বিশেষ প্রতিনিধি-
তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, চরের খাস জমি গরীব মানুষের হক। ভূমিহীন মানুষ মাথাগোঁজার জন্য জমি পায়না আর কিছু ভূমিগ্রাসী নোয়াখালীর চরের হাজার হাজার একর জমি দখল করে গরীব মানুষের হক নষ্ট করছে। এদের ছাড় দেয়া হবে না। দখলদারদের সহযোগিতাকারী চরাঞ্চলের বনদস্যু আর জলদস্যুরা যাতে কোন ছাড় না পায় সেদিকেও সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে। এ বিষয়ে সঠিক চিত্র গণমাধ্যমে আসা উচিৎ।
শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াখালীতে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, জনসংযোগহীন রাজনৈতিক নেতার মতো জনসংযোগহীন সাংবাদিকতার প্রচলনও রয়েছে। এ দু'য়ের মধ্যে কোন তফাৎ নেই। সাংবাদিকদের জনগণের কাছে যেতে হবে, তাদের মৌলিক সমস্যাগুলো তুলে ধরতেই।
চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান উল্লেখ করে ওবাদুল কাদের বলেন, টেন্ডারবাজ ও চাঁদাবাজদের সঙ্গে কোন আপষ নয়। সরকারি বিভিন্ন দপ্তর এবং প্রশাসনের প্রতি এসব কোনভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া না হয় সে ব্যাপারে কঠোর নির্দ্দেশ রয়েছে। এর পরও কেউ যদি পশ্রয় দেন তাহলে নিজ দায়িত্বে দিতে হবে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আচরণ খারাপ করে অল্প ক’জন আর বদনাম হয় গোটা দলের। এটি যাতে না ঘটে সেজন্য স্ব স্ব ইউনিটকেই উদ্যোগ নিতে হবে।
মতবিনিময় সভায় নোয়াখালী প্রেসকাবের সভাপতি আলমগীর ইউসুফ, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির মহাসচিব মনিরুজ্জামান চৌধুরী, নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি সাইফুল্যাহ কামরুলসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ওবায়দুল কাদের। এসময় অন্যান্যের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম মহিউদ্দিন লাতু, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান শিহাব উদ্দিন শাহীন, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল মমিন বিএসসি, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমন ভট্ট প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, চরের খাস জমি গরীব মানুষের হক। ভূমিহীন মানুষ মাথাগোঁজার জন্য জমি পায়না আর কিছু ভূমিগ্রাসী নোয়াখালীর চরের হাজার হাজার একর জমি দখল করে গরীব মানুষের হক নষ্ট করছে। এদের ছাড় দেয়া হবে না। দখলদারদের সহযোগিতাকারী চরাঞ্চলের বনদস্যু আর জলদস্যুরা যাতে কোন ছাড় না পায় সেদিকেও সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে। এ বিষয়ে সঠিক চিত্র গণমাধ্যমে আসা উচিৎ।
শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াখালীতে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, জনসংযোগহীন রাজনৈতিক নেতার মতো জনসংযোগহীন সাংবাদিকতার প্রচলনও রয়েছে। এ দু'য়ের মধ্যে কোন তফাৎ নেই। সাংবাদিকদের জনগণের কাছে যেতে হবে, তাদের মৌলিক সমস্যাগুলো তুলে ধরতেই।
চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান উল্লেখ করে ওবাদুল কাদের বলেন, টেন্ডারবাজ ও চাঁদাবাজদের সঙ্গে কোন আপষ নয়। সরকারি বিভিন্ন দপ্তর এবং প্রশাসনের প্রতি এসব কোনভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া না হয় সে ব্যাপারে কঠোর নির্দ্দেশ রয়েছে। এর পরও কেউ যদি পশ্রয় দেন তাহলে নিজ দায়িত্বে দিতে হবে। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আচরণ খারাপ করে অল্প ক’জন আর বদনাম হয় গোটা দলের। এটি যাতে না ঘটে সেজন্য স্ব স্ব ইউনিটকেই উদ্যোগ নিতে হবে।
মতবিনিময় সভায় নোয়াখালী প্রেসকাবের সভাপতি আলমগীর ইউসুফ, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির মহাসচিব মনিরুজ্জামান চৌধুরী, নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি সাইফুল্যাহ কামরুলসহ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ওবায়দুল কাদের। এসময় অন্যান্যের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম মহিউদ্দিন লাতু, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান শিহাব উদ্দিন শাহীন, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল মমিন বিএসসি, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইমন ভট্ট প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।






