চ. নো. রিপোর্ট- মাত্র ৫ মাস আগের কথা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালীর ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটি পায় মহাজোট আর ৪টি বিএনপি এবং ১টি পায় বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী। সারাদেশে মহাজোটের বিপুল বিজয় হলেও নোয়াখালী থেকে যায় বিএনপির দূর্গ হিসাবেই। সেই নোয়াখালীর জেলা শহরসহ ৯টি উপজেলা শহরের মধ্যে একমাত্র সেনবাগে পালিত হয়েছে কেন্দ্র ঘোষিত বৃহস্পতিবারের মানববন্ধন কর্মসূচী। বিভিন্ন সময়ে জেলা ও উপজেলা কমিটি গঠন নিয়ে জটিলতার কারণে সাংগঠনিক সামর্থ্য দূর্বল হয়ে পড়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মাঝারি পর্যায়ের নেতাকর্মীদের দাবি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিরোধীদলের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ ও পিলখানা হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচী নোয়খালীর জেলা শহর মাইজদীতে জেলা বিএনপি এবং উপজেলা শহরগুলোতে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে পালিত হবার কথা থাকলেও একমাত্র সেনবাগ উপজেলায় মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। সেনবাগ উপজেলা শহরের প্রধান সড়কে প্রেসকাব মোড়ে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচীতে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম চৌধূরী, পৌর বিএনপি’র সভাপতি জাহিদুল হক সবুজসহ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা এসময় উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ করে জানা যায়, জেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং সংসদ সদস্যদের সাথে কোন কোন স্থানে কমিটিগুলোর দূরত্ব এবং দীর্ঘদিনের পুরানো কমিটির পাশাপাশি সাংগঠনিক কর্মকান্ড না থাকার কারণে কেন্দ্র ঘোষিত এই কর্মসূচী পালনে সাবাই গা ছাড়া ভাব দেখায়। একজন সাবেক ছাত্রদল নেতা জানান, জেলা শহরে মানববন্ধন কর্মসূচী নিয়ে নেতাকর্মীরা দ্বিধায় পড়ে যায়। কেউ বলে মানববন্ধন কর্মসূচী করবে কেউ মনে করে বিােভ কর্মসূচী পালন করবে। এছাড়া উপস্থিতি সন্তোষজনক না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত কর্মসূচী পালিত হয়নি। জেলা পর্যায়ে মানববন্ধন না হওয়া প্রসঙ্গে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, বিষয়টি তিনি অবহিত নন। কেন্দ্রীয় কর্মসূচীতে তিনি ঢাকায় রয়েছেন জানিয়ে সাধারণ সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ আজাদ সাংগঠনিক জটিলতা কিংবা সামর্থ্য না থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তিনি শুনেছেন ছোট আকারে মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। তিনি বলেন এ অঞ্চলে সংগঠনে কোন সমস্যা নেই।






