স্টাফ রিপোর্টার,
চলমান নোয়াখালী ডট কম-
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, রমজানের পর লাগাতার হরতাল কর্মসূচী দিয়ে তত্ত¡াবদায়ক সরকারব্যবস্থা পুর্নবহাল বিল আনতে সরকারকে বাধ্য করা হবে। বিএনপি এই দেশে থাকতে দলীয় সরকারের অধীন কোন নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে পৌর বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জনগণ আজ তাদের পাশে নেই। তারা আবার ক্ষমতায় আসতে পারবেনা বুঝতে পেরে তত্ত¡াবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করেছে।
পৌর বিএনপির সভাপতি জাহিদুল হক সবুজের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোক্তার হোসেন পাটোয়ারী, সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফারুক বাবুল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবু ইউচুপ মজুমদার প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, দেশ আজ চরম ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। স্বাধীনতা আজ হুমকির সন্মূখীন। মানুষের জানমালের কোন নিরাপত্তা নেই। চুরি-ডাকাতি, খুন-রাহাজানি আজ নিত্য দিনের ঘটনা। অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় এখন বাংলাদেশের জনগন বেশি নিরাপত্তাহীন।
তিনি বলেন, দেশে আজ সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা বলতে কিছুই নেই। রাজধানী ঢাকার বাসায় দুইজন সাংবাদিক খুন হলেন। কিন্তু এখনো সরকারের কোন বাহিনীই চাঞ্চল্যকর ওই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। গ্রেপ্তার করতে পারেনি কোন আসামিকে। তদন্তকারী সংস্থা এবং সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একেকদিন একেক কথা বলে তদন্তকে আরো প্রশ্নবিদ্ব্য করে তুলেছেন।
চীফ হুইপ ফারুক বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। সরকার মানুষের দু:খ কষ্ট দুর করার চিন্তা না করে বিএনপিকে ঘায়েল করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। কিন্তু সরকারের সেই ষড়যন্ত্র কখনো সফল হবে না।
চলমান নোয়াখালী ডট কম-
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, রমজানের পর লাগাতার হরতাল কর্মসূচী দিয়ে তত্ত¡াবদায়ক সরকারব্যবস্থা পুর্নবহাল বিল আনতে সরকারকে বাধ্য করা হবে। বিএনপি এই দেশে থাকতে দলীয় সরকারের অধীন কোন নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁর নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে পৌর বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জনগণ আজ তাদের পাশে নেই। তারা আবার ক্ষমতায় আসতে পারবেনা বুঝতে পেরে তত্ত¡াবধায়ক সরকার পদ্ধতি বাতিল করেছে।
পৌর বিএনপির সভাপতি জাহিদুল হক সবুজের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোক্তার হোসেন পাটোয়ারী, সহসভাপতি আবুল কালাম আজাদ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফারুক বাবুল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবু ইউচুপ মজুমদার প্রমুখ বক্তৃতা করেন।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, দেশ আজ চরম ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। স্বাধীনতা আজ হুমকির সন্মূখীন। মানুষের জানমালের কোন নিরাপত্তা নেই। চুরি-ডাকাতি, খুন-রাহাজানি আজ নিত্য দিনের ঘটনা। অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় এখন বাংলাদেশের জনগন বেশি নিরাপত্তাহীন।
তিনি বলেন, দেশে আজ সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা বলতে কিছুই নেই। রাজধানী ঢাকার বাসায় দুইজন সাংবাদিক খুন হলেন। কিন্তু এখনো সরকারের কোন বাহিনীই চাঞ্চল্যকর ওই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। গ্রেপ্তার করতে পারেনি কোন আসামিকে। তদন্তকারী সংস্থা এবং সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একেকদিন একেক কথা বলে তদন্তকে আরো প্রশ্নবিদ্ব্য করে তুলেছেন।
চীফ হুইপ ফারুক বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। সরকার মানুষের দু:খ কষ্ট দুর করার চিন্তা না করে বিএনপিকে ঘায়েল করার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। কিন্তু সরকারের সেই ষড়যন্ত্র কখনো সফল হবে না।







