সোনাইমুড়ীতে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে বিধবার সম্পত্তি দখলের চেষ্টার অভিযোগ
বিশেষ প্রতিনিধি-
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মরনী বেগম নামের এক বিধবার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা ও বসতঘরে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে পৌর এলাকার শিমুলিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এসময় স্থানীয় লোকজনের প্রতিবাদের মূখে ছাত্রলীগ নেতা তাঁর লোকজন নিয়ে ফিরে যায় বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শিমুলিয়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেন কবলা সুত্রে কেনা ৩ শতাংশ সম্পত্তির উপর দীর্ঘদিন থেকে কোন রকমে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবার করে আসছিল। গত বছর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সে মৃত্যু বরণ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর পর থেকে পাশ্ববর্তী বাড়ির মোঃ হানিফ ওই সম্পত্তি তাঁর বলে দাবি করেন। তিনি সোনাইমুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ খলিলের শ্বশুর। এ নিয়ে তাঁদের দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।
পৌর সভার কাউন্সিলর ইসমাইল হোসেন জানান, উভয়পরে কাগজপত্র দেখে  বুধবার সকালে বিষয়টি মিমাংসা করে দেওয়া কথা। কিন্তু সকালে তিনি ওই বাড়িতে গিয়ে জানতে পারেন দেলোয়ারের বিধবা স্ত্রী মরনী বেগমের অসুস্থতার কারণে বাড়িতে নেই। এ অবস্থায় পরবর্তীতে বসার কথা বলে সেখান থেকে ফিরে আসার পথে ছাত্রলীগ নেতা খলিলের সঙ্গে দেখা হয়। খলিল এসময় তাঁর শ্বশুরের জায়গা বুঝিয়ে দিতে চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু তিনি রাজি না হওয়ায় সে লোকজন নিয়ে বিধবার সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালায় এবং বসতঘরে হামলা চালায়।
ছাত্রলীগ নেতা মোঃ খলিল বিধবার জায়গা দখল কিংবা বসতঘরে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ওই বিধবার পরিবার কে অনেক বছর আগে তাঁর শ্বশুর সেখানে থাকতে জায়গা দিয়েছেন। এখন তারা ওই জায়গা তাঁদের বলে দাবি করছে।  
সোনাইমুড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোশারফ হোসেন জানান, জায়গাজমি নিয়ে দুই পরে বিরোধ অনেকদিনের। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেড়-দুইশ লোককে জড়ো অবস্থায় দেখেন। বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলরকে মিমাংসা করে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
সড়ক দূর্ঘটনা, অপরাধ ও হামলা-সংঘর্ষ