চ.নো.রিপোর্ট-
নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে দেলোয়ার হোসেন ভুট্টো (৩২) নামের এক রেন্ট-এ কার ব্যবসায়ীর খুন হয়েছে। রোববার রাতে শহরের নতুন বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশ ট্রেণিং সেন্টারের পাশের একটি বাসায় এ খুনের ঘটনা ঘটে। পরিবারের লোকজনের দাবি রাত দেড়টার দিকে অজ্ঞাত তিন দুর্বৃত্ত বাসায় ঢুকে ভুট্টকে শ্বাসরোধ করে খুন করে পালিয়ে যায়।
রাতেই খবর পেয়ে সুধারাম থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সোমবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। এছাড়া নিহতের ভাতিজা আবদুর রহমান নিবাসকে (২৫) আটক করে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এই ঘটনায় শহরজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। নিহত ভুট্টোর বাড়ি জেলার বেগমগঞ্জের আলাইয়াপুর ইউনিয়নের মিয়াপুর গ্রামে। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি।
সুধারাম থানার এসআই আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার কিছুন পরই তাঁরা খবর পেয়ে ওই বাড়িতে যান। প্রাথমিক তদন্তে লাশের গলায় কালো দাগ দেখে ভুট্টকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে হয়েছে। জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তিনি খুন হতে পারেন বলে আপতত মনে হচ্ছে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, তদন্ত শেষ হওয়া ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না।
তিনি জানান, বাসায় নিহতের স্ত্রী রাবেয়া আক্তার সাথী, সাড়ে তিন ও দেড় বছরের দুই সন্তান সিফাত ও রিফাত এবং ভাতিজা নিবাস থাকত। কিন্তু ঘটনার নিবাস সময় বাসার বাহিরে ছিল। এ ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নিহতের মামা আবু তাহের জানান, তাঁর ভাগ্নে কিছুদিন আগে বাসার পাশে একখন্ড জমি কেনে। এনিয়ে স্থানীয় কিছু লোকের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়। তবে খুনের কারণ ওই বিরোধ নাকি অন্যকোন ঘটনা তা তারা এখনো ভুঝতে পারছেন না।
নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে দেলোয়ার হোসেন ভুট্টো (৩২) নামের এক রেন্ট-এ কার ব্যবসায়ীর খুন হয়েছে। রোববার রাতে শহরের নতুন বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশ ট্রেণিং সেন্টারের পাশের একটি বাসায় এ খুনের ঘটনা ঘটে। পরিবারের লোকজনের দাবি রাত দেড়টার দিকে অজ্ঞাত তিন দুর্বৃত্ত বাসায় ঢুকে ভুট্টকে শ্বাসরোধ করে খুন করে পালিয়ে যায়।
রাতেই খবর পেয়ে সুধারাম থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সোমবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। এছাড়া নিহতের ভাতিজা আবদুর রহমান নিবাসকে (২৫) আটক করে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এই ঘটনায় শহরজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। নিহত ভুট্টোর বাড়ি জেলার বেগমগঞ্জের আলাইয়াপুর ইউনিয়নের মিয়াপুর গ্রামে। এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি।
সুধারাম থানার এসআই আনোয়ার হোসেন জানান, ঘটনার কিছুন পরই তাঁরা খবর পেয়ে ওই বাড়িতে যান। প্রাথমিক তদন্তে লাশের গলায় কালো দাগ দেখে ভুট্টকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে মনে হয়েছে। জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে তিনি খুন হতে পারেন বলে আপতত মনে হচ্ছে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, তদন্ত শেষ হওয়া ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না।
তিনি জানান, বাসায় নিহতের স্ত্রী রাবেয়া আক্তার সাথী, সাড়ে তিন ও দেড় বছরের দুই সন্তান সিফাত ও রিফাত এবং ভাতিজা নিবাস থাকত। কিন্তু ঘটনার নিবাস সময় বাসার বাহিরে ছিল। এ ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
নিহতের মামা আবু তাহের জানান, তাঁর ভাগ্নে কিছুদিন আগে বাসার পাশে একখন্ড জমি কেনে। এনিয়ে স্থানীয় কিছু লোকের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়। তবে খুনের কারণ ওই বিরোধ নাকি অন্যকোন ঘটনা তা তারা এখনো ভুঝতে পারছেন না।





