সেনবাগ প্রতিনিধি-
চাহিদা মত সিট খালী রেখে সিএনজি চালিত অটোরিকশা পাঠাতে দেরি হওয়ায় মোঃ মনু (৩২) নামে এক লাইনম্যানকে কিল-ঘুষি ও লাথি দিয়ে রক্তাক্ত করেছেন রলেন সেনবাগ এসআই ইউছুফ নবী। বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগ শহরের দণি বাজারে এ ঘটনা ঘটে । মারধরে আহত মনুকে ষ্ট্যান্ডের লোকজন উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এই ঘটনার প্রতিবাদে শ্রমিকেরা দুপুর সোয়া দুইটা থেকে প্রায় একঘন্টা অটোরিকশা চালানো বন্ধ রাখেন। এতে যাত্রিরা সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তার হোসেন দারোগার অন্যায় হলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিলে শ্রমিকেরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে।
জানা গেছে, থানার এসআই ইউছুফ নবী দুপুর দেড়টার দিকে সেনবাগ ডাকবাংলোর দিকে যাওয়ার সময় শহরের দণি বাজারের অটোরিকশা ষ্ট্যান্ডের লাইনম্যান মনুকে জেলা সদরে যাওয়ার একটি সিট খালী রেখে সিএনজি চালিত অটোরিকশা পাঠাতে বলে যান। ২০-২৫ মিনিটেও খালী সিটসহ অটোরিকশা না পাঠানোর কারণে ইউছুফ নবী দুপুর দুইটার দিকে ষ্ট্যান্ডে এসে লাইনম্যানের কাছে কৈফিয়ত চান। যার এক পর্যায়ে তিনি লাইন্যানকে এলোপাথাড়ী কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যান।
এনিয়ে এসআই ইউছুফ নবী সাংবাদিকদের জানান, তিনি দীর্ঘ সময় দাঁড়ানোর পরও সীট না পাঠানোয় তিনি গিয়ে মনুকে কারণ জিজ্ঞেস করতেই সে তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করায় তাঁকে কয়েকটি চড় থাপ্পড় দেন। কিন্তু শ্রমিকেরা ঘটনাটিকে বড় করে ফেলেন।
সেনবাগ অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম ওরফে আবু জানান, দুপুর হওয়ায় সময় মত সিট পাঠানো যায়নি। কিন্তু সামান্য এই বিষয় নিয়ে দারোগা লাইনম্যানকে রক্তাক্ত জখম করেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে তাঁরা প্রায় ঘন্টা খানেক অটোরিকশা চলাচল বন্ধ রাখেন।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটিই আসলে ভুলবোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। এর পরও দারোগার অন্যায় হলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের আস্বাস দিয়ে শ্রমিকদের শান্ত করা হয়েছে।
চাহিদা মত সিট খালী রেখে সিএনজি চালিত অটোরিকশা পাঠাতে দেরি হওয়ায় মোঃ মনু (৩২) নামে এক লাইনম্যানকে কিল-ঘুষি ও লাথি দিয়ে রক্তাক্ত করেছেন রলেন সেনবাগ এসআই ইউছুফ নবী। বৃহস্পতিবার দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগ শহরের দণি বাজারে এ ঘটনা ঘটে । মারধরে আহত মনুকে ষ্ট্যান্ডের লোকজন উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এই ঘটনার প্রতিবাদে শ্রমিকেরা দুপুর সোয়া দুইটা থেকে প্রায় একঘন্টা অটোরিকশা চালানো বন্ধ রাখেন। এতে যাত্রিরা সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্যে পড়েন। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তার হোসেন দারোগার অন্যায় হলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দিলে শ্রমিকেরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে।
জানা গেছে, থানার এসআই ইউছুফ নবী দুপুর দেড়টার দিকে সেনবাগ ডাকবাংলোর দিকে যাওয়ার সময় শহরের দণি বাজারের অটোরিকশা ষ্ট্যান্ডের লাইনম্যান মনুকে জেলা সদরে যাওয়ার একটি সিট খালী রেখে সিএনজি চালিত অটোরিকশা পাঠাতে বলে যান। ২০-২৫ মিনিটেও খালী সিটসহ অটোরিকশা না পাঠানোর কারণে ইউছুফ নবী দুপুর দুইটার দিকে ষ্ট্যান্ডে এসে লাইনম্যানের কাছে কৈফিয়ত চান। যার এক পর্যায়ে তিনি লাইন্যানকে এলোপাথাড়ী কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যান।
এনিয়ে এসআই ইউছুফ নবী সাংবাদিকদের জানান, তিনি দীর্ঘ সময় দাঁড়ানোর পরও সীট না পাঠানোয় তিনি গিয়ে মনুকে কারণ জিজ্ঞেস করতেই সে তাঁর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করায় তাঁকে কয়েকটি চড় থাপ্পড় দেন। কিন্তু শ্রমিকেরা ঘটনাটিকে বড় করে ফেলেন।
সেনবাগ অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম ওরফে আবু জানান, দুপুর হওয়ায় সময় মত সিট পাঠানো যায়নি। কিন্তু সামান্য এই বিষয় নিয়ে দারোগা লাইনম্যানকে রক্তাক্ত জখম করেন। এই ঘটনার প্রতিবাদে তাঁরা প্রায় ঘন্টা খানেক অটোরিকশা চলাচল বন্ধ রাখেন।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তার হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এটিই আসলে ভুলবোঝাবুঝির কারণে হয়েছে। এর পরও দারোগার অন্যায় হলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের আস্বাস দিয়ে শ্রমিকদের শান্ত করা হয়েছে।





