নিজস্ব সংবাদদাতা-
নিরাপত্তা নিয়ে শংকা আর সংশয়ের মধ্য আজ মঙ্গলবার জল ও বনদস্যু কবলিত নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখানকার ৬৪টি ভোটকেন্দ্রকেই গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসাবে চিহ্নিত করায় ভোটারদের মধ্যে ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে এই শংকা দেখা দেয়।
এখানকার ৭টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫৬জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১০২জন এবং ইউপি সদস্য পদে ৩৩৫জন প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধী পক্ষ সমূহের মর্যাদার লড়াই এবং আগামি সময়ে মেঘনা নদী ও চরাঞ্চলে নিয়ন্ত্রন বজায় রাখার আকাঙ্খার ফলে যে কোন ধরণের পরিস্থিতি মোকাবেলায় র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে গোটা দ্বীপে। নির্বাচনী এলাকার নাগরিক না হওয়ায় আবুল কালাম (গুটি কালাম), আব্দুল করিম (গরু করিম) ও রিয়াজ নামের তিনজনকে গ্রেফতার করেছে হাতিয়া থানা পুলিশ। তন্মধ্যে কালাম ও করিম বয়ারচরের চেয়ারম্যান ঘাটে সাংসদ ফজলুল আজিমের ওপর হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে হাতিয়ার সাত ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়াই হচেছ মূলত দ্বিমুখী। স্থানীয় সাংসদ প্রকৌশলী ফজলুল আজিম ও উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ওয়ালী উল্যার যৌথ সমর্থিত প্রার্থীর বিপরীতে প্রতি ইউনিয়নে একজন এবং একাধিক প্রার্থী দাঁড় করিয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগ থেকে বহিস্কৃত সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ আলী। এই দুই পক্ষের বাইরে আবার আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সমর্থিত একাদিক প্রার্থীও লড়ছেন ইউনিয়নগুলোতে।
সংশিষ্ট সুত্রে জানা গেছে ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে ইতোমধ্যে পুলিশ সুপার, দুইজন সহকারি পুলিশ সুপার, হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ ৬জন ইন্সপেক্টরসহ ৫ শতাধিক পুলিশ, ৪০ সদস্যের রেব-১১’র একটি দল এবং কোষ্টগার্ড নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকবে। ২১জন ম্যাজিষ্ট্রেট নির্বাচন উপলক্ষে হাতিয়ায় অবস্থান করছেন। তন্মধ্যে ১৪জন ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে থাকবে ১৪টি স্ট্রাইকিং ফোর্স।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে বুড়িরচর ইউনিয়নে ১০টি ভোট কেন্দ্র বাকি ৬টি ইউনিয়নে ভোট কেন্দ্র ৯টি করে। সবমিলিয়ে ৭ ইউনিয়নে ৬৪টি ভোট কেন্দ্রে ১ লাখ ২৪ হাজার ৫৮জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সোমবার দুপুরের মধ্যে সবক’টি কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জান পৌঁছানো হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে উপজেলার চরকিং ইউনিয়নে মহিউদ্দিন আহম্মেদ, এডভোকেট আলমগীর হোসেনসহ ৮জন চেয়ারম্যান পদে, ১১জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে এবং ৪৭জন ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। চর ইশ্বর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ, আব্দুল হালিম আজাদসহ ৬জন চেয়ারম্যান পদে ১৩জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে এবং ৪১জন ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। সোনাদিয়া ইউনিয়নে আহসান উল্যা বাবু, ইয়াসিন আরাফাতসহ ১০জন চেয়ারম্যান পদে, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১২জন এবং ইউপি সদস্য ৪১জন প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। তমুরুদ্দি ইউনিয়নে আলাউদ্দিন বাবু, মোবাশ্বের আহম্মদসহ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন ১০জন। এখানে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৫জন এবং ইউপি সদস্য পদে ৪৯জন প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। জাহাজমারা ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান এটিএম সিরাজ, বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কালামসহ ৪জন চেয়ারম্যান পদে, ২১জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে এবং ৫২জন ইউপি সদস্য পদে লড়ছেন। বুড়িরচর ইউনিয়নে আমিরুল ইসলাম (হাজী জাহাঙ্গীর), জিয়া আলী মোবারক কল্লোসহ ৭জন চেয়ারম্যান পদে, ১৭জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও ৫১জন ইউপি সদস্য পড়ে লড়াই করছেন। নিঝুম দ্বীপে জেসমিন আক্তার ফেন্সী, মেহরাজ উদ্দিন (মেহরাজ পার্টি) ও তাজুল ইসলামসহ ১১জন চেয়ারম্যান পদে, ১৩জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও ৫৪জন ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী সবকটি ভোট কেন্দ্রকেই গুরুত্বপূর্ণ (ঝূকিপূর্ণ) আখ্যা দিয়ে বলেন, অনুমতি নেই নির্বাচনী এলাকার বাইরের এমন কাউকেই ভোটকেন্দ্রের আশপাশে থাকতে দেওয়া হবে না। নিরাপত্তার জন্য সর্বোচ্ছ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হারুন উর রশীদ জানান, ২১জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের পাশাপাশি গোটা হাতিয়ায় প্রায় এক হাজার পুলিশ, র্যাব ও কোষ্টগার্ড সদস্য নিয়োজিত থাকবে নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে। বিশৃঙ্খলাকারী যে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।
