চ.নো.রিপোর্ট-
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনায় ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে এক লাখ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল আটক করছেন। সোমবার সকাল ১০টা থেকে থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট থেকে রামগতি পর্যন্ত এই অভিযানে কোষ্টগার্ড এবং উপজেলা মত্স্য অফিস সহায়তা করে। সন্ধ্যা ৬টায় হাতিয়ার তমরুদ্দী ঘাটে আটককৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত সুত্রে জানা যায়, হাতিয়ার সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযানে কোস্টগার্ডে কন্টিজেন্স কমান্ডার সফিক আহম্মেদ ও উপজেলা মত্স অফিসার নিজাম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। অভিযান চলাকালে চেয়রাম্যানঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীর রামগতি সীমানা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত এক লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল আটক করে। বাজারমূল্য অনুযায়ী আটককৃত জালের মূল্য ৪০ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।
উপজেলা মত্স অফিসার নিজাম উদ্দিন জানান, ইলিশ মওসুম শুরুর পর মেঘনা নদীতে কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও কোস্ট গার্ডের চোখ ফাঁকি দিয়ে কারেন্ট জাল দিয়ে খবর পেয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনায় ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে এক লাখ মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল আটক করছেন। সোমবার সকাল ১০টা থেকে থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট থেকে রামগতি পর্যন্ত এই অভিযানে কোষ্টগার্ড এবং উপজেলা মত্স্য অফিস সহায়তা করে। সন্ধ্যা ৬টায় হাতিয়ার তমরুদ্দী ঘাটে আটককৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত সুত্রে জানা যায়, হাতিয়ার সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের এই অভিযানে কোস্টগার্ডে কন্টিজেন্স কমান্ডার সফিক আহম্মেদ ও উপজেলা মত্স অফিসার নিজাম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। অভিযান চলাকালে চেয়রাম্যানঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীর রামগতি সীমানা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত এক লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল আটক করে। বাজারমূল্য অনুযায়ী আটককৃত জালের মূল্য ৪০ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।
উপজেলা মত্স অফিসার নিজাম উদ্দিন জানান, ইলিশ মওসুম শুরুর পর মেঘনা নদীতে কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও কোস্ট গার্ডের চোখ ফাঁকি দিয়ে কারেন্ট জাল দিয়ে খবর পেয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।






