বেগমগঞ্জে গৃহবধু ধর্ষনের শিকার, ছয় দিনেও গ্রেফতার হয়নি ধর্ষক
স্টাফ রিপোর্টার,
চলমান নোয়াখালী ডট কম-

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধু ধর্ষনের ঘটনায় ছয় দিনেও ধর্ষক শাহাদাত হোসেনকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। ধরা পড়নি ধর্ষকের অপর তিন সহযোগীও। এদিকে শনিবার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের মাধ্যমে নোয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গৃহবধুর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে গৃহবধু নিজেই বাদী হয়ে বেগমঞ্জ থানায় ৫জনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৫জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলো।
মামলার অপর আসামীরা হচ্ছে- চৌমুহনী পৌর এলাকার উত্তর নাজির পুর গ্রামের মহিবুল হক ওরপে মনা (২৬), মোঃ সাজ্জাদ (২৬), আমানত পুর গ্রামের মোঃ ফারুক (২৭) এবং একজন অজ্ঞাত।
বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ ও গৃহবধুর পরিবার সুত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বাঞ্চানগর গ্রামের বাড়িতে যাবার জন্য বুধবার বিকালে নোয়াখালীগামী একটি বাসে গৃহবধুকে তুলে দেয় তাঁর স্বামী। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বেগমগঞ্জের চৌরাস্তায় নেমে সিএনজি অটোরিকশাযোগে ল²ীপুরের গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার পথে বেগমগঞ্জের আমানতপুর সলু মিয়ার বাড়ি দরজা নামক স্থানে গেলে ৫ যুবক সিএনজি অটোরিকশার গাতি রোধ করে গৃহবধুকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে। পার্শ্ববর্তী মিন্টু মিয়ার বাগানে নিয়ে গৃহবধুর  কাছ থেকে নগদ ১৪ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে চৌমুহনী পৌর এলাকার দক্ষিণ নাজির পুর গ্রামের শাহাদাত হোসেন (২৮) অপরসঙ্গীদের সহায়তায় জোরপূবক র্ধষন করে। এসমময় গৃহবধুর চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে গৃহবধুকে উদ্ধার এবং মহিবুল হক ওরপে মনা নামের এক দুবৃত্তকে আটক করে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় বুধবার রাতেই গৃহবধু বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় ৫ যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মহিবুল হক ওরপে মনা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বেগমগঞ্জ মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রিয়লাল ঘোষ জানান, শনিবার গৃবধুর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মহিবুল হক ওরপে মনা বৃহস্পতিবার বিচারিক হাকিমের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীও প্রদান করেছে। ধর্ষনকারী শাহাদাত হোসেনসহ অপর আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে তিনি দাবি করেন।
সড়ক দূর্ঘটনা, অপরাধ ও হামলা-সংঘর্ষ