নিরাপত্তা নিয়ে শংকা আর সংশয়ের মধ্য আজ মঙ্গলবার জল ও বনদস্যু কবলিত নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখানকার ৬৪টি ভোটকেন্দ্রকেই গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসাবে চিহ্নিত করায় ভোটারদের মধ্যে ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিয়ে এই শংকা দেখা দেয়।
এখানকার ৭টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫৬জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১০২জন এবং ইউপি সদস্য পদে ৩৩৫জন প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধী পক্ষ সমূহের মর্যাদার লড়াই এবং আগামি সময়ে মেঘনা নদী ও চরাঞ্চলে নিয়ন্ত্রন বজায় রাখার আকাঙ্খার ফলে যে কোন ধরণের পরিস্থিতি মোকাবেলায় র্যাব ও পুলিশের সমন্বয়ে নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে গোটা দ্বীপে। নির্বাচনী এলাকার নাগরিক না হওয়ায় আবুল কালাম (গুটি কালাম), আব্দুল করিম (গরু করিম) ও রিয়াজ নামের তিনজনকে গ্রেফতার করেছে হাতিয়া থানা পুলিশ। তন্মধ্যে কালাম ও করিম বয়ারচরের চেয়ারম্যান ঘাটে সাংসদ ফজলুল আজিমের ওপর হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে হাতিয়ার সাত ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়াই হচেছ মূলত দ্বিমুখী। স্থানীয় সাংসদ প্রকৌশলী ফজলুল আজিম ও উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ওয়ালী উল্যার যৌথ সমর্থিত প্রার্থীর বিপরীতে প্রতি ইউনিয়নে একজন এবং একাধিক প্রার্থী দাঁড় করিয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগ থেকে বহিস্কৃত সাবেক সাংসদ মোহাম্মদ আলী। এই দুই পক্ষের বাইরে আবার আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সমর্থিত একাদিক প্রার্থীও লড়ছেন ইউনিয়নগুলোতে।
সংশিষ্ট সুত্রে জানা গেছে ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে ইতোমধ্যে পুলিশ সুপার, দুইজন সহকারি পুলিশ সুপার, হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ ৬জন ইন্সপেক্টরসহ ৫ শতাধিক পুলিশ, ৪০ সদস্যের রেব-১১’র একটি দল এবং কোষ্টগার্ড নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকবে। ২১জন ম্যাজিষ্ট্রেট নির্বাচন উপলক্ষে হাতিয়ায় অবস্থান করছেন। তন্মধ্যে ১৪জন ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে থাকবে ১৪টি স্ট্রাইকিং ফোর্স।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে বুড়িরচর ইউনিয়নে ১০টি ভোট কেন্দ্র বাকি ৬টি ইউনিয়নে ভোট কেন্দ্র ৯টি করে। সবমিলিয়ে ৭ ইউনিয়নে ৬৪টি ভোট কেন্দ্রে ১ লাখ ২৪ হাজার ৫৮জন ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সোমবার দুপুরের মধ্যে সবক’টি কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জান পৌঁছানো হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে উপজেলার চরকিং ইউনিয়নে মহিউদ্দিন আহম্মেদ, এডভোকেট আলমগীর হোসেনসহ ৮জন চেয়ারম্যান পদে, ১১জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে এবং ৪৭জন ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। চর ইশ্বর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ, আব্দুল হালিম আজাদসহ ৬জন চেয়ারম্যান পদে ১৩জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে এবং ৪১জন ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। সোনাদিয়া ইউনিয়নে আহসান উল্যা বাবু, ইয়াসিন আরাফাতসহ ১০জন চেয়ারম্যান পদে, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১২জন এবং ইউপি সদস্য ৪১জন প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। তমুরুদ্দি ইউনিয়নে আলাউদ্দিন বাবু, মোবাশ্বের আহম্মদসহ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন ১০জন। এখানে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৫জন এবং ইউপি সদস্য পদে ৪৯জন প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। জাহাজমারা ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান এটিএম সিরাজ, বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কালামসহ ৪জন চেয়ারম্যান পদে, ২১জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে এবং ৫২জন ইউপি সদস্য পদে লড়ছেন। বুড়িরচর ইউনিয়নে আমিরুল ইসলাম (হাজী জাহাঙ্গীর), জিয়া আলী মোবারক কল্লোসহ ৭জন চেয়ারম্যান পদে, ১৭জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও ৫১জন ইউপি সদস্য পড়ে লড়াই করছেন। নিঝুম দ্বীপে জেসমিন আক্তার ফেন্সী, মেহরাজ উদ্দিন (মেহরাজ পার্টি) ও তাজুল ইসলামসহ ১১জন চেয়ারম্যান পদে, ১৩জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ও ৫৪জন ইউপি সদস্য পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী সবকটি ভোট কেন্দ্রকেই গুরুত্বপূর্ণ (ঝূকিপূর্ণ) আখ্যা দিয়ে বলেন, অনুমতি নেই নির্বাচনী এলাকার বাইরের এমন কাউকেই ভোটকেন্দ্রের আশপাশে থাকতে দেওয়া হবে না। নিরাপত্তার জন্য সর্বোচ্ছ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে উল্লেখ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হারুন উর রশীদ জানান, ২১জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের পাশাপাশি গোটা হাতিয়ায় প্রায় এক হাজার পুলিশ, র্যাব ও কোষ্টগার্ড সদস্য নিয়োজিত থাকবে নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে। বিশৃঙ্খলাকারী যে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।






