নোয়াখালী প্রতিনিধি
নোয়াখালীর চৌমুহনী পৌর এলাকায় গুরুতর আহত অবস্থায় মোঃ হারুন মিয়া (৪৫) নামের মৃত্যুবরণকারী এক ব্যক্তিকে বিএনপি নিজেদের কর্মী দাবি করেছে । এনিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে চৌমুহনীতে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন ধরণের বিশৃঙ্খলা এড়াতে চৌমুহনীতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। নিহত হারুনের মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। নিহত হারুন চৌমুহনী পৌর এলাকার ৬ নং ওয়ার্ডের গনিপুর গ্রামের বাসিন্দা।
নিহত হারুনের ছলে মানিক উদ্দিন রুবেল গতকার মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার ভোরে চৌমুহনীর করিমপুর রোডের মোহাম্মদীয় হোটেলের দক্ষিণ পাশে রাস্তার ওপর তাঁর বাবা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাঁদের বাড়ির পাশে এক সিএনজি অটোরিকশা চালক বাড়িতে খবর দেয়। খবর পেয়ে তাঁর মাসহ লোকজন দিয়ে হারুন মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে ভর্তি না করায় দ্রত নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয় সকাল ৮ টাক ৪০ মিনিটে। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে দুপুরে ঢাকা নেওয়ার পথে কুমিল্লার বাগমারা নামক স্থানে পৌছলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
পরবর্তীতে তার বাবার লাশ ময়না তদন্তের জন্য পুনরায় নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কারা তাঁকে আহত করেছে তা জানতে পারেননি। তবে; তাঁর মাথায় ও পিঠে আঘাতের চিহ্ণ ছিলো।
নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার ডা. সুব্রত দেবনাথ বলেন, হারুনের মাথায় ছোট ছোট দুটি আঘাতের চিহ্ণ ছিলো। তবে; সকালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তাঁর শ্বাস কষ্ট হচ্ছিলো। প্রথমেই ঢাকা নিতে পরামর্শ দেয়া হলেও তারা ঢাকা যায়নি। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকায় নেয়ার পথেই মারা যায় হারুন।
এদিকে মঙ্গলবার চৌমুহনীতে বিএনপির একটি প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে বলা হয় নিহত হারুন বিএনপির চৌমুহনী পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এবং সোমবার রাতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ ক্যাডাররা তাকে পিটিয়ে আহত করে রাস্তায় ফেলে যায়।
বেগমগঞ্জ থানা পুলিশের একটি সুত্র জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ১২টায় চৌমুহনীর করিমপুর রোর্ডে চৌমুহনী পৌর বিএনপির সেক্রেটারীর ওপর হামলার সময় আহত অপর ব্যক্তিদেরও হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তখন কাউকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়নি। কিন্তু নিহত হারুনকে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল আলম বলেন, ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে; ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের সাথেও পুলিশ কথা বলেছে। এনিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির সুযোগ নেই।
নোয়াখালীর চৌমুহনী পৌর এলাকায় গুরুতর আহত অবস্থায় মোঃ হারুন মিয়া (৪৫) নামের মৃত্যুবরণকারী এক ব্যক্তিকে বিএনপি নিজেদের কর্মী দাবি করেছে । এনিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে চৌমুহনীতে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন ধরণের বিশৃঙ্খলা এড়াতে চৌমুহনীতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। নিহত হারুনের মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। নিহত হারুন চৌমুহনী পৌর এলাকার ৬ নং ওয়ার্ডের গনিপুর গ্রামের বাসিন্দা।
নিহত হারুনের ছলে মানিক উদ্দিন রুবেল গতকার মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, মঙ্গলবার ভোরে চৌমুহনীর করিমপুর রোডের মোহাম্মদীয় হোটেলের দক্ষিণ পাশে রাস্তার ওপর তাঁর বাবা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাঁদের বাড়ির পাশে এক সিএনজি অটোরিকশা চালক বাড়িতে খবর দেয়। খবর পেয়ে তাঁর মাসহ লোকজন দিয়ে হারুন মিয়াকে উদ্ধার করে প্রথমে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে ভর্তি না করায় দ্রত নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয় সকাল ৮ টাক ৪০ মিনিটে। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে দুপুরে ঢাকা নেওয়ার পথে কুমিল্লার বাগমারা নামক স্থানে পৌছলে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
পরবর্তীতে তার বাবার লাশ ময়না তদন্তের জন্য পুনরায় নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। কারা তাঁকে আহত করেছে তা জানতে পারেননি। তবে; তাঁর মাথায় ও পিঠে আঘাতের চিহ্ণ ছিলো।
নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল অফিসার ডা. সুব্রত দেবনাথ বলেন, হারুনের মাথায় ছোট ছোট দুটি আঘাতের চিহ্ণ ছিলো। তবে; সকালে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তাঁর শ্বাস কষ্ট হচ্ছিলো। প্রথমেই ঢাকা নিতে পরামর্শ দেয়া হলেও তারা ঢাকা যায়নি। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকায় নেয়ার পথেই মারা যায় হারুন।
এদিকে মঙ্গলবার চৌমুহনীতে বিএনপির একটি প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে বলা হয় নিহত হারুন বিএনপির চৌমুহনী পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এবং সোমবার রাতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ ক্যাডাররা তাকে পিটিয়ে আহত করে রাস্তায় ফেলে যায়।
বেগমগঞ্জ থানা পুলিশের একটি সুত্র জানায়, সোমবার রাত সাড়ে ১২টায় চৌমুহনীর করিমপুর রোর্ডে চৌমুহনী পৌর বিএনপির সেক্রেটারীর ওপর হামলার সময় আহত অপর ব্যক্তিদেরও হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তখন কাউকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়নি। কিন্তু নিহত হারুনকে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুল আলম বলেন, ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে; ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের সাথেও পুলিশ কথা বলেছে। এনিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির সুযোগ নেই।






