বিশেষ প্রতিনিধি-
ইলিশের মওসুম শুরু হওয়ায় নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া সংলগ্ন মেঘনা নদীতে আধিপত্য বজায় রাখতে জলদস্যু গ্রুপগুলোর মধ্যে শুরু হয়েছে রক্তয়ী যুদ্ধ। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের দমার চর ও কালাম চরে জলদস্যু সর্দার মুন্সিয়া চোরা ও ইব্রাহিম গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ৮জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ২০ জনেরও বেশি। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে পুলিশ এবং কোষ্টগার্ডের পক্ষ থেকে বন্দুক যুদ্ধের কথা স্বীকার করা হলেও কোন লাশ উদ্ধার কিংবা নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, চাঁদাবাজির আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গত ক’দিন ধরে মেঘনায় সক্রিয় জলদস্যু বাহিনীগুলোর মধ্যে উত্তেজনা চলছে। স›দ্বীপের মাকছুদ বাহিনী ও হাতিয়ার ইব্রাহিম বাহিনী যৌথভাবে মঙ্গলবার রাতে দমার চরে ও কালাম চরে পুরস্কার ঘোষিত জলদস্যু সর্দার মুন্সিয়া চোরার আস্তানায় সশস্ত্র হামলা চালায়। এসময় উভয়পরে মধ্যে গোলাগুলির এক পর্যায়ে মুন্সিয়া তাঁর দলবল নিয়ে পিছু হটে।
বুধবার সকাল আটটার দিকে পুরস্কার ঘোষিত নোয়াখালীর চরাঞ্চলের আরেক বনদস্যু বাশার মাঝি ও সন্দ্বীপের জলদস্যু সর্দার টিটুকে সাথে নিয়ে মুন্সিয়া শক্তি সঞ্চয় করে তাঁর হারানো আস্তানা পুনরুদ্ধারে ইব্রাহিম ও মাকছুদ বাহিনীর ওপর অতর্কিতে হামলা করে। এসময় উভয়পরে মধ্যে বন্দুক যুদ্ধ ও সংঘর্ষ বাধে। গুলিতে এবং ধারালো অস্ত্রদিয়ে জবাই করে ইব্রাহিম ও মাকছুদ বাহিনীর অন্তত আটজন নিহত হয়। আহত হয়েছে অন্তত ২০জন। সকাল থেকেই গোটা হাতিয়ায় এ খবর ছড়িয়ে পড়লেও লাশগুলো নদীতে ফেলে দেয়ার কারণে কোন লাশ উদ্ধার করা যায়নি বলে স্থানীয়রা জানায়। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে হাতিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন দমার চর কিংবা কালাম চরে কেউ যেতে পারছে না।
এনিয়ে যোগাযোগ করা হলে জাহাজমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম জানান, সকাল ৮টার পর থেকেই মুন্সিয়া ও ইব্রাহিম বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে দমার চরে। এতে ইব্রাহিম ও মাকছুদসহ কয়েকজনই মারা গেছে বলে তিনি শুনেছেন।
এদিকে পুলিশের একটি বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে, শোনা যাচ্ছে উভয়পরে সংঘর্ষে ১৩/১৪জন মারা গেছে। তবে এ সংখ্যা অন্তত আটজন হবে। তন্মধ্যে হাতিয়ার ইব্রাহিম, সন্দ্বীপের মাকছুদ ও পিচ্ছি খোকার নিহত হওয়ার ব্যাপারে মোটামুটি নশ্চিত হওয়া গেছে। তবে লাশ উদ্ধার হয়নি কারোই। নিহত অন্যরা ইব্রাহিম এবং মাকছুদের বডিগার্ড হতে পারে।
এদিকে হাতিয়ার কোষ্টগার্ডের সাথে যোগাযোগ করা হলে কন্টিজেন্স কমান্ডার মোঃ সফিক জলদস্যুদের সংঘর্ষের খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এটি পুলিশ কেইস। তারপরও উর্ধ্বতন কর্তপরে সাথে যোগাযোগ করে গতকাল বুধবার বিকালে তিনি দমার চরে রওয়ানা হয়েছেন; কিন্তু প্রবল বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঘটনাস্থলের খুব কাছ থেকে ফিরে আসতে হয়েছে। তবে সংঘর্ষে মারা গেছে বলে তিনি শুনেছেন।
অপরদিকে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা জাহাজমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কাসেম জানান, দুই দল জলদস্যুর মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে নিঝুম দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে মোবাইলের নেটওয়ার্ক না থাকায় বিস্তারিত জানা যায়নি।
এনিয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে পুলিশ সুপার মোঃ হারুন উর রশীদ হাযারী দুই দল জলদস্যুর সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও নিহতের ব্যপারে কিছু জানাতে পারেননি। তিনি বলেন, নিহতের বিষয়টি সাংবাদিকদের মতো তিনি নিজেও শুনেছেন। বিষয়টি খোঁজ নেয়া হচ্ছে এবং গভীর পর্যবেনে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য; গত ১৫ এপ্রিল নোয়াখালী জেলা আইন শঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভায় বনদস্যু বাশার মাঝি ও জলদস্যু সর্দার মুন্সিয়া চোরাকে ধরিয়ে দিতে নোয়াখালী-৪ আসনের সরকার দলীয় সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেন।
