চ.নো.রিপোর্ট-
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নলেরচরে দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বসত বাড়ি ও বাজারে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার রাতে এবং বৃহস্পতিবার নলের চরের চানন্দি বাজার এলাকায় ওই হামলায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে আবদুছ ছালাম (৩৫) ও