স্টাফ রিপোর্টার-
নোয়াখালীতে স্বপ্না আক্তার (২০) নামের এক গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ১০ আগষ্ট শুক্রবার বিকালে সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম চরউরিয়া গ্রামের বাড়ি থেকে সুধারাম থানা পুলিশ তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। বিকালে ময়নাদন্ত শেষে গৃহবধুর লাশ দাফনের জন্য পিতার বাড়ি ল²ীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার লামচর গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে গৃহবধুকে হত্যার অভিযোগ এনে স্বামী জাবেদ (২৫)কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে গৃহবধুর পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় সুধারাম থানায় বৃহস্পতিবার রাতে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়। তবে; গৃহবধুর পিতা সফি উল্যার দাবি তাঁর মেয়েকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।
গৃহবধুর পিতা সফি উল্যা জানায়, তাঁর মেয়েকে যৌতুকের দাবিতে মারপিট করে মেরে ফেলে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার জন্য গলাটিপে হত্যাকরেছে স্বামী জাবেদ ও শ্বাশুড়ি খতিজা খাতুন। গলায় কালো দাগ রয়েছে। হত্যার পরপরই স্বামী ও শ্বাশুড়ি পালিয়ে যায়। এ খবর পেয়ে তিনি সুধারাম থানায় বিষয়টি জানান। জামাইকে তাঁরাই আটক করে পুলিশে দিয়েছেন।
সুধারাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল বাতেন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে গৃতবধুর পিতা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করে। যার ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে পশ্চিম চরউরিয়ার বাড়ি থেকে গৃহবধুর গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়। বাড়িতে আর কেউ তখন ছিলো না। স্বপ্নার আত্মীয় স্বজনরাই জাবেদকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে।
তিনি বলেন, তদন্ত চলছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে হত্যা, না আত্মহত্যা।
এদিকে শুক্রবার বিকালে গৃহবধুর পিতা সফি উল্যা বৃহস্পতিবার রাতে সুধারাম মডেল থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়েরের কথা অস্বীকার করেন।
নোয়াখালীতে স্বপ্না আক্তার (২০) নামের এক গৃহবধুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ১০ আগষ্ট শুক্রবার বিকালে সদর উপজেলার নোয়াখালী ইউনিয়নের পশ্চিম চরউরিয়া গ্রামের বাড়ি থেকে সুধারাম থানা পুলিশ তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। বিকালে ময়নাদন্ত শেষে গৃহবধুর লাশ দাফনের জন্য পিতার বাড়ি ল²ীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার লামচর গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে গৃহবধুকে হত্যার অভিযোগ এনে স্বামী জাবেদ (২৫)কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে গৃহবধুর পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় সুধারাম থানায় বৃহস্পতিবার রাতে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ জানায়। তবে; গৃহবধুর পিতা সফি উল্যার দাবি তাঁর মেয়েকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।
গৃহবধুর পিতা সফি উল্যা জানায়, তাঁর মেয়েকে যৌতুকের দাবিতে মারপিট করে মেরে ফেলে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার জন্য গলাটিপে হত্যাকরেছে স্বামী জাবেদ ও শ্বাশুড়ি খতিজা খাতুন। গলায় কালো দাগ রয়েছে। হত্যার পরপরই স্বামী ও শ্বাশুড়ি পালিয়ে যায়। এ খবর পেয়ে তিনি সুধারাম থানায় বিষয়টি জানান। জামাইকে তাঁরাই আটক করে পুলিশে দিয়েছেন।
সুধারাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল বাতেন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে গৃতবধুর পিতা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করে। যার ভিত্তিতে শুক্রবার দুপুরে পশ্চিম চরউরিয়ার বাড়ি থেকে গৃহবধুর গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়। বাড়িতে আর কেউ তখন ছিলো না। স্বপ্নার আত্মীয় স্বজনরাই জাবেদকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে।
তিনি বলেন, তদন্ত চলছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে হত্যা, না আত্মহত্যা।
এদিকে শুক্রবার বিকালে গৃহবধুর পিতা সফি উল্যা বৃহস্পতিবার রাতে সুধারাম মডেল থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়েরের কথা অস্বীকার করেন।







