স্টাফ রিপোর্টার,
চলমান নোয়াখালী ডট কম, ২৪ জুলাই-
শ্বশুর বাড়ির অবহেলায় ঢাবি’র সাবেক মেধাবী ছাত্রী ও স্কুল শিক্ষিকা প্রসূতি ফারজানা নুর সুখীর (২৬) হত্যা মামলা স্বামী ও শ্বশুরসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন পুলিশ। সোমবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বেগমগঞ্জ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনাম আহমেদ চৌধুরী নোয়াখালীর ৩নং আমলি আদালতে ওই অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
অভিযোগপত্রে সুখীর মৃত্যুর জন্য ফারজানার স্বামী বরিশালের সরকারি হাতেম আলী কলেজের প্রভাষক বায়েজিদ বোস্তামী, শ্বশুর নোয়াখালী চিকিৎসা সহকারী প্রশিক্ষণ স্কুলের শিক্ষক এ বি এম আহছান উল্লা খান, শ্বাশুড়ী মাইনুর বেগম ও ননদ বদরুন নাহার। আসামিদের মধ্যে স্বামী বায়োজিদ বোস্তামি পলাতক, আর বাকিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।
প্রসঙ্গত : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগ হতে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়া ফারজানা নুর সুখী গত বছরের ২৪ জুন পছন্দ করে বিয়ে করে চৌমুহনী পৌর এলাকার আলীপুর গ্রামের বাসিন্দা ডা. এবিএম আহসান উল্যার খান এর ছেলে বায়েজিদ বোস্তামীকে । গত ১৪ই এপ্রিল মাইজদী মর্ডান হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে কন্যা সন্তান জন্ম দেয় সুখী। সিজারের ৩দিনের মাথায় সুস্থ হতে না হতেই তাঁকে জোর করে শ্বশুর বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও একজন অসুস্থ্য মানুষের ন্যূনতম খাওয়ারও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করে সুখীর স্বজনরা।
পরবর্তীতে ২১ এপ্রিল তাকে পুনরায় হাসপাতালে আনা হয় সেলাই কাটার জন্য। তখন সুখীর মা বারবার মেয়ে তাঁদের কাছে রাখতে চাইলেও শ্বশুর বাড়ির লোকজন এতে কর্ণপাত করেনি। বাড়িতে নেওয়র পর সিজার পরবতী জটিলতায় রক্ত ক্ষরণ হলেও ডাক্তার শুশুর কোন চিকৎসা না দেওয়ায় এবং সেখানে পোস্ট অপারেটিভ ম্যানেজমেন্ট জটিলতায় ও রক্ত শুন্যতা জনিত সমস্য দেখা দেয়। ২২ এপ্রিল রবিবার সন্ধ্যায় সুখীর পিতা সাব্বির আহম্মেদ মেয়েকে দেখতে সুখীর শ্বশুর বাড়ি গিয়ে মেয়েকে গুরুতর অসুস্থ দেখতে পেয়ে মাইজদী মর্ডাণ হাসপাতালে আনার কয়েক মিনিটের মাঝেই সুখী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
মৃত্যুর পর লাশের ময়না তদন্ত প্রতিবেদনেও নির্যাতনে ফারজানার মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া গেছে। হত্যার অভিযোগ এনে ফারজানার বাবা সাব্বির আহমেদ বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এছাড়া ১০ মে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে সুখীর শ্বাশুড়ী মাইনুর বেগম সুখীর চিকিৎসা প্রদানে গাফিলতি এবং অসুস্থ সুখীর প্রতি অবহেলা ও লাঞ্চনা প্রদানের কথা স্বীকার করেন।
চলমান নোয়াখালী ডট কম, ২৪ জুলাই-
শ্বশুর বাড়ির অবহেলায় ঢাবি’র সাবেক মেধাবী ছাত্রী ও স্কুল শিক্ষিকা প্রসূতি ফারজানা নুর সুখীর (২৬) হত্যা মামলা স্বামী ও শ্বশুরসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন পুলিশ। সোমবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বেগমগঞ্জ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনাম আহমেদ চৌধুরী নোয়াখালীর ৩নং আমলি আদালতে ওই অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
অভিযোগপত্রে সুখীর মৃত্যুর জন্য ফারজানার স্বামী বরিশালের সরকারি হাতেম আলী কলেজের প্রভাষক বায়েজিদ বোস্তামী, শ্বশুর নোয়াখালী চিকিৎসা সহকারী প্রশিক্ষণ স্কুলের শিক্ষক এ বি এম আহছান উল্লা খান, শ্বাশুড়ী মাইনুর বেগম ও ননদ বদরুন নাহার। আসামিদের মধ্যে স্বামী বায়োজিদ বোস্তামি পলাতক, আর বাকিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন।
প্রসঙ্গত : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগ হতে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়া ফারজানা নুর সুখী গত বছরের ২৪ জুন পছন্দ করে বিয়ে করে চৌমুহনী পৌর এলাকার আলীপুর গ্রামের বাসিন্দা ডা. এবিএম আহসান উল্যার খান এর ছেলে বায়েজিদ বোস্তামীকে । গত ১৪ই এপ্রিল মাইজদী মর্ডান হাসপাতালে সিজারের মাধ্যমে কন্যা সন্তান জন্ম দেয় সুখী। সিজারের ৩দিনের মাথায় সুস্থ হতে না হতেই তাঁকে জোর করে শ্বশুর বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও একজন অসুস্থ্য মানুষের ন্যূনতম খাওয়ারও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করে সুখীর স্বজনরা।
পরবর্তীতে ২১ এপ্রিল তাকে পুনরায় হাসপাতালে আনা হয় সেলাই কাটার জন্য। তখন সুখীর মা বারবার মেয়ে তাঁদের কাছে রাখতে চাইলেও শ্বশুর বাড়ির লোকজন এতে কর্ণপাত করেনি। বাড়িতে নেওয়র পর সিজার পরবতী জটিলতায় রক্ত ক্ষরণ হলেও ডাক্তার শুশুর কোন চিকৎসা না দেওয়ায় এবং সেখানে পোস্ট অপারেটিভ ম্যানেজমেন্ট জটিলতায় ও রক্ত শুন্যতা জনিত সমস্য দেখা দেয়। ২২ এপ্রিল রবিবার সন্ধ্যায় সুখীর পিতা সাব্বির আহম্মেদ মেয়েকে দেখতে সুখীর শ্বশুর বাড়ি গিয়ে মেয়েকে গুরুতর অসুস্থ দেখতে পেয়ে মাইজদী মর্ডাণ হাসপাতালে আনার কয়েক মিনিটের মাঝেই সুখী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।
মৃত্যুর পর লাশের ময়না তদন্ত প্রতিবেদনেও নির্যাতনে ফারজানার মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া গেছে। হত্যার অভিযোগ এনে ফারজানার বাবা সাব্বির আহমেদ বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এছাড়া ১০ মে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে সুখীর শ্বাশুড়ী মাইনুর বেগম সুখীর চিকিৎসা প্রদানে গাফিলতি এবং অসুস্থ সুখীর প্রতি অবহেলা ও লাঞ্চনা প্রদানের কথা স্বীকার করেন।







