
রুদ্র মাসুদ-
ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও সেবা প্রদান ব্যবস্থা জনগণকে অবহিত ও উদ্বুদ্ধ করণের লক্ষ্যে সরকারের বিভাগ সমূহের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় নোয়াখালী পৌরসভার সামনে থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে জেলা শহর মাইজদীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে জানানো হয়, নোয়াখালীতে ২০২১ সালের মধ্যে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত ৫লাখ টন খাদ্য উত্পাদন বৃদ্ধি পাবে।
এমনিতেই রমজান তারওপর ভাদ্রের তালপাকা রোদ। সকাল ৯টা থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন শ্লোগান সম্বলিত রঙ বেরঙের ব্যানার পেষ্টুন নিয়ে নোয়াখালী পৌরসভা প্রাঙ্গণে ভীড় জমাতে থাকে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সুবিধাভোগীরা। সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সচেতনতামূলক শোভাযাত্রাটি বের হলে জেলা শহর মাইজদীর প্রধান সড়ক পরিণত হয় জনসমুদ্রে। এসময় শহরের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে সৃষ্টি হয় যানজট। শোভাযাত্রাটি জিলা স্কুল মাঠে পৌছে সমাবেশে মিলিত হয়।
ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও সেবা প্রদানের ব্যবস্থা সম্পর্কে জনগণের ভূমিকা অবহিতকরণ শীর্ষক এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান। সমাবেশ উপস্থিত থাকতে না পারায় মোবাইলে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি একরামুল করিম চৌধুরী এমপি। বক্তব্য রাখেন সূবর্নচর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ বেলাল উদ্দিন কিরণ, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল ওয়াদুদ, বিএডিসি’র উপ-পরিচালক আনন্দ চন্দ্র দাস, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রওশন আলম, কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী সলিম উল্যা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুমন বড়ুয়া, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ পিসি এন তালুকদার, জেলা মত্স কর্মকর্তা বিলকিস তাহমিনা, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বিবি তহুরা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ফরহাদ নূর প্রমুখ।
সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান সমাবেশে অবহিত করেন, বর্তমানে নিজেদের খাদ্যের চাহিদা মিটিয়ে ১ লাখ মেঃটন খাদ্য নোয়াখালী থেকে সরাদেশে সরবরাহ করা হয়। লবণাক্ততা, সেচ সংকট ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়িত হলে ২০২১ সালের মধ্যে চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত ৫ লাখ মেঃটন খাদ্য উত্পাদন সম্ভব হবে।
এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ সকল বিভাগে জনগণ যাতে উপকৃত হবে সেদিকে নজর দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি একইভাবে উপজেলা পর্যায়েও এইকভাবে শোভাযাত্রা-সমাবেশ আয়োজনের মধ্যদিয়ে জনগণের সামনে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচী তুলে ধরা হবে।
এমনিতেই রমজান তারওপর ভাদ্রের তালপাকা রোদ। সকাল ৯টা থেকে বিভিন্ন উন্নয়ন শ্লোগান সম্বলিত রঙ বেরঙের ব্যানার পেষ্টুন নিয়ে নোয়াখালী পৌরসভা প্রাঙ্গণে ভীড় জমাতে থাকে সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সুবিধাভোগীরা। সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সচেতনতামূলক শোভাযাত্রাটি বের হলে জেলা শহর মাইজদীর প্রধান সড়ক পরিণত হয় জনসমুদ্রে। এসময় শহরের উত্তর ও দক্ষিণ পাশে সৃষ্টি হয় যানজট। শোভাযাত্রাটি জিলা স্কুল মাঠে পৌছে সমাবেশে মিলিত হয়।

ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম ও সেবা প্রদানের ব্যবস্থা সম্পর্কে জনগণের ভূমিকা অবহিতকরণ শীর্ষক এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান। সমাবেশ উপস্থিত থাকতে না পারায় মোবাইলে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি একরামুল করিম চৌধুরী এমপি। বক্তব্য রাখেন সূবর্নচর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ বেলাল উদ্দিন কিরণ, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল ওয়াদুদ, বিএডিসি’র উপ-পরিচালক আনন্দ চন্দ্র দাস, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রওশন আলম, কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কাজী সলিম উল্যা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুমন বড়ুয়া, নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ পিসি এন তালুকদার, জেলা মত্স কর্মকর্তা বিলকিস তাহমিনা, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বিবি তহুরা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ফরহাদ নূর প্রমুখ।
সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান সমাবেশে অবহিত করেন, বর্তমানে নিজেদের খাদ্যের চাহিদা মিটিয়ে ১ লাখ মেঃটন খাদ্য নোয়াখালী থেকে সরাদেশে সরবরাহ করা হয়। লবণাক্ততা, সেচ সংকট ও জলাবদ্ধতা দূরীকরণের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়িত হলে ২০২১ সালের মধ্যে চাহিদা মিটিয়ে অতিরিক্ত ৫ লাখ মেঃটন খাদ্য উত্পাদন সম্ভব হবে।
এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ সকল বিভাগে জনগণ যাতে উপকৃত হবে সেদিকে নজর দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি একইভাবে উপজেলা পর্যায়েও এইকভাবে শোভাযাত্রা-সমাবেশ আয়োজনের মধ্যদিয়ে জনগণের সামনে সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচী তুলে ধরা হবে।






