বিশেষ প্রতিনিধি-
নোয়াখালীর প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র এবং জেলার সাথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যোগাযোগের প্রাণ কেন্দ্র
চৌমুহনীতে যানজট এখন প্রতিদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকাল ৯টা থেকে তিন কিলোমিটার এই যানজট লেগে থাকে সারাদিন। চৌমুহনীতে যানজট নিরসনে ফোর লেইন সড়ক নির্মাণে দীর্ঘসূত্রীতা, পৌর এলাকায় বাস ব্যতীত কোন যানবাহনের জন্য কোন টার্মিনাল না থাকা, গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়া এবং ট্রাফিক পুলিশের অবহেলার কারণে যানজটের এই চিত্র আজও চৌমুহনীতে দেখা গেছে ।
ফলে শুধু চৌমুহনীবাসী নয় জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে চৌমুহনীতে ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে আসা লোকজন এবং চৌমুহনীর ওপর দিয়ে যাতায়তকারী ১২টি রুটের যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়। তবে; রোজার দিনে জনসাধারণের দূর্ভোগ বাড়ালেও পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তাদের চলাচলে কোন বিঘ্ন ঘটছে না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলার প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র চৌমুহনীর প্রধান সড়কে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা যানজট লেগেই থাকে। চৌমুহনীর পূর্ববাজার (কাচারীবাড়ি মসজিদ) থেকে করিমপুর রোড পর্যন্ত দীর্ঘ তিন কিলোমিটার জুড়ে এই যানজট ঠেলে যেতে প্রায় একঘন্টা লেগে যায় যেকোনো গাড়িকেই। নোয়াখালী-ফেনী রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী সুগন্ধা সার্ভিসের বাসগুলো যাত্রী ওঠারনোর জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা এবং ধীরগতিতে চলাচলের কারণে সবচেয়ে বেশী যানজট হয়। তাছাড়া করিমপুর রোড এবং ফেনী রোডে রাস্তার ওপর সিএনজি অটোরিক্সা, অটো টেম্পু, ব্যাটারী চালিত অটো বাইক, ম্যাক্সি ও হিউম্যান হলারের অবৈধ ষ্ট্যান্ডের কারণে একদিকে যেমন যানজট সৃষ্টি হয় অপরদিকে পায়ে হেঁটে চলাচল করাও দুস্কর হয়ে পড়ে। তারওপর ট্রাফিক পুলিশের সামনেই প্রধান সড়কের ওপর ট্রাক ও পিকআফ দাঁড় করিয়ে মালামাল লোড-আনলোড এবং সঠিক নজরদারি না থাকায় যানজট আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এছাড়া রাস্তার ওপর গাড়ি দাঁড় করিয়ে মাসিক মাসিক মাসোহারা আদায়ের কারণে স্থানীয় অধিকাংশ যানবাহন চালক ট্রাফিক পুলিশে কথাও শুনতে চায় না। পাশাপাশি রমজানকে ঘিরে রাস্তার পার্শ্ববর্তী মার্কেটগুলোর প্যান্ডেলও গেইট নির্মাণের ফলে সাধারণ মানুষের চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে।
যাত্রীদের অভিযোগ এই যানজটের ফলে শুধু চৌমুহনীবাসীই নয় নোয়াখালীর সাথে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ, রায়পুর এবং রামগতি,ফেনী, চাঁদপুর, খুলনা, ভোলা, মাদারীপুর-শরিয়তপুর, কুমিল্লা,ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ সারাদেশ এমনকি জেলার অভ্যন্তরীন রুটে চলাচলকারী যানবাহন এবং যাত্রীদেরকেই ভোগান্তীর শিকার হতে হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চৌমুহনীতে একমাত্র লোকাল বাস দাঁড়ানোর জন্য একটি ছোট টার্মিনাল রয়েছে। এছাড়া ট্রাক, সিএনজি অটোরিক্সা, হিউম্যান হলার, পিকআপসহ সকল প্রকার যানবাহন থেকে পৌর কর্তৃপক্ষ টোল আদায় করলেও এগুলোর দাঁড়ানোর জন্য কোন স্থান নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়নি। তাছাড়া প্রতিদিনই এই সড়কের ওপর দিয়ে গাঁড়ির চাপ বাড়ছে। যার ফলে যানজটেরও ভয়াবহতা বাড়ছে দিন দিন।
