অর্ধলক্ষ লোকের পদভারে মিছিলের নগরীতে পরিণত চৌমুহনী \ একদিকে উন্নয়ন অন্যদিকে অনুদান

রুদ্র মাসুদ- নির্বাচনী শো-ডাউনে মুখরিত নোয়াখালী-৩ বেগমগঞ্জ আসন। দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী মিনহাজ আহম্মেদ জাবেদ ও মামুনুর রশিদ কিরণের নির্বাচনী মিছিলে অর্ধলক্ষাধিক লোকের পদভাবে মুখরিত হয়ে উঠে জেলার প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র চৌমুহনী পরিণত হয় মিছিলের নগরীতে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই দুই প্রার্থীর শো-ডাউনকে ঘিরে থমকে যায় চৌমুহনী। দুই প্রার্থীর শান্তিপূর্ণ শো-ডাউনকে সাধারণ মানুষ স্বতস্ফুর্তভাবে স্বাগত জানায়। ব্যাপক উন্নয়নে বদলে যাওয়া বেগমগঞ্জের ভোটারদের সামনে উন্নয়ন এবং পরিবর্তন এই শ্লোগানকে সামনে রেখে নাগরিক কমিটির ব্যানারে স্বতন্ত্র প্রার্থী মিনহাজ আহম্মেদ জাবেদ গণজমায়েতের আয়োজন করে বেগমগঞ্জ সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। বেগমগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে দুপুর থেকে মিছিল এসে জড়ে হতে থাকে এখানে। স্বতন্ত্র প্রার্থী মিনহাজ আহম্মেদ জাবেদ, তাঁর নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান সমন্বয়কারী বেলাল উ আহম্মেদ, চৌমুহনী পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান এবিএম ইউসুফ, মুক্তিযেদ্ধা রফিক উল্যা, মাহবুবুল হক, চৌমুহনী সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, সকল ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বিকাল ৫টায় বেগমগঞ্জ স্কুল থেকে মিছিল বের হয়ে চৌমুহনীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। হাজার হাজার মানুষের তিন কিলোমিটার দীর্ঘ মিছিলটি চৌমুহনী অতিক্রম করতে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে মানুষ মিছিলকে স্বাগত জানায়।

অন্যদিকে দীর্ঘদিনের দান অনুদানের কারণে জনপ্রিয় শিল্পপতি বেগমগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশিদ কিরণ গণজমায়েত করে চৌমুহনীর মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে। প্রার্থী মামুনুর রশিদ কিরন আওয়ামীলীগ নেতা আবুল হাসেম বিএ, মোহাম্মদ উল্যা বিএ, শেখ শহিদুল ইসলাম, ছায়েদুল হক ছাদু, সাহাব উল্যাহ কাজলের নেতৃত্বে এখান থেকে মিছিল বের হয় বিকাল ৪টায়। হাজার হাজার মানুষের অংশ গ্রহণে প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ মিছিলটি চৌমুহনী থেকে চৌরাস্তামুখে রওয়ানা হলে রাস্তার দুই পাশে যানজট সৃষ্টি হয়। এসময় এ মিছিলটিকেও স্বাগত জানায়। উল্লেখ্য, এ আসনে জনপ্রিয়তা থাকা স্বত্বেও মামুনুর রশিদ কিরণকে মনোনয়ন না দিয়েআওয়ামীলীগ থেকে যুবমহিলালীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী লুৎফুন্নাহার মুন্নিকে মনোনয়ন দেয়া হয়। পরে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের ডেকে দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেয়। কিছুদিন পর হঠাৎ করেই শেখ হাসিার নির্দেশ দিয়েছেন বলে তফসিল পুননির্ধারণের পর মামুনুর রশিদ কিরণ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

রাজনৈতিক সংবাদ