জুলহাস তালুকদার-
ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সহকারী এটিএম শাহাজানকে ঘুষ নেওয়ার সময় হাতে-নাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোঃ সাব্বির হোসেন ও নোয়খালী কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জাহিদ হোসেন। রোববার দুপুরে ছাগলনাইয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে থানার একটি মামলা হয়েছে।
জানা যায়, ছাগলনাইয় পৌরসভাধীন বাঁশপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা দিলারা আক্তারের টাইম স্কেল পাওয়ার সময় উর্ত্তীণ হয়েছিল ২০০৮ সালে ডিসেম্বর মাসে। সেই থেকে দিলারা আক্তার এর পক্ষে তার স্বামী আব্দুল জলিল ভূইয়া ওরফে দুলাল ছাগলনাইয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম বরাবর ২০০৯ সালের নতুন পে-স্কেল সহ বকেয়া বিল করার জন্য আবেদন করেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে শিক্ষা কর্মকর্তা তার অফিস সহকারী এটি এম শাহজানকে বকেয়া বিলটি করার জন্য নির্দেশ দেন। এটিএম শাহজাহান সে নিদের্শ পালনে দীর্ঘ সময় গড়িমসি করতে থাকে এবং টাইম স্কেলের বকেয়া সতের হাজার ৮৮৫ টাকা বিল পেতে এক হাজার টাকা অফিস খরচ লাগবে বলে তাদেরকে জানায়। পরে দিলারার স্বামী আবদুল জলিল ভূঁঞা বিলটি পাওয়ার আশায় অফিস সহকারী সাহজাহানকে এক হাজার টাকা দিতে রাজী হয়। তখন অফিস সহকারী সাহজাহান দ্রুত বিলটি প্রস্তুত করেন। শুধুমাত্র এক হাজার টাকা ঘুষের জন্য একটি বিল দু‘বছর না করার বিষয়টি ওই শিক্ষকের স্বামী আব্দুল জলিল ভূইয়া থানা ও দুদুকের নোয়াখালী কার্যালয়ে জানিয়ে রাখে। গতকাল সেই এক হাজার টাকা দেওয়ার সময় দুদুকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোঃ শাব্বির হাসান, নোয়াখালীর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শহিদুল ইসলাম ও সহকারী পরিচালক জাহিদ হোসেন সেখানে উপস্থিত হয়ে নগদ এক হাজার টাকাসহ তাকে আটক করা হয়।
ঘুষ গ্রহনের অভিযোগে আটক এটিএম শাহজাহান বলেন, বকেয়া বিলের জন্য টাকা দাবির বিষয়টি সত্য নয়। তাকে ফাঁসানোর জন্যই জোর করে তার পকেটে টাকা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহ আলম ছুটিতে থাকায় তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়ে উঠেনি।
ছাগলনাইয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোমিনুর রশীদ বলেন, ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত। এ ঘটনায় দুদুকের নোয়াখালী অফিসের সহকারী পরিচালক জাহিদ হোসেন বাদী হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুদকের দায়ের করা মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং আটক সাহজাহানকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান।
ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সহকারী এটিএম শাহাজানকে ঘুষ নেওয়ার সময় হাতে-নাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোঃ সাব্বির হোসেন ও নোয়খালী কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জাহিদ হোসেন। রোববার দুপুরে ছাগলনাইয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে থানার একটি মামলা হয়েছে।
জানা যায়, ছাগলনাইয় পৌরসভাধীন বাঁশপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা দিলারা আক্তারের টাইম স্কেল পাওয়ার সময় উর্ত্তীণ হয়েছিল ২০০৮ সালে ডিসেম্বর মাসে। সেই থেকে দিলারা আক্তার এর পক্ষে তার স্বামী আব্দুল জলিল ভূইয়া ওরফে দুলাল ছাগলনাইয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম বরাবর ২০০৯ সালের নতুন পে-স্কেল সহ বকেয়া বিল করার জন্য আবেদন করেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে শিক্ষা কর্মকর্তা তার অফিস সহকারী এটি এম শাহজানকে বকেয়া বিলটি করার জন্য নির্দেশ দেন। এটিএম শাহজাহান সে নিদের্শ পালনে দীর্ঘ সময় গড়িমসি করতে থাকে এবং টাইম স্কেলের বকেয়া সতের হাজার ৮৮৫ টাকা বিল পেতে এক হাজার টাকা অফিস খরচ লাগবে বলে তাদেরকে জানায়। পরে দিলারার স্বামী আবদুল জলিল ভূঁঞা বিলটি পাওয়ার আশায় অফিস সহকারী সাহজাহানকে এক হাজার টাকা দিতে রাজী হয়। তখন অফিস সহকারী সাহজাহান দ্রুত বিলটি প্রস্তুত করেন। শুধুমাত্র এক হাজার টাকা ঘুষের জন্য একটি বিল দু‘বছর না করার বিষয়টি ওই শিক্ষকের স্বামী আব্দুল জলিল ভূইয়া থানা ও দুদুকের নোয়াখালী কার্যালয়ে জানিয়ে রাখে। গতকাল সেই এক হাজার টাকা দেওয়ার সময় দুদুকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মোঃ শাব্বির হাসান, নোয়াখালীর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শহিদুল ইসলাম ও সহকারী পরিচালক জাহিদ হোসেন সেখানে উপস্থিত হয়ে নগদ এক হাজার টাকাসহ তাকে আটক করা হয়।
ঘুষ গ্রহনের অভিযোগে আটক এটিএম শাহজাহান বলেন, বকেয়া বিলের জন্য টাকা দাবির বিষয়টি সত্য নয়। তাকে ফাঁসানোর জন্যই জোর করে তার পকেটে টাকা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহ আলম ছুটিতে থাকায় তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়ে উঠেনি।
ছাগলনাইয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোমিনুর রশীদ বলেন, ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত। এ ঘটনায় দুদুকের নোয়াখালী অফিসের সহকারী পরিচালক জাহিদ হোসেন বাদী হয়ে ছাগলনাইয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুদকের দায়ের করা মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং আটক সাহজাহানকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান।






