চ.নো.রিপোর্ট-
নোয়াখালীতে বিরোধীদলীয় চীফ হুইফ জয়নুল আবেদীন ফারুকের ইফতার অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে ক্ষুব্ধ যুবদল ও ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। সোমবার সোনাইমুড়ি উপজেলার অম্বর নগর ইউনিয়নের ওয়াছেকপুর শান্তির হাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ইউনিয়ন কমিটি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ হামলায় চীফ হুইপের সামনেই তাঁর অনুসারী হিসাবে পরিচিত বিএনপি নেতা রেজ্জাকুল হায়দা রেজুকে মারধর করে জামা কাপড় ছিড়ে ফেলে হামলাকারীরা। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিএনপির নেতাকর্মীরা জানায়, বর্তমান সরকারের সময়ে বরাদ্দকৃত টিআর ও কাবিখাসহ নানাকাজে নিজের পছন্দের লোক দিয়ে কাজ করানোর মতো নিজের সেনবাগ উপজেলার বাড়িতে বৈঠক ডেকে অম্বর নগর ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি ঘোষণা করেন চীফ হুইপ। এতে সভাপতি করা হয় আব্দুর রাজ্জাককে এবং সাধারণ সম্পাদক হিসাবে চীফ হুইপের অনুসারী সাবেক ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজ্জাকুল হায়দা রেজুকে বানানোর চেষ্টা চলে। এতে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের সাধারণ নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়। সোমবার বিকালে আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে শান্তিরহাট বাজারে পূর্বনির্ধারিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন চীফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুক এমপি। ইফতার মাহফিলের ষ্টেজে রেজ্জাকুল হায়দারকে দেখে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা আরো বেশি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তাঁকেসহ তাঁর অনুসারীদের বেদড়ক পিটুনী দেয়া হয় চীফ হুইপের উপস্থিতিতেই।
এনিয়ে যোগাযোগ করা হলে কাউন্সিলরদের ভোটে কমিটি হয়েছে বলে দাবি করেন আব্দুর রাজ্জাক। অপরদিকে হামলার কথা স্বীকার করে রেজ্জাকুল হায়দার বলেন, স্থানীয় লাড্ডুর নেতৃত্বেই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এই হামলা হয়েছে।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সোনাইমুড়ি উপজেলা বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতা বলেন, কমিটি গঠন নিয়ে স্বেচ্ছাচারিতার কারণেই হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেনবাগ উপজেলার সাথে সোনাইমুড়ির ৪ ইউনিয়ন নিয়ে জয়নুল আবেদীন ফারুকের নির্বাচনী এলাকা। কিন্তু তিনি এখানকার কমিটি করার ক্ষেত্রে সোনাইমুড়ি উপজেলা বিএনপির সাথে কোন মতামত নেয়ারও প্রয়োজন মনে করেননি।
এনিয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে সোনাইমুড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ারুল হক কামাল বলেন, গন্ডগোল হয়েছে বলে শুনেছি। তবে আমি সেখানে ছিলাম না।
সোনাইমুড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজিবুল ইসলাম বলেন, নিজেদের অর্ন্তকোন্দলের কারণেই হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং সেটা চীফ হুইপের সামনেই।
নোয়াখালীতে বিরোধীদলীয় চীফ হুইফ জয়নুল আবেদীন ফারুকের ইফতার অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে ক্ষুব্ধ যুবদল ও ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। সোমবার সোনাইমুড়ি উপজেলার অম্বর নগর ইউনিয়নের ওয়াছেকপুর শান্তির হাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ইউনিয়ন কমিটি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ হামলায় চীফ হুইপের সামনেই তাঁর অনুসারী হিসাবে পরিচিত বিএনপি নেতা রেজ্জাকুল হায়দা রেজুকে মারধর করে জামা কাপড় ছিড়ে ফেলে হামলাকারীরা। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিএনপির নেতাকর্মীরা জানায়, বর্তমান সরকারের সময়ে বরাদ্দকৃত টিআর ও কাবিখাসহ নানাকাজে নিজের পছন্দের লোক দিয়ে কাজ করানোর মতো নিজের সেনবাগ উপজেলার বাড়িতে বৈঠক ডেকে অম্বর নগর ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি ঘোষণা করেন চীফ হুইপ। এতে সভাপতি করা হয় আব্দুর রাজ্জাককে এবং সাধারণ সম্পাদক হিসাবে চীফ হুইপের অনুসারী সাবেক ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রেজ্জাকুল হায়দা রেজুকে বানানোর চেষ্টা চলে। এতে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের সাধারণ নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়। সোমবার বিকালে আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে শান্তিরহাট বাজারে পূর্বনির্ধারিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন চীফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুক এমপি। ইফতার মাহফিলের ষ্টেজে রেজ্জাকুল হায়দারকে দেখে ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা আরো বেশি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তাঁকেসহ তাঁর অনুসারীদের বেদড়ক পিটুনী দেয়া হয় চীফ হুইপের উপস্থিতিতেই।
এনিয়ে যোগাযোগ করা হলে কাউন্সিলরদের ভোটে কমিটি হয়েছে বলে দাবি করেন আব্দুর রাজ্জাক। অপরদিকে হামলার কথা স্বীকার করে রেজ্জাকুল হায়দার বলেন, স্থানীয় লাড্ডুর নেতৃত্বেই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে এই হামলা হয়েছে।
এদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে সোনাইমুড়ি উপজেলা বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতা বলেন, কমিটি গঠন নিয়ে স্বেচ্ছাচারিতার কারণেই হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেনবাগ উপজেলার সাথে সোনাইমুড়ির ৪ ইউনিয়ন নিয়ে জয়নুল আবেদীন ফারুকের নির্বাচনী এলাকা। কিন্তু তিনি এখানকার কমিটি করার ক্ষেত্রে সোনাইমুড়ি উপজেলা বিএনপির সাথে কোন মতামত নেয়ারও প্রয়োজন মনে করেননি।
এনিয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে সোনাইমুড়ি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ারুল হক কামাল বলেন, গন্ডগোল হয়েছে বলে শুনেছি। তবে আমি সেখানে ছিলাম না।
সোনাইমুড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজিবুল ইসলাম বলেন, নিজেদের অর্ন্তকোন্দলের কারণেই হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং সেটা চীফ হুইপের সামনেই।






