চ.নো.রিপোর্ট-
হাতিয়া উপকূলের দুর্ধর্ষ জলদস্যু ও বাহিনী প্রধান সেকান্দর বাদশা ওরফে কালা বাদশাকে (৩৩) গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার বুড়িরচর এলাকার একটি বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কালা বাদশা হাতিয়ার জাহাজমারা ইউনিয়নের ম্যাকপার্শান গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ সংলগ্ন দমারচর ও আশপাশের চরগুলোতে তার শক্তিশালী বাহিনী রয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় হাতিয়া থানা পুলিশ জাহাজমারা ইউনিয়নের কালাম চরে জলদস্যু কালা বাদশা ও মুন্সিয়া চোরার আস্তানায় হানা দেয়। তবে পুলিশের অভিযানের টের পেয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
এদিকে কালা বাদশার গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে নোয়াখালী উপক‚লে মাছ ধরার ট্রলার ও জেলেদের মাঝে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরে আসে। গত বছরের ১৯ অক্টোবর সে একবার গ্রেফতার হলেও পরে জামিনে মুক্ত হয়ে এসে পুনরায় দস্যুতায় লিপ্ত হয় বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, বাদশার বিরুদ্ধে নোয়াখালীর হাতিয়া, চরজব্বার ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলার থানায় হত্যা, দস্যুতা ও ডাকাতির অভিযোগে ১৬টি মামলা রয়েছে।
হাতিয়ার স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, মুন্সিয়া ও কালা বাদশা বাহিনী দমার চরের নিয়ন্ত্রণ নিতে কালাম চরে অবস্থান নিয়ে পরিকল্পনা করছিলো। হাতিয়া থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ খবর পেয়ে ভোর থেকে অভিযানের পরিকল্পনা করলেও অভিযানে বিলম্ব হওয়ায় দ্রুত সটকে পড়ে এই দুই বাহিনীর সদস্যরা।
এনিয়ে জানতে চাওয়া হলে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন দাস গুপ্ত অভিযানের কথা স্বীকার করে বলেন, কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। তবে গাছের ঢালপালা দিয়ে ছাউনির মতো করে বাহিনীরা এখানে অবস্থান করছিলো বলে ধারণা করা হয়।
হাতিয়া উপকূলের দুর্ধর্ষ জলদস্যু ও বাহিনী প্রধান সেকান্দর বাদশা ওরফে কালা বাদশাকে (৩৩) গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার বুড়িরচর এলাকার একটি বাড়িতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কালা বাদশা হাতিয়ার জাহাজমারা ইউনিয়নের ম্যাকপার্শান গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ সংলগ্ন দমারচর ও আশপাশের চরগুলোতে তার শক্তিশালী বাহিনী রয়েছে বলে জানা গেছে। এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় হাতিয়া থানা পুলিশ জাহাজমারা ইউনিয়নের কালাম চরে জলদস্যু কালা বাদশা ও মুন্সিয়া চোরার আস্তানায় হানা দেয়। তবে পুলিশের অভিযানের টের পেয়ে তারা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
এদিকে কালা বাদশার গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে নোয়াখালী উপক‚লে মাছ ধরার ট্রলার ও জেলেদের মাঝে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরে আসে। গত বছরের ১৯ অক্টোবর সে একবার গ্রেফতার হলেও পরে জামিনে মুক্ত হয়ে এসে পুনরায় দস্যুতায় লিপ্ত হয় বলে জানা গেছে।
পুলিশ জানায়, বাদশার বিরুদ্ধে নোয়াখালীর হাতিয়া, চরজব্বার ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলার থানায় হত্যা, দস্যুতা ও ডাকাতির অভিযোগে ১৬টি মামলা রয়েছে।
হাতিয়ার স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, মুন্সিয়া ও কালা বাদশা বাহিনী দমার চরের নিয়ন্ত্রণ নিতে কালাম চরে অবস্থান নিয়ে পরিকল্পনা করছিলো। হাতিয়া থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ খবর পেয়ে ভোর থেকে অভিযানের পরিকল্পনা করলেও অভিযানে বিলম্ব হওয়ায় দ্রুত সটকে পড়ে এই দুই বাহিনীর সদস্যরা।
এনিয়ে জানতে চাওয়া হলে হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রতন দাস গুপ্ত অভিযানের কথা স্বীকার করে বলেন, কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। তবে গাছের ঢালপালা দিয়ে ছাউনির মতো করে বাহিনীরা এখানে অবস্থান করছিলো বলে ধারণা করা হয়।






