ফেনী থেকে জুলহাস তালুকদার- 
ফেনী নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গন দিন দিন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে আসছে। সরকারী কোন উদ্যোগ না থাকলেও ভাঙ্গন প্রতিরোধে সর্বাত্মক চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে এলাকাবাসী। আশ্রয়হীন হয়ে গেছে একমাত্র আশ্রয় কেন্দ্রটি।
গত এক বছরে ফেনী নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে চরচান্দিয়া, চরখোয়াজ, চরখোন্দকার ও জেলেপাড়ার শতাধিক বাড়ির হাজারও পরিবার। ৫ কি.মি. ফসলী জমির আজ নেই কোন অস্তিত্ব। গত বছর হিন্দু সম্প্রদায়ের একমাত্র উপাসনালয় জয়কালী মন্দির বিলীন হয়ে গেছে নদীগর্ভে। তিন গ্রামের হাজারও কবরস্থান আর শশ্মান আজ নদীতে বিলীন। ঘূর্ণিঝড় আর প্রাকৃতিক জলোচ্ছ্বাসের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করতে নির্মিত হয়েছিল ২টি আশ্রয় কেন্দ্র। গত বছর একটি আশ্রয় কেন্দ্র নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অন্যটি আজ আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে আছে নদী তীরে। ইতোমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রের ৩টি টয়লেট নদী হজমকরে নিয়েছে। হয়তো ২/৪ দিনের মধ্যে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যেতে পারে ১৯৯৫ সালে ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রটি।
এছাড়া তিন গ্রামের একমাত্র মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল-জামেয়াতুল ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা নদীতে বিলীন হওয়া এখন মাত্র সময়ের অপেক্ষা। মাদ্ররাসার প্রিন্সিপাল মাওঃ কালিম উল্যাহ্ জানান, ৫৬৫ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে তিনি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেন এমন জায়গা খুঁজে পাচ্ছেন না। মাদরাসার এমন কোন ফান্ড নেই যে, অন্য কোথাও একটি ঘর তুলে মাদরাসার স্থান পরিবর্তন করবে।
১৯৮৮ সালে স্থাপিত এই মাদরাসাটি তিন গ্রামের হাজার হাজার ছেলেমেয়েকে আলোর মুখ দেখিয়েছে। সোনাগাজীর দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম জামে মসজিদ দক্ষিণ চরচান্দিয়া জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মোঃ আলমগীর জানান, আলøাহপাক রাব্বুল আলামীন যদি দয়া করে তবেই এ মসজিদ ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে। আর কোন উপায় এখন নেই।
এলাকার অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন, সরকারী ভাবে কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করা হলে খুব শীঘ্রই বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে সোনাগাজীর চিহ্ন মুছে যেতে পারে। এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান জেড এম কামরুল আনাম জানান, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে বার বার ধরনা দেয়ার পর গত মাসে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে ফেনী জেলা পাউবো কর্মকর্তাকে জরুরী ভিত্তিতে দু’টি ড্রেজার পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বলা হলেও অদ্যাবধি কোন কার্যক্রম চোখে পড়েনি। ভাঙ্গনের মুখে আশ্রয় কেন্দ্রটি যদি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তবে তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও জেলা পাউবো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করবেন বলে ইতোমধ্যে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান।

ফেনী নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গন দিন দিন তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে আসছে। সরকারী কোন উদ্যোগ না থাকলেও ভাঙ্গন প্রতিরোধে সর্বাত্মক চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে এলাকাবাসী। আশ্রয়হীন হয়ে গেছে একমাত্র আশ্রয় কেন্দ্রটি।
গত এক বছরে ফেনী নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে চরচান্দিয়া, চরখোয়াজ, চরখোন্দকার ও জেলেপাড়ার শতাধিক বাড়ির হাজারও পরিবার। ৫ কি.মি. ফসলী জমির আজ নেই কোন অস্তিত্ব। গত বছর হিন্দু সম্প্রদায়ের একমাত্র উপাসনালয় জয়কালী মন্দির বিলীন হয়ে গেছে নদীগর্ভে। তিন গ্রামের হাজারও কবরস্থান আর শশ্মান আজ নদীতে বিলীন। ঘূর্ণিঝড় আর প্রাকৃতিক জলোচ্ছ্বাসের হাত থেকে মানুষকে রক্ষা করতে নির্মিত হয়েছিল ২টি আশ্রয় কেন্দ্র। গত বছর একটি আশ্রয় কেন্দ্র নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। অন্যটি আজ আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে আছে নদী তীরে। ইতোমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রের ৩টি টয়লেট নদী হজমকরে নিয়েছে। হয়তো ২/৪ দিনের মধ্যে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যেতে পারে ১৯৯৫ সালে ৮০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রটি।
এছাড়া তিন গ্রামের একমাত্র মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আল-জামেয়াতুল ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা নদীতে বিলীন হওয়া এখন মাত্র সময়ের অপেক্ষা। মাদ্ররাসার প্রিন্সিপাল মাওঃ কালিম উল্যাহ্ জানান, ৫৬৫ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে তিনি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবেন এমন জায়গা খুঁজে পাচ্ছেন না। মাদরাসার এমন কোন ফান্ড নেই যে, অন্য কোথাও একটি ঘর তুলে মাদরাসার স্থান পরিবর্তন করবে।
১৯৮৮ সালে স্থাপিত এই মাদরাসাটি তিন গ্রামের হাজার হাজার ছেলেমেয়েকে আলোর মুখ দেখিয়েছে। সোনাগাজীর দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম জামে মসজিদ দক্ষিণ চরচান্দিয়া জামে মসজিদের ইমাম হাফেজ মোঃ আলমগীর জানান, আলøাহপাক রাব্বুল আলামীন যদি দয়া করে তবেই এ মসজিদ ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাবে। আর কোন উপায় এখন নেই। এলাকার অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন, সরকারী ভাবে কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করা হলে খুব শীঘ্রই বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে সোনাগাজীর চিহ্ন মুছে যেতে পারে। এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান জেড এম কামরুল আনাম জানান, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে বার বার ধরনা দেয়ার পর গত মাসে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে ফেনী জেলা পাউবো কর্মকর্তাকে জরুরী ভিত্তিতে দু’টি ড্রেজার পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বলা হলেও অদ্যাবধি কোন কার্যক্রম চোখে পড়েনি। ভাঙ্গনের মুখে আশ্রয় কেন্দ্রটি যদি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তবে তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ও জেলা পাউবো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করবেন বলে ইতোমধ্যে এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান।