চৌমুহনীর এই যানজট নিরসনে বিগত তত্বাবধায় সরকারের সময়ে তখনকার সেনা প্রধান জেনারেল মইন উ আহম্মেদের ছোট ভাই মিনহাজ আহম্মেদ জাবেদের প্রচেষ্টায় চৌমুহনীর চৌরাস্তা থেকে মিয়ারপুল পর্যন্ত চার কিলোমিটার দীর্ঘ ফোর লেইন সড়ক নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করে সরকার। জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণে বর্তমান সরকারের শুরুতেই সড়ক ও জনপথ বিভাগ প্রথম দফায় দুই কিলোমিটার সড়কের দরপত্র আহবান করে যার নির্মাণ কাজও শেষ। গত বছরের শেষ দিকে দ্বিতীয় পর্যায়ের দুই কিলোমিটার ফোরলেইন সড়ক নির্মাণের দরপত্র আহবান এবং চলতি বছরের শুরুর দিকে কার্যাদেশও প্রদান করা হয়। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অনীহার কারণে করিমপুর রোড ও ডিবি রোডে সড়ক ও জনপথ বিভাগরে জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন না হওয়া সড়ক প্রশস্ত করার কাজ মুখ থুবড়ে পড়ে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সুত্রে জানা যায়, চৌমুহনীর চার লেইন সড়ক নির্মাণে ভ‚মি অধিগ্রহণের জন্য যে পরিমান অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে তা অপ্রতুল। তাই ভ‚মি অধিগ্রহণ প্রকৃয়া শুরুই হয়নি। অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের জন্য প্রকল্পের প্রস্তাবনা সংশোধনের জন্য মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।
চৌমুহনীর রেলগেইটে দায়িত্বরত অবস্থায় ট্রাফিক সার্জেন্ট সাখাওয়াত হোসেন সমকালকে জানান, সড়ক প্রশস্থ করণের কাজের ধীর গতির পাশাপাশি গাড়ি চাপ বেড়ে যাওয়ায় এবং চৌমুহনীতে কোন টার্মিনাল না থাকায় রাস্তার ওপর গাড়িগুলো দাড়িয়ে থাকে। তারওপর ট্রাফিক পুলিশের লোকবল সংকের কারণেও যানজট সামলাতে হিমসিম খেতে হয়। তবে; সম্প্রতি ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে রমজানের কারণে। তারপরও দায়িত্ব পালনে বেগ পেতে হয়।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শ্যামল কান্তি ভট্টাচার্য্য সমকালকে বলেন, ইতোমধ্যে মিয়ার পুল থেকে বড় পুল পর্যন্ত সড়ক প্রশস্ত করার কাজ চলছে। ডিবি রোড এবং করিমপুরে রোডে ভূমি অধিগ্রহনের জন্য প্রকল্প প্রস্তাবনা পুনর্মূল্যায়নের জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। এখন অর্থ বরাদ্দ এলেই কাজটি শুরু করা যাবে। তবে; কবে নাগাদ সড়ক প্রশস্ত করণের বাকী কাজ সম্পন্ন হবে তা তিনি জানাতে পারেননি।
নোয়াখালীর প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র এবং জেলার সাথে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যোগাযোগের প্রাণ কেন্দ্র
চৌমুহনীতে যানজট এখন প্রতিদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকাল ৯টা থেকে তিন কিলোমিটার এই যানজট লেগে থাকে সারাদিন। চৌমুহনীতে যানজট নিরসনে ফোর লেইন সড়ক নির্মাণে দীর্ঘসূত্রীতা, পৌর এলাকায় বাস ব্যতীত কোন যানবাহনের জন্য কোন টার্মিনাল না থাকা, গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়া এবং ট্রাফিক পুলিশের অবহেলার কারণে যানজটের এই চিত্র আজও চৌমুহনীতে দেখা গেছে । ফলে শুধু চৌমুহনীবাসী নয় জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে চৌমুহনীতে ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে আসা লোকজন এবং চৌমুহনীর ওপর দিয়ে যাতায়তকারী ১২টি রুটের যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হয়। তবে; রোজার দিনে জনসাধারণের দূর্ভোগ বাড়ালেও পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তাদের চলাচলে কোন বিঘ্ন ঘটছে না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলার প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র চৌমুহনীর প্রধান সড়কে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা যানজট লেগেই থাকে। চৌমুহনীর পূর্ববাজার (কাচারীবাড়ি মসজিদ) থেকে করিমপুর রোড পর্যন্ত দীর্ঘ তিন কিলোমিটার জুড়ে এই যানজট ঠেলে যেতে প্রায় একঘন্টা লেগে যায় যেকোনো গাড়িকেই। নোয়াখালী-ফেনী রুটে চলাচলকারী যাত্রীবাহী সুগন্ধা সার্ভিসের বাসগুলো যাত্রী ওঠারনোর জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা এবং ধীরগতিতে চলাচলের কারণে সবচেয়ে বেশী যানজট হয়। তাছাড়া করিমপুর রোড এবং ফেনী রোডে রাস্তার ওপর সিএনজি অটোরিক্সা, অটো টেম্পু, ব্যাটারী চালিত অটো বাইক, ম্যাক্সি ও হিউম্যান হলারের অবৈধ ষ্ট্যান্ডের কারণে একদিকে যেমন যানজট