নোয়াখালীতে হরতালে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, ভাঙচুর পক্ষে বিপক্ষে মিছিল-সমাবেশ
11
বিশেষ প্রতিনিধি-
বিক্ষিপ্ত ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, ভাঙচুর, পক্ষে-বিপক্ষে মিছিল, টায়ারে অগ্নিসংযোগ করে সড়কে অররোধ সৃষ্টির মধ্যদিয়ে রোববার নোয়াখালীতে বিএনপি আহুত সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালিত হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় জেলা শহর এবং উপজেলা সদরগুলোতে বিপুল পরিমান পুলিশ মোতায়েন ছিলো। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ জেলা শহর থেকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ ১২জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। জেলা শহর ছাড়া অন্য কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
সকাল সাড়ে সাতটার দিকে পিকেটারেরা মাইজদী বাজার এলাকায় বিআরটিসির একটি বাসের, দশটার দিকে জামে মসজিদ মোড়ে পুলিশ বহনকারী একটি ম্যাক্সির কাঁচ ভাঙচুর করে। এসময় পুলিশ পিকেটারদের ধাওয়া করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সাড়ে এগারটার দিকে দত্তেরহাটে পিকেটারেরা যুবলীগ কর্মী জসিমকে মারধর করে। এনিয়ে সেখানে ছাত্র ও যুবলীগ কর্মীদের সঙ্গে পিকেটারদের ধাওয়া পাল্টাধাওয়া হয়। এসময় দুটি দোকান ও একটি বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। দুপুর সাড়ে ১২টায় দিকে মাইজদী বাজার এলাকায় বিএনপি কর্মী আকবরের দোকানে ছাত্রলীগের একদল কর্মী হামলা চালায়।10
এছাড়া সকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মোঃ শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ আজাদ এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবি ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবদুর রহমানের নেতৃত্বে হরতালের পক্ষে এবং আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা হরতালের বিপক্ষে পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনের সমাবেশে অধ্যক্ষ বেলাল উদ্দিন কিরন, শহীদ উল্লাহ খান সোহেল, ইকবাল করিম তারেক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এছাড়া জেলার প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র চৌমুহনী, সেনবাগ, সোনাইমুড়িসহ জেলার সর্বত্রই শান্তিপূর্ণ হরতাল পালিত হয়েছ। এদিকে, হরতাল চলাকাল জেলা শহর উপজেলা সদর গুলোতে রিকশা ছাড়া ভারি কোন যানবাহন চলাচল করেনি, অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিল। এছাড়া সরকারি, বেসরকারি দপ্তর ও আদালতে লোক সমাগম এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি কম ছিল।
রাজনৈতিক সংবাদ