বিশেষ প্রতিনিধি-
শেষ পর্যন্ত নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্যপরিষদের সঙ্গে অবশেষে সমঝোতা করেছেন উপাচার্য এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী। আর এই সমঝোতা বৈঠক হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকালে উভয় সংগঠনের পূর্ব ঘোষিত ৭২ ও ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার আগেই। তবে; উপাচার্য এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঠিক সমঝোতা বৈঠক নয়; তাঁরা তাঁদের কিছু দাবি-দাওয়া তুলে ধরেছেন। আমি তা শুনে নোট করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবিধান অনুসরণ পর্যায়ক্রমে সমস্যাগুলো সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি তিন শিক্ষকের ওপর থেকে শাস্তির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে মঙ্গলবার থেকে ৭২ ঘন্টার এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এক কর্মচারীর শাস্তির আদেশ প্রত্যাহার, সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণ, বিশেষ ইনক্রিমেন্ট প্রদানসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনস্কেল পরিবর্তনসহ সাতদফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য বুধবার থেকে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম ঘোষনা করে।
শিক্ষক সমিতি সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত তাঁদের আল্টিমেটামের সময়সীমা ছিল। এরই মধ্যে ঢাকায় অবস্থানরত উপাচার্য বৃহস্পতিবার দুপুরেই ক্যাম্পাসে পৌঁছেই তাঁদের বৈঠকে বসার আহবান জানান। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে শিক্ষক নেতারা ছাড়াও সকল শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
সুত্র জানায়, বৈঠকে ২৮ নভেম্বর সোমবার শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে উপাচার্যকে দেওয়া স্মারকলিপি নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় উপাচার্য শিক্ষকদের দাবির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখান। যার আলোকে আগামি রোববার সমিতির ষ্টিয়ারিং কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আস্বাস দেন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লা আল মামুন জানান, ‘উপাচার্যের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হলেও কোন কিছুই চুড়ান্ত হয়নি। তাই রোববার সকালে ষ্টিয়ারিং কমিটি পুণরায় আলোচনায় বসবেন। তাতে সফল হলে আন্দোলন প্রত্যাহার হবে, অন্যথায় ওইদিনই পুর্বঘোষিত শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।’
অন্যদিকে, কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্যপরিষদের আহবায়ক আরাফাত হোসেন জানিয়েছেন, ‘উপাচার্য বৈঠকে সাতদফা দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে আন্তরিকভাবে চেষ্টার আস্বাস দিয়েছেন। এরপরও ঐক্যপরিষদের নেতৃস্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে উপাচার্য আগামি রোববার পুণরায় আলোচনায় বসবেন বলে বলেছেন। তাই তাঁরাও রোববার থেকে পুর্বঘোষিত আন্দোলনের বিষয়ে ওইদিনই সিদ্ধান্ত নেবেন।’
জানা গেছে, স্ত্রীর অসুস্থতাজনিত কারণে শিা সফর থেকে একদিন পূর্বে ফিরে আসায় কম্পিউটার সায়েন্ট এন্ড টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক জাবেদ হোসেনকে গত বছরের ৩ জুন এবং গত শিক্ষা বর্ষে ভর্তিপরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ভুল ধরা পড়ার পর তা প্রমান হিসাবে নিজেরদের রাখা নিয়ে একই বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির ও ফিসারিজ বিভাগের সহকারি অধ্যাপক এএফএম আরিফুর রহমানকে এই বছরের ২৬ এপ্রিল থেকে দুই বছর পর্যন্ত ক্লাস ব্যাতীত সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে ওই শাস্তি প্রত্যাহারের জন্য রিজেন্ট বোর্ডের কাছে একাধিকবার আবেদন-নিবেদন জানানো হয়। সর্বশেষ গত শনিবার রিজেন্ট বোর্ডের সভায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার না হওয়ায় সোমবার শিক্ষক সমিতি জরুরী সভা করে অবস্থান ধর্মঘট ও লাগাতার কর্মবিতিসহ আন্দোলনের ওই কর্মসূচি ঘোষনা করে।
তবে; বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্বশীল একটি সুত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে চলমান নোয়াখালীকে নিশ্চিত করেছে, এর আগে শিক্ষক সমিতিই উল্লেখিত তিন শিকের বিষয়ে তাঁরা কোন দায়-দায়িত্ব নিতে পারবেনা জানিয়ে নৈতিক স্খলনজনিত কারণে তাঁদের বিরদ্ধে শাস্তির লিখিত সুপারিশ করেছিলেন ভিসির কাছে।
