উপলক্ষে টাউন হল মোড় থেকে মেলা প্রাঙ্গণ পর্যন্ত সড়কের পাশের দেয়ালে শিল্পীর তুলিতে চিত্রিত হয়েছ মুক্তিযুদ্ধের ধারাবাহিক ইতিহাস। ব্যস্ত শিল্পী তুলির শেষ আঁচড় দিতেই যেন ব্যস্ত... রোববার বিকালে চলমান নোয়াখালীর ক্যামেরায় ধরা পড়ে এমনটি।
 ফটো ক্যাপশন-
হাতিয়ার চারপাশ দিয়ে ঘেরা মেঘনা আর অদূরের বঙ্গোপসাগের প্রতিদিন ইলিশের সন্ধানে নামে ৪ হাজারেরও বেশি নৌকা। এসকল নৌকায় গড়ে কাজ করে চার হাজারেরও বেশি জেলে ও মাঝি-মাল্লা। এ বিপুল সংখ্যক মানুষের সাথে জড়িয়ে আছে অর্ধলক্ষ মানুষের জীবন জীবিকা। আছে শত সহস্র আড়তদার আর ব্যাপারীর সংশ্লিষ্টতাও। প্রতিদিন এসকল নৌকার জালে কোটি টাকার মাছ আটকা পড়লেও তাদের জীবন যুদ্ধের খবর রাখে না কেউই। দাদনদারের টাকা পরিশোধের দুঃশ্চিন্তা আর হাতিয়াকে ঘিরে থাকা জলদস্যু বাহিনীগুলোর আতংক তাড়িয়ে বেড়ায় তাদের।
 ভয়াল ১২ নভেম্বরের দুঃসহ স্মৃতি এবং আজকের বাস্তবতা
বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয়ের ঠিক আগে ১৯৭০ এর ১২ নভেম্বর ইতিহাসের নির্মম প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটেছিল। বাংলাদেশের উপকূলের ৭৫০ বর্গকিলোমিটার জুড়ে বাঙ্গালী জাতির প্রতি চরম অবজ্ঞা আর ঘৃণা থেকে তৎকালীন শাসক গোষ্টী ভয়াবহ জলোচ্ছাস ও গোর্কীর আগাম আবহাওয়া বার্তা পেয়েও মানুষকে সতর্ক করেনি। এরফলে সে দিন কয়েক লক্ষ মানুষ, গবাদি পশুর প্রাণহানি ছাড়াও বিরাণ হয়েছে উপকূলের জনপদ।
|