স্টাফ রিপোর্টার,
চলমান নোয়াখালী ডট কম-
জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী অব্যাহতি
চাওয়াকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সড়ক অবরোধ, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে শেষ পর্যন্ত সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন তরফদারকে খাগড়াছড়ি বদলী করা হয়েছে। এই বদলী নিয়ে শুক্রবার বিকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত একের পর এক নাটক চলতে থাকে।
শুক্রবার রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের নিদের্শে তাঁকে খাগড়াছড়ি বদলী করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদ হাযারী।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার আওয়ামীলীগ নোতকর্মীদের ভাংচুরের সময় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে শুক্রবার বিকালে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন তরফদাকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নওশের আলীর নির্দেশে প্রথমে নোয়াখালী পুলিশ লাইনে ক্লোজড্ করা হয়। সন্ধ্যায় এই আদেশ পৌঁছে মোশারফ হোসেন তরফদারের হাতে। তাঁর স্থলে বদলী করে আনা হয় চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম চৌধুরীকে। এর পর রাত ৮টার দিকে তাঁকে বদলী করা হয় চরজব্বার থানায়। রাত ১০টার দিকে স্বরষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে তাঁকে বদলী করা হয় খাগড়াছড়ি জেলায়। এরই ফাঁকে মোশারফ হোসেন তরফদার চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে খাগড়াছড়িতে বদলীর খবর পেয়ে তিনি চরজব্বার থানা থেকে জেলা শহরে চলে আসেন।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধ এবং এর সাথে উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পছন্দ অপছন্দের কারণে ক্লোজড্ ও বদলী নিয়ে এই ঘটনা ঘটে।
মোশারফ হোসেন তরফদার চরজব্বার থানায় যোগদানের কথা স্বীকার করে সমকালকে বলেন, এখন খাগড়াছড়িতে বদলী হয়েছি। চাকরী যেহেতু করি, যেখানে বদলী করা হবে সেখানে যাবো।
পুলিশ সুপার হারুন উর রশিদ হাযারী শনিবার সন্ধ্যায় সমকালের কাছে ওসি মোশরফ হোসেন তরফদারকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে খাগড়াছড়িতে বদলী করা কথা স্বীকার করলেও এতো অল্প সময়ে তিনটি আদেশ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
চলমান নোয়াখালী ডট কম-
জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী অব্যাহতি
চাওয়াকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সড়ক অবরোধ, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে শেষ পর্যন্ত সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন তরফদারকে খাগড়াছড়ি বদলী করা হয়েছে। এই বদলী নিয়ে শুক্রবার বিকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত একের পর এক নাটক চলতে থাকে।শুক্রবার রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের নিদের্শে তাঁকে খাগড়াছড়ি বদলী করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার হারুনুর রশিদ হাযারী।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার আওয়ামীলীগ নোতকর্মীদের ভাংচুরের সময় দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে শুক্রবার বিকালে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন তরফদাকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নওশের আলীর নির্দেশে প্রথমে নোয়াখালী পুলিশ লাইনে ক্লোজড্ করা হয়। সন্ধ্যায় এই আদেশ পৌঁছে মোশারফ হোসেন তরফদারের হাতে। তাঁর স্থলে বদলী করে আনা হয় চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম চৌধুরীকে। এর পর রাত ৮টার দিকে তাঁকে বদলী করা হয় চরজব্বার থানায়। রাত ১০টার দিকে স্বরষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশে তাঁকে বদলী করা হয় খাগড়াছড়ি জেলায়। এরই ফাঁকে মোশারফ হোসেন তরফদার চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে খাগড়াছড়িতে বদলীর খবর পেয়ে তিনি চরজব্বার থানা থেকে জেলা শহরে চলে আসেন।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধ এবং এর সাথে উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পছন্দ অপছন্দের কারণে ক্লোজড্ ও বদলী নিয়ে এই ঘটনা ঘটে।
মোশারফ হোসেন তরফদার চরজব্বার থানায় যোগদানের কথা স্বীকার করে সমকালকে বলেন, এখন খাগড়াছড়িতে বদলী হয়েছি। চাকরী যেহেতু করি, যেখানে বদলী করা হবে সেখানে যাবো।
পুলিশ সুপার হারুন উর রশিদ হাযারী শনিবার সন্ধ্যায় সমকালের কাছে ওসি মোশরফ হোসেন তরফদারকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে খাগড়াছড়িতে বদলী করা কথা স্বীকার করলেও এতো অল্প সময়ে তিনটি আদেশ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।







