চ.নো.রিপোর্ট-
নোয়াখালীতে শামীম নামের এক যুবলীগের কর্মীকে অপহরণ করে মুক্তিপন আদায়ের অভিযোগে জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বেলাল হোসেন (২৯), যুবলীগ কর্মী ফয়জুল্লা মাহমুদ রাহাত (৩০) ও মোঃ ছুট্টু মিয়া (২৮)কে গ্রেফতার করেছে সুধারাম থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের রোববার আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালত আসামিদের জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। আসামিদের জিজ্ঞাবাদের জন্য পুলিশ ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে।
জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী এমপি বিষয়টি অবহিত হয়ে নির্দেশ দিলে সুধারাম থানা পুলিশ শনিবার দুপুরে শহরের হাসপাতাল রোড থেকে বেলাল ও ছুট্টুকে এবং খোন্দকারপাড়া থেকে রাহাতকে আটকের পর গভীর রাতে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। এ ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সহ-সভাপতি বেলাল হোসেনকে পদ থেকে সাময়িক অব্যাহত এবং মামলা দায়ের করা হলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ায় বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমন ভট্ট।
সুধারাম থানা পুলিশ জানায়, কয়েক মাস আগে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি বেলাল হোসেন ও তার বন্ধু শাহনাজ শহরের মসজিদ মার্কেটের একটি মোবাইল দোকান কিনে দেওয়া কথা বলে যুবলীগ কর্মী ও ব্যবসায়ী শামীমের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা নেয়। কথা অনুযায়ী দোকান কিনে দিতে ব্যর্থ হলে কিছুদিন পর শামীম টাকা ফেরত চাইলে বেলাল ও শাহনাজ দোকান তাকে ৫লাখ টাকার একটি চেক দেয়।
গত ১১ মে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি বেলাল হোসেন ও তার অপর সহযোগীরা শামীমকে কৌশলে একটি সিএনজিতে তুলে বেগমগঞ্জের চৌরাস্তায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে মাইক্রোবাসে তুলে ঢাকায় নিয়ে একটি বাসায় অবরুদ্ধ করে শামীমের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে শাহনাজ ও বেলালকে তাদের দেওয়া ৫লাখ টাকার চেক ফেরত ও নগদ আরো ২লাখ টাকা দিলে ১৩ মে শামীমকে মুক্তি দেওয়া হয়। এ ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য তাকে হুমকি দেওয়া হয়। ফলে মুক্তি পেয়েও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকে শামীম ও তাঁর পরিবার।
এদিকে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়, শামীমের পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার বিষয়টি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী এমপিকে জানানো হয়। পরে তিনি এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিলে পুলিশ শনিবার দুপুরে অভিযুক্তদের তিনজনকে প্রথমে আটক এবং পরে লিখিত অভিযোগ পেয়ে রাতে গ্রেফতার করা হয়।
সুধারাম থানার ওসি মোশারফ হোসেন ছাত্রলীগের নেতাসহ তিনজনকে গ্রেফতারের কথা নিশ্চিত করে জানান, সহপাঠি শামীমকে আটকে রেখে মুক্তিপন আদায়ের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
নোয়াখালীতে শামীম নামের এক যুবলীগের কর্মীকে অপহরণ করে মুক্তিপন আদায়ের অভিযোগে জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বেলাল হোসেন (২৯), যুবলীগ কর্মী ফয়জুল্লা মাহমুদ রাহাত (৩০) ও মোঃ ছুট্টু মিয়া (২৮)কে গ্রেফতার করেছে সুধারাম থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের রোববার আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালত আসামিদের জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। আসামিদের জিজ্ঞাবাদের জন্য পুলিশ ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে।
জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী এমপি বিষয়টি অবহিত হয়ে নির্দেশ দিলে সুধারাম থানা পুলিশ শনিবার দুপুরে শহরের হাসপাতাল রোড থেকে বেলাল ও ছুট্টুকে এবং খোন্দকারপাড়া থেকে রাহাতকে আটকের পর গভীর রাতে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। এ ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সহ-সভাপতি বেলাল হোসেনকে পদ থেকে সাময়িক অব্যাহত এবং মামলা দায়ের করা হলে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ায় বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমন ভট্ট।
সুধারাম থানা পুলিশ জানায়, কয়েক মাস আগে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি বেলাল হোসেন ও তার বন্ধু শাহনাজ শহরের মসজিদ মার্কেটের একটি মোবাইল দোকান কিনে দেওয়া কথা বলে যুবলীগ কর্মী ও ব্যবসায়ী শামীমের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা নেয়। কথা অনুযায়ী দোকান কিনে দিতে ব্যর্থ হলে কিছুদিন পর শামীম টাকা ফেরত চাইলে বেলাল ও শাহনাজ দোকান তাকে ৫লাখ টাকার একটি চেক দেয়।
গত ১১ মে জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি বেলাল হোসেন ও তার অপর সহযোগীরা শামীমকে কৌশলে একটি সিএনজিতে তুলে বেগমগঞ্জের চৌরাস্তায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে মাইক্রোবাসে তুলে ঢাকায় নিয়ে একটি বাসায় অবরুদ্ধ করে শামীমের কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে শাহনাজ ও বেলালকে তাদের দেওয়া ৫লাখ টাকার চেক ফেরত ও নগদ আরো ২লাখ টাকা দিলে ১৩ মে শামীমকে মুক্তি দেওয়া হয়। এ ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য তাকে হুমকি দেওয়া হয়। ফলে মুক্তি পেয়েও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকে শামীম ও তাঁর পরিবার।
এদিকে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়, শামীমের পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার বিষয়টি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী এমপিকে জানানো হয়। পরে তিনি এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিলে পুলিশ শনিবার দুপুরে অভিযুক্তদের তিনজনকে প্রথমে আটক এবং পরে লিখিত অভিযোগ পেয়ে রাতে গ্রেফতার করা হয়।
সুধারাম থানার ওসি মোশারফ হোসেন ছাত্রলীগের নেতাসহ তিনজনকে গ্রেফতারের কথা নিশ্চিত করে জানান, সহপাঠি শামীমকে আটকে রেখে মুক্তিপন আদায়ের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।