শেষ পর্যন্ত নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্যপরিষদের সঙ্গে অবশেষে সমঝোতা করেছেন উপাচার্য এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী। আর এই সমঝোতা বৈঠক হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকালে উভয় সংগঠনের পূর্ব ঘোষিত ৭২ ও ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম শেষ হওয়ার আগেই। তবে; উপাচার্য এ কে এম সাঈদুল হক চৌধুরী বলেছেন, ‘শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঠিক সমঝোতা বৈঠক নয়; তাঁরা তাঁদের কিছু দাবি-দাওয়া তুলে ধরেছেন। আমি তা শুনে নোট করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবিধান অনুসরণ পর্যায়ক্রমে সমস্যাগুলো সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি তিন শিক্ষকের ওপর থেকে শাস্তির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে মঙ্গলবার থেকে ৭২ ঘন্টার এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এক কর্মচারীর শাস্তির আদেশ প্রত্যাহার, সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণ, বিশেষ ইনক্রিমেন্ট প্রদানসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনস্কেল পরিবর্তনসহ সাতদফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য বুধবার থেকে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম ঘোষনা করে।
শিক্ষক সমিতি সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত তাঁদের আল্টিমেটামের সময়সীমা ছিল। এরই মধ্যে ঢাকায় অবস্থানরত উপাচার্য বৃহস্পতিবার দুপুরেই ক্যাম্পাসে পৌঁছেই তাঁদের বৈঠকে বসার আহবান জানান। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে উপাচার্যের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে শিক্ষক নেতারা ছাড়াও সকল শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
সুত্র জানায়, বৈঠকে ২৮ নভেম্বর সোমবার শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে উপাচার্যকে দেওয়া স্মারকলিপি নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনায় উপাচার্য শিক্ষকদের দাবির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখান। যার আলোকে আগামি রোববার সমিতির ষ্টিয়ারিং কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আস্বাস দেন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লা আল মামুন জানান, ‘উপাচার্যের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হলেও কোন কিছুই চুড়ান্ত হয়নি। তাই রোববার সকালে ষ্টিয়ারিং কমিটি পুণরায় আলোচনায় বসবেন। তাতে সফল হলে আন্দোলন প্রত্যাহার হবে, অন্যথায় ওইদিনই পুর্বঘোষিত শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।’
অন্যদিকে, কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্যপরিষদের আহবায়ক আরাফাত হোসেন জানিয়েছেন, ‘উপাচার্য বৈঠকে সাতদফা দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে আন্তরিকভাবে চেষ্টার আস্বাস দিয়েছেন। এরপরও ঐক্যপরিষদের নেতৃস্থানীয় কয়েকজনকে নিয়ে উপাচার্য আগামি রোববার পুণরায় আলোচনায় বসবেন বলে বলেছেন। তাই তাঁরাও রোববার থেকে পুর্বঘোষিত আন্দোলনের বিষয়ে ওইদিনই সিদ্ধান্ত নেবেন।’
জানা গেছে, স্ত্রীর অসুস্থতাজনিত কারণে শিা সফর থেকে একদিন পূর্বে ফিরে আসায় কম্পিউটার সায়েন্ট এন্ড টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক জাবেদ হোসেনকে গত বছরের ৩ জুন এবং গত শিক্ষা বর্ষে ভর্তিপরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ভুল ধরা পড়ার পর তা প্রমান হিসাবে নিজেরদের রাখা নিয়ে একই বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ড. হুমায়ুন কবির ও ফিসারিজ বিভাগের সহকারি অধ্যাপক এএফএম আরিফুর রহমানকে এই বছরের ২৬ এপ্রিল থেকে দুই বছর পর্যন্ত ক্লাস ব্যাতীত সকল কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে ওই শাস্তি প্রত্যাহারের জন্য রিজেন্ট বোর্ডের কাছে একাধিকবার আবেদন-নিবেদন জানানো হয়। সর্বশেষ গত শনিবার রিজেন্ট বোর্ডের সভায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার না হওয়ায় সোমবার শিক্ষক সমিতি জরুরী সভা করে অবস্থান ধর্মঘট ও লাগাতার কর্মবিতিসহ আন্দোলনের ওই কর্মসূচি ঘোষনা করে।
তবে; বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্বশীল একটি সুত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে চলমান নোয়াখালীকে নিশ্চিত করেছে, এর আগে শিক্ষক সমিতিই উল্লেখিত তিন শিকের বিষয়ে তাঁরা কোন দায়-দায়িত্ব নিতে পারবেনা জানিয়ে নৈতিক স্খলনজনিত কারণে তাঁদের বিরদ্ধে শাস্তির লিখিত সুপারিশ করেছিলেন ভিসির কাছে।






