
মোঃ জুলহাস তালুকদার, ফেনী-
ফেনীতে বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যদের বিচারের জন্য গঠিত বিশেষ আদালত ৩ এর দ্বিতীয় পর্যায়ে বিচার কাজ রোববার সকাল ১০ টায় শুরু হয়েছে। পুলিশ ও র্যাবের বিশেষ নিরাপত্তায় ফেনী কারাগার থেকে ৬২ জন আসামীকে সকাল ৯টায় জায়লস্কর ১৯ রাইফেল ব্যাটলিয়ন সদর দপ্তরে স্থাপিত বিশেষ আদালতে হাজির করা হয়েছে। আদালতের বিচার কাজ শুরুর প্রথমেই আদালতের সভাপতি মেজর জেনারেল মঈনুল ইসলাম আসামীদের আদালতে হাজিরা ক্রসচেকের মাধ্যমে নিশ্চিত করেন।
এ পর্যায়ে বিচারের প্রথম দিন আদালতে মামলার প্রসিকিউটর ১৯ রাইফেল ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গাজী মোঃ সালাউদ্দিন পর্যায়ক্রমে প্রতিজন আসামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ উপস্থাপন করেন এবং অসামীদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের জন্য আবেদন জানান। আদালতের সভাপতি ৬২ জন আসামীর বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক ভাবে চার্জ গঠন করে পড়ে শুনান। এরপর ৬২ জন আসামীর মধ্যে ৪০ জন দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ২২ জন নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। দুপুর পৌনে ১টা থেকে পৌনে ২টা পর্যন্ত আদালত মূলতবি করা হয়। দুপুর পৌনে ২টায় আদালত শুরু হলে মামলার বাদী সদর কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার জালাল আহম্মেদ ১ নং স্বাক্ষী হিসেবে তার স্বাক্ষ্য প্রদান করেন। এরপর আসামীরা তাদের ফ্রেন্ডস অফ একিউসড হিসেবে নিয়োজিত অফিসার মেজর আউয়াল উদ্দিন এর সহযোগীতায় বাদীকে জেরা করেন। আদালত বিকাল সোয়া ৫টায় মুলতবি করা হয়। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় আদালত পুনরায় বসবে। এ ভাবে আগামী ২৮ জানুয়ারী পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মপ্রক্রিয়ায় আদালতের কাজ চলবে।
বিশেষ আদালত ৩ এর ৩ সদস্য বিচারক প্যানেলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ মঈনুল ইসলাম। অপর দুই সদস্য হচ্ছেন লেঃ কর্নেল মোঃ আক্তারুজ্জামান এবং মেজর মোঃ মাকসুদুল আলম। এ ছাড়া বিচার কাজে সহযোগীতা করছেন এ্যাটর্নি জেনারেলের প্রতিনিধি এডঃ মোঃ ফরহাদ আহমদ।
উল্লেখ্য, গত ২০ ডিসেম্বর এ আদালতে প্রথম বিচার কাজ শুরু হয়।
ফেনীতে বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যদের বিচারের জন্য গঠিত বিশেষ আদালত ৩ এর দ্বিতীয় পর্যায়ে বিচার কাজ রোববার সকাল ১০ টায় শুরু হয়েছে। পুলিশ ও র্যাবের বিশেষ নিরাপত্তায় ফেনী কারাগার থেকে ৬২ জন আসামীকে সকাল ৯টায় জায়লস্কর ১৯ রাইফেল ব্যাটলিয়ন সদর দপ্তরে স্থাপিত বিশেষ আদালতে হাজির করা হয়েছে। আদালতের বিচার কাজ শুরুর প্রথমেই আদালতের সভাপতি মেজর জেনারেল মঈনুল ইসলাম আসামীদের আদালতে হাজিরা ক্রসচেকের মাধ্যমে নিশ্চিত করেন।
এ পর্যায়ে বিচারের প্রথম দিন আদালতে মামলার প্রসিকিউটর ১৯ রাইফেল ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গাজী মোঃ সালাউদ্দিন পর্যায়ক্রমে প্রতিজন আসামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ উপস্থাপন করেন এবং অসামীদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের জন্য আবেদন জানান। আদালতের সভাপতি ৬২ জন আসামীর বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক ভাবে চার্জ গঠন করে পড়ে শুনান। এরপর ৬২ জন আসামীর মধ্যে ৪০ জন দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ২২ জন নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। দুপুর পৌনে ১টা থেকে পৌনে ২টা পর্যন্ত আদালত মূলতবি করা হয়। দুপুর পৌনে ২টায় আদালত শুরু হলে মামলার বাদী সদর কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার জালাল আহম্মেদ ১ নং স্বাক্ষী হিসেবে তার স্বাক্ষ্য প্রদান করেন। এরপর আসামীরা তাদের ফ্রেন্ডস অফ একিউসড হিসেবে নিয়োজিত অফিসার মেজর আউয়াল উদ্দিন এর সহযোগীতায় বাদীকে জেরা করেন। আদালত বিকাল সোয়া ৫টায় মুলতবি করা হয়। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় আদালত পুনরায় বসবে। এ ভাবে আগামী ২৮ জানুয়ারী পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মপ্রক্রিয়ায় আদালতের কাজ চলবে।
বিশেষ আদালত ৩ এর ৩ সদস্য বিচারক প্যানেলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ মঈনুল ইসলাম। অপর দুই সদস্য হচ্ছেন লেঃ কর্নেল মোঃ আক্তারুজ্জামান এবং মেজর মোঃ মাকসুদুল আলম। এ ছাড়া বিচার কাজে সহযোগীতা করছেন এ্যাটর্নি জেনারেলের প্রতিনিধি এডঃ মোঃ ফরহাদ আহমদ।
উল্লেখ্য, গত ২০ ডিসেম্বর এ আদালতে প্রথম বিচার কাজ শুরু হয়।






