আতোয়ার রহমান মনির
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার লুধুয়া এম এম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর মেধাবী ছাত্র আকরাম হোসেনকে (১২) দুর্বৃত্তরা পিটিয়ে হত্যা করেছে। উপজেলার দক্ষিণ কেরোয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রায়পুর থানা পুলিশ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪জনকে গ্রেফতার করে। প্রতিবাদে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আগামি শনিবার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এক সভা আহবান করেছেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রায়পুর উপজেলার দণি কেরোয়া গ্রামের রিক্সা চালক সৈয়দ আহম্মদের ছেলে স্কুল ছাত্র আকরামের গত বুধবার রাতে স্থানীয় এক ওয়াজ মাহফিলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের বাবুর (১২) সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ৮-১০ জন মিলে আকরামকে বেধম পিটিয়ে আহত করে। এ সময় স্থানীয় লোকজন দুর্বৃত্তদের হাত থেকে তাকে উদ্ধার করে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থাতর অবনতি ঘটলে ঢাকা নেওয়ার পথে কুমিল্লায় পৌছলে বৃহস্পতিবার রাতে সে মারা যায়।
এ ঘটনায় নিহতের পিতা সৈয়দ আহম্মদ বাদি হয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাবু (১২), মিরাজ (১৩), শরীফ (১৪) ও আক্তার (২০) কে গ্রেফতার করে।
লুধুয়া এম এম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, মেধাবী ছাত্র আকরাম হত্যার ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। সে কিছুদিন আগে ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি আগামি শনিবার এক সভার আহবান করেছি।
রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, থানায় মামলা হয়েছে। এজাহার ভূক্ত ৪জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার লুধুয়া এম এম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর মেধাবী ছাত্র আকরাম হোসেনকে (১২) দুর্বৃত্তরা পিটিয়ে হত্যা করেছে। উপজেলার দক্ষিণ কেরোয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রায়পুর থানা পুলিশ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪জনকে গ্রেফতার করে। প্রতিবাদে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আগামি শনিবার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এক সভা আহবান করেছেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রায়পুর উপজেলার দণি কেরোয়া গ্রামের রিক্সা চালক সৈয়দ আহম্মদের ছেলে স্কুল ছাত্র আকরামের গত বুধবার রাতে স্থানীয় এক ওয়াজ মাহফিলে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের বাবুর (১২) সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ৮-১০ জন মিলে আকরামকে বেধম পিটিয়ে আহত করে। এ সময় স্থানীয় লোকজন দুর্বৃত্তদের হাত থেকে তাকে উদ্ধার করে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থাতর অবনতি ঘটলে ঢাকা নেওয়ার পথে কুমিল্লায় পৌছলে বৃহস্পতিবার রাতে সে মারা যায়।
এ ঘটনায় নিহতের পিতা সৈয়দ আহম্মদ বাদি হয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাবু (১২), মিরাজ (১৩), শরীফ (১৪) ও আক্তার (২০) কে গ্রেফতার করে।
লুধুয়া এম এম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, মেধাবী ছাত্র আকরাম হত্যার ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। সে কিছুদিন আগে ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি আগামি শনিবার এক সভার আহবান করেছি।
রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, থানায় মামলা হয়েছে। এজাহার ভূক্ত ৪জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।





