
চ.নো.রিপোর্ট-
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন বলেছেন, বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার জনগণের টাকা পকেটে পুরেছে। দেশের টাকা বিদেশে পাচার করেছে। যার নমুনা দেখা গেছে ‘ওয়ান ইলাভেন’ এর সময়ে। এই কারনেই জনগন তাদের ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে। আমাদের প্রতি রায় দিয়েছে, তাই আমাদের জনগনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। নির্বাচনে শেখ হাসিনার দেয়া নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিটি প্রতিশ্র“তি আমরা বাস্তবায়ন করবো ইনশাল্লাহ।
শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াখালীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরের বিজয় মঞ্চে মহাজোট সরকারের এক বছরপুর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আওয়ামীলীগ মতা ছাড়ার সময় দেশে ৪ লাখ টন খাদ্য মজুদ রেখেছিলো গুদামে। আর ২০০১ সালের নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে আওয়ামীলীগকে পরাজিত করে মতায় আসা বিএনপি-জামাত জোট দেশে লুটতরাজ আর হানাহানীতে মেতে ওঠে। ৪৫ টাকা কেজি দরে মানুষ চাল কিনে খেতে হয়েছে মানুষকে।জনগণের জীবনে নাভিশ্বাস নেমে আসে। আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ এমনকি আওয়ামীলীগকে যারা ভোট দিয়েছে তাদের বাড়ি দখল, পুকুরের মাছ লুটসহ এমন কোন অপকর্ম ছিলনা যা বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে তাঁরা করেনি। হামলা-মামলা দিয়ে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হয়রানি করেছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ হানিফের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে সাংসদ বীরবাহাদুর, স্থানীয় সাংসদ একরামুল করীম চৌধুরী, সুবর্নচর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক অধ্যক্ষ বেলালউদ্দিন কিরন, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সাহারা খাতুন আরো বলেন, এবার নির্বাচনের আগে নির্বাচনী ইশতেহারে আমাদের নেত্রী বলেছিলেন আমাদের দল ক্ষমতায় আসতে পারলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসা হবে। দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ করা হবে। যার কাজ ইতি মধ্যে শুরু হয়েছে। জিনিস পত্রের দাম এখন অনেক কমে গেছে।
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও টেন্ডাবাজি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সাহারা খাতুন বলেন, এসবের সঙ্গে কোন আপোষ নেই। আমরা প্রশাসনকে নির্দ্দেশ দিয়েছি আমদের দলের কোন নেতাকর্মীও যদি এসবের সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা যেন নেওয়া হয়। একই সঙ্গে আইনশৃংখলা বাহিনীর কোন সদস্যও যদি কোন অন্যায় কাজে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




