চ. নো. রিপোর্ট- কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়া, ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দেয়াসহ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চারদলীয় জোট সমর্থিত তিন প্রার্থী সকাল ১১টায় নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। এরা হলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ফখরুল ইসলাম ফারুক, ভাইস চেয়অরম্যান প্রার্থী জহির উদ্দীন সেলিম এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী তাসলিমা আক্তার লিপি। অপরদিকে মহাজোট সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ শাহাবউদ্দীন দাবি করেন নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনেই তাঁরা নির্বাচন বর্জনের পথ বেছে নেয়। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় চারদলীয় জোট সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী ফখরুল ইসলামের বসুরহাটের বাস ভবনে তাৎক্ষণিক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এজেন্ট ও কর্মীদের উপর নির্যাতন, কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ তুলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে হয়েছে তাদেরকে। সাংবাদিক সম্মেলনে ফখরুল ইসলাম জানান, ৫৭টি কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত ২৬টি কেন্দ্রে তার এজেন্টদের বের করে দিয়েছে আ.লীগ দলীয় প্রার্থী শাহাবউদ্দীনের কর্মীরা। বহু কেন্দ্রে সরাসরি আ.লীগ কর্মীরা ভোটারদের কাছ থেকে ব্যালট নিয়ে নিজেরা সিল মেরেছে, পথে পথে ভোটারদেরকে কেন্দ্রে আসতে বাধা দিয়েছে। অনেক ভোট কেন্দ্রে কোন গোপন কক্ষ ছিল না। বিষয়টি উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসার ইউএনও আহমদ শামীম আল রাজীকে লিখিতভাবে অবহিত করেছেন। এদিকে নির্বাচন বর্জন ঘোষণার পরপরই আওয়ামীলীগ ও চারদলীয় জোট সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনী সহিংসতায় উভয় পক্ষের অন্তত ২০জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে আ.লীগের জুয়েল (২০), ছানমিয়া (২২), স্বপন (২৩), সোহাগ (২৬), মিয়াধন (৩৩), জাহাঙ্গীর (২৪), বিএনপি-জামায়াতের হাজি আবদুল জলিল (৬৫), রনি (২০), আলী হোসেন (২৭), শেখ আবদুল্যাহ (২৪), আবুল হাসনাত শরীফ (২৩), মাষ্টার কামাল উদ্দিন হায়দার (৫০), শিপন (২৫), আবদুর রহিম (৪০), মাহফুজুল হক (৪৫), সুরুজ মিয়াকে (৫০) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী রিটানিং অফিসার ইউএনও আহমদ শামীম আল রাজী ফখরুল ইসলামের অভিযোগ প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি জেলা রিটার্নিং অফিসারকে অবহিত করা হয়েছে। এদিকে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আওয়ামীলীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাব উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, স্বতস্ফুর্তভাবে ভোট হয়েছে। ৪০ভাগ বিএনপির নেতাকর্মী তাঁর পক্ষে ছিলো। ভোটারদের স্বতস্ফুর্ততা দেখে চারদলীয় জোট প্রার্থী পরাজয় বুঝতে পেরেই নির্বাচন বর্জন করে।