সৃষ্টি হয় অপরদিকে পায়ে হেঁটে চলাচল করাও দুস্কর হয়ে পড়ে। তারওপর ট্রাফিক পুলিশের সামনেই প্রধান সড়কের ওপর ট্রাক ও পিকআফ দাঁড় করিয়ে মালামাল লোড-আনলোড এবং সঠিক নজরদারি না থাকায় যানজট আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এছাড়া রাস্তার ওপর গাড়ি দাঁড় করিয়ে মাসিক মাসিক মাসোহারা আদায়ের কারণে স্থানীয় অধিকাংশ যানবাহন চালক ট্রাফিক পুলিশে কথাও শুনতে চায় না। পাশাপাশি রমজানকে ঘিরে রাস্তার পার্শ্ববর্তী মার্কেটগুলোর প্যান্ডেলও গেইট নির্মাণের ফলে সাধারণ মানুষের চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে।
যাত্রীদের অভিযোগ এই যানজটের ফলে শুধু চৌমুহনীবাসীই নয় নোয়াখালীর সাথে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ, রায়পুর এবং রামগতি,ফেনী, চাঁদপুর, খুলনা, ভোলা, মাদারীপুর-শরিয়তপুর, কুমিল্লা,ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ সারাদেশ এমনকি জেলার অভ্যন্তরীন রুটে চলাচলকারী যানবাহন এবং যাত্রীদেরকেই ভোগান্তীর শিকার হতে হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চৌমুহনীতে একমাত্র লোকাল বাস দাঁড়ানোর জন্য একটি ছোট টার্মিনাল রয়েছে। এছাড়া ট্রাক, সিএনজি অটোরিক্সা, হিউম্যান হলার, পিকআপসহ সকল প্রকার যানবাহন থেকে পৌর কর্তৃপক্ষ টোল আদায় করলেও এগুলোর দাঁড়ানোর জন্য কোন স্থান নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়নি। তাছাড়া প্রতিদিনই এই সড়কের ওপর দিয়ে গাঁড়ির চাপ বাড়ছে। যার ফলে যানজটেরও ভয়াবহতা বাড়ছে দিন দিন।
চৌমুহনীর এই যানজট নিরসনে বিগত তত্বাবধায় সরকারের সময়ে তখনকার সেনা প্রধান জেনারেল মইন উ আহম্মেদের ছোট ভাই মিনহাজ আহম্মেদ জাবেদের প্রচেষ্টায় চৌমুহনীর চৌরাস্তা থেকে মিয়ারপুল পর্যন্ত চার কিলোমিটার দীর্ঘ ফোর লেইন সড়ক নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করে সরকার। জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণে বর্তমান সরকারের শুরুতেই সড়ক ও জনপথ বিভাগ প্রথম দফায় দুই কিলোমিটার সড়কের দরপত্র আহবান করে যার নির্মাণ কাজও শেষ। গত বছরের শেষ দিকে দ্বিতীয় পর্যায়ের দুই কিলোমিটার ফোরলেইন সড়ক নির্মাণের দরপত্র আহবান এবং চলতি বছরের শুরুর দিকে কার্যাদেশও প্রদান করা হয়। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অনীহার কারণে করিমপুর রোড ও ডিবি রোডে সড়ক ও জনপথ বিভাগরে জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন না হওয়া সড়ক প্রশস্ত করার কাজ মুখ থুবড়ে পড়ে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সুত্রে জানা যায়, চৌমুহনীর চার লেইন সড়ক নির্মাণে ভ‚মি অধিগ্রহণের জন্য যে পরিমান অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে তা অপ্রতুল। তাই ভ‚মি অধিগ্রহণ প্রকৃয়া শুরুই হয়নি। অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের জন্য প্রকল্পের প্রস্তাবনা সংশোধনের জন্য মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।
চৌমুহনীর রেলগেইটে দায়িত্বরত অবস্থায় ট্রাফিক সার্জেন্ট সাখাওয়াত হোসেন সমকালকে জানান, সড়ক প্রশস্থ করণের কাজের ধীর গতির পাশাপাশি গাড়ি চাপ বেড়ে যাওয়ায় এবং চৌমুহনীতে কোন টার্মিনাল না থাকায় রাস্তার ওপর গাড়িগুলো দাড়িয়ে থাকে। তারওপর ট্রাফিক পুলিশের লোকবল সংকের কারণেও যানজট সামলাতে হিমসিম খেতে হয়। তবে; সম্প্রতি ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে রমজানের কারণে। তারপরও দায়িত্ব পালনে বেগ পেতে হয়।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শ্যামল কান্তি ভট্টাচার্য্য সমকালকে বলেন, ইতোমধ্যে মিয়ার পুল থেকে বড় পুল পর্যন্ত সড়ক প্রশস্ত করার কাজ চলছে। ডিবি রোড এবং করিমপুরে রোডে ভূমি অধিগ্রহনের জন্য প্রকল্প প্রস্তাবনা পুনর্মূল্যায়নের জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। এখন অর্থ বরাদ্দ এলেই কাজটি শুরু করা যাবে। তবে; কবে নাগাদ সড়ক প্রশস্ত করণের বাকী কাজ সম্পন্ন হবে তা তিনি জানাতে পারেননি।