ইলিশের মওসুম শুরু হওয়ায় নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া সংলগ্ন মেঘনা নদীতে আধিপত্য বজায় রাখতে জলদস্যু গ্রুপগুলোর মধ্যে শুরু হয়েছে রক্তয়ী যুদ্ধ। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের দমার চর ও কালাম চরে জলদস্যু সর্দার মুন্সিয়া চোরা ও ইব্রাহিম গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে অন্তত ৮জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ২০ জনেরও বেশি। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তবে পুলিশ এবং কোষ্টগার্ডের পক্ষ থেকে বন্দুক যুদ্ধের কথা স্বীকার করা হলেও কোন লাশ উদ্ধার কিংবা নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, চাঁদাবাজির আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গত ক’দিন ধরে মেঘনায় সক্রিয় জলদস্যু বাহিনীগুলোর মধ্যে উত্তেজনা চলছে। স›দ্বীপের মাকছুদ বাহিনী ও হাতিয়ার ইব্রাহিম বাহিনী যৌথভাবে মঙ্গলবার রাতে দমার চরে ও কালাম চরে পুরস্কার ঘোষিত জলদস্যু সর্দার মুন্সিয়া চোরার আস্তানায় সশস্ত্র হামলা চালায়। এসময় উভয়পরে মধ্যে গোলাগুলির এক পর্যায়ে মুন্সিয়া তাঁর দলবল নিয়ে পিছু হটে।
বুধবার সকাল আটটার দিকে পুরস্কার ঘোষিত নোয়াখালীর চরাঞ্চলের আরেক বনদস্যু বাশার মাঝি ও সন্দ্বীপের জলদস্যু সর্দার টিটুকে সাথে নিয়ে মুন্সিয়া শক্তি সঞ্চয় করে তাঁর হারানো আস্তানা পুনরুদ্ধারে ইব্রাহিম ও মাকছুদ বাহিনীর ওপর অতর্কিতে হামলা করে। এসময় উভয়পরে মধ্যে বন্দুক যুদ্ধ ও সংঘর্ষ বাধে। গুলিতে এবং ধারালো অস্ত্রদিয়ে জবাই করে ইব্রাহিম ও মাকছুদ বাহিনীর অন্তত আটজন নিহত হয়। আহত হয়েছে অন্তত ২০জন। সকাল থেকেই গোটা হাতিয়ায় এ খবর ছড়িয়ে পড়লেও লাশগুলো নদীতে ফেলে দেয়ার কারণে কোন লাশ উদ্ধার করা যায়নি বলে স্থানীয়রা জানায়। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে হাতিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন দমার চর কিংবা কালাম চরে কেউ যেতে পারছে না।
এনিয়ে যোগাযোগ করা হলে জাহাজমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম জানান, সকাল ৮টার পর থেকেই মুন্সিয়া ও ইব্রাহিম বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে দমার চরে। এতে ইব্রাহিম ও মাকছুদসহ কয়েকজনই মারা গেছে বলে তিনি শুনেছেন।
এদিকে পুলিশের একটি বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে, শোনা যাচ্ছে উভয়পরে সংঘর্ষে ১৩/১৪জন মারা গেছে। তবে এ সংখ্যা অন্তত আটজন হবে। তন্মধ্যে হাতিয়ার ইব্রাহিম, সন্দ্বীপের মাকছুদ ও পিচ্ছি খোকার নিহত হওয়ার ব্যাপারে মোটামুটি নশ্চিত হওয়া গেছে। তবে লাশ উদ্ধার হয়নি কারোই। নিহত অন্যরা ইব্রাহিম এবং মাকছুদের বডিগার্ড হতে পারে।
এদিকে হাতিয়ার কোষ্টগার্ডের সাথে যোগাযোগ করা হলে কন্টিজেন্স কমান্ডার মোঃ সফিক জলদস্যুদের সংঘর্ষের খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এটি পুলিশ কেইস। তারপরও উর্ধ্বতন কর্তপরে সাথে যোগাযোগ করে গতকাল বুধবার বিকালে তিনি দমার চরে রওয়ানা হয়েছেন; কিন্তু প্রবল বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঘটনাস্থলের খুব কাছ থেকে ফিরে আসতে হয়েছে। তবে সংঘর্ষে মারা গেছে বলে তিনি শুনেছেন।
অপরদিকে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা জাহাজমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কাসেম জানান, দুই দল জলদস্যুর মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে নিঝুম দ্বীপ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে মোবাইলের নেটওয়ার্ক না থাকায় বিস্তারিত জানা যায়নি।
এনিয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে পুলিশ সুপার মোঃ হারুন উর রশীদ হাযারী দুই দল জলদস্যুর সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও নিহতের ব্যপারে কিছু জানাতে পারেননি। তিনি বলেন, নিহতের বিষয়টি সাংবাদিকদের মতো তিনি নিজেও শুনেছেন। বিষয়টি খোঁজ নেয়া হচ্ছে এবং গভীর পর্যবেনে রাখা হয়েছে।
উল্লেখ্য; গত ১৫ এপ্রিল নোয়াখালী জেলা আইন শঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভায় বনদস্যু বাশার মাঝি ও জলদস্যু সর্দার মুন্সিয়া চোরাকে ধরিয়ে দিতে নোয়াখালী-৪ আসনের সরকার দলীয় সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেন।






