চ.নো.রিপোর্ট-
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিবাদমান দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৬ জনকে গুরুতর অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি দোনালা বন্দুক, ৪টি কার্তুজ ও একটি খোসা উদ্ধার করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে পুর্ববিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে।
বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ ও স্থানীরা জানায়, চৌমুহনী-মাইজদী সড়কের মাইজদী বাজারের পাশে আপন ভিলার মালিক গোলাম মোস্তফা পেশকারের বাড়ির সীমানাস্থলে পাশের বাড়ির আবদুল মালেকের গাছের ছায়া পড়া ও ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে গত কিছুদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল। এনিয়ে গোলাম মোস্তফার দায়ের করা মামলায় পুলিশ গত মঙ্গলবার আবদুল মালেকের ছেলে বাহারকে গ্রেপ্তার করে। বাহার গত বুধবার আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পায়।
এনিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে আবদুল মালেক ও তাঁর ছেলে বাহারের সঙ্গে গোলাম মোস্তফার মামলার স্বাীদের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই প সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উভয় পরে অন্তত ১০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে আবদুল মালেক (৭০), বিউটি বেগম (৩০), মো: ফারুক(২০), নূর আলম (৩৫), আলেয়া বেগম (৪৫) ও মো: হোসেনকে (২৮) নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সংঘর্ষের এক পর্যায়ে প্রতিপরে লোকজন জড়ো হয়ে গোলাম মোস্তফার বাড়িতে ইট পাটকেল নিপ্তে করতে থাকে। এসময় গোলাম মোস্তফা তার লাইসেন্সকৃত দোনালা বন্দুক দিয়ে এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন। এতে লোকজন আরো ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাড়ি ঘেরাও করে রাখে। খবর পেয়ে বেগমগঞ্জ ও সুধারাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় বেগমগঞ্জ থানার পুলিশ মোস্তফার বাড়ি থেকে একটি দোনলা বন্দুক, ৪টি কার্তুজ ও একটি খোসা উদ্ধার করে এবং তাঁকে থানায় নিয়ে যায় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোলাম মোস্তফাকে বেগমগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিবাদমান দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৬ জনকে গুরুতর অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি দোনালা বন্দুক, ৪টি কার্তুজ ও একটি খোসা উদ্ধার করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে পুর্ববিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটে।
বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ ও স্থানীরা জানায়, চৌমুহনী-মাইজদী সড়কের মাইজদী বাজারের পাশে আপন ভিলার মালিক গোলাম মোস্তফা পেশকারের বাড়ির সীমানাস্থলে পাশের বাড়ির আবদুল মালেকের গাছের ছায়া পড়া ও ডাল কাটাকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে গত কিছুদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল। এনিয়ে গোলাম মোস্তফার দায়ের করা মামলায় পুলিশ গত মঙ্গলবার আবদুল মালেকের ছেলে বাহারকে গ্রেপ্তার করে। বাহার গত বুধবার আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পায়।
এনিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে আবদুল মালেক ও তাঁর ছেলে বাহারের সঙ্গে গোলাম মোস্তফার মামলার স্বাীদের কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে দুই প সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উভয় পরে অন্তত ১০ জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে আবদুল মালেক (৭০), বিউটি বেগম (৩০), মো: ফারুক(২০), নূর আলম (৩৫), আলেয়া বেগম (৪৫) ও মো: হোসেনকে (২৮) নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সংঘর্ষের এক পর্যায়ে প্রতিপরে লোকজন জড়ো হয়ে গোলাম মোস্তফার বাড়িতে ইট পাটকেল নিপ্তে করতে থাকে। এসময় গোলাম মোস্তফা তার লাইসেন্সকৃত দোনালা বন্দুক দিয়ে এক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করেন। এতে লোকজন আরো ক্ষিপ্ত হয়ে তার বাড়ি ঘেরাও করে রাখে। খবর পেয়ে বেগমগঞ্জ ও সুধারাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় বেগমগঞ্জ থানার পুলিশ মোস্তফার বাড়ি থেকে একটি দোনলা বন্দুক, ৪টি কার্তুজ ও একটি খোসা উদ্ধার করে এবং তাঁকে থানায় নিয়ে যায় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোলাম মোস্তফাকে বেগমগঞ্জ থানায় নিয়ে যায়।



