ম.হাসান-
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাটের সংবাদপত্র এজেন্ট আবুল খায়ের (৬৫) ও তাঁ দুই পুত্র জসিম উদ্দিন (৪২) ও জাকির হোসেন (২৮) এর ওপর হামলার খবর পাওয়া গেছে। জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের আব্দুল্যাপুর গ্রামের বাড়িতে এ হামলা চালায় প্রতিপ রফিকুল ইসলাম, মোঃ হোসেন ও শরীপসহ তাঁদের সাঙ্গপাঙ্গরা। আহত আবুল খায়ের ও তাঁর দুই পুত্রকে রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় আবুল খায়েরর ছেলে জাকির হোসেন বেগমগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আবুল খায়ের জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তির সুপারী গাছ থেকে একই বাড়ির রফিকুল ইসলাম জোরপূর্বক সুপারি পেড়ে নেয়। এনিয়ে রফিকুল ইসলামকে জিজ্ঞাস করলে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং লাঠি নিয়ে ধাওয়া করে। দুই পুত্র জাকির হোসেন ও জসিম উদ্দিনকে মোবাইলে বিষয়টি জানালে সন্ধ্যায় তাঁরা বাড়িতে আসার পর রফিকুল ইসলামের সাথে তার জেঠাতো ভাই মোঃ হোসেন ও তার পুত্র শরীপসহ তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা আবুল খায়ের ও তার দুই পুত্রকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। একপর্যায়ে ঘরের মধ্যে অবরুদ্ধ করে রাখে। ফলে তাঁরা চিকিৎসা নিতেও যেতে পারেনি।
বিষয়টি কুতুবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর হোসনকে জানানো হলে তাঁরা স্থানীয় রনি ও সাখায়েত নামের দুইজনকে আবুল খায়েরের বাড়িতে পাঠান। পরবর্তীতে তারা দুইজন পল্লী চিকিৎসক নিয়ে বাড়িতে আবুল খায়ের ও তাঁর দুই পুত্রকে প্রাথমিক চিকিৎসা করান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদেরকে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এদিকে শুক্রবার দিনভর রফিকুল ইসলামের লোকজন নানা হুমকি ধামকি দেয় বলে জানা গেছে।
এনিয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-ওসি আমিরুল আলম বলেন, অভিযোগ পেয়েছেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাটের সংবাদপত্র এজেন্ট আবুল খায়ের (৬৫) ও তাঁ দুই পুত্র জসিম উদ্দিন (৪২) ও জাকির হোসেন (২৮) এর ওপর হামলার খবর পাওয়া গেছে। জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের আব্দুল্যাপুর গ্রামের বাড়িতে এ হামলা চালায় প্রতিপ রফিকুল ইসলাম, মোঃ হোসেন ও শরীপসহ তাঁদের সাঙ্গপাঙ্গরা। আহত আবুল খায়ের ও তাঁর দুই পুত্রকে রাতে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় আবুল খায়েরর ছেলে জাকির হোসেন বেগমগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আবুল খায়ের জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তির সুপারী গাছ থেকে একই বাড়ির রফিকুল ইসলাম জোরপূর্বক সুপারি পেড়ে নেয়। এনিয়ে রফিকুল ইসলামকে জিজ্ঞাস করলে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং লাঠি নিয়ে ধাওয়া করে। দুই পুত্র জাকির হোসেন ও জসিম উদ্দিনকে মোবাইলে বিষয়টি জানালে সন্ধ্যায় তাঁরা বাড়িতে আসার পর রফিকুল ইসলামের সাথে তার জেঠাতো ভাই মোঃ হোসেন ও তার পুত্র শরীপসহ তাদের সাঙ্গপাঙ্গরা আবুল খায়ের ও তার দুই পুত্রকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে। একপর্যায়ে ঘরের মধ্যে অবরুদ্ধ করে রাখে। ফলে তাঁরা চিকিৎসা নিতেও যেতে পারেনি।
বিষয়টি কুতুবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর হোসনকে জানানো হলে তাঁরা স্থানীয় রনি ও সাখায়েত নামের দুইজনকে আবুল খায়েরের বাড়িতে পাঠান। পরবর্তীতে তারা দুইজন পল্লী চিকিৎসক নিয়ে বাড়িতে আবুল খায়ের ও তাঁর দুই পুত্রকে প্রাথমিক চিকিৎসা করান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদেরকে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এদিকে শুক্রবার দিনভর রফিকুল ইসলামের লোকজন নানা হুমকি ধামকি দেয় বলে জানা গেছে।
এনিয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-ওসি আমিরুল আলম বলেন, অভিযোগ পেয়েছেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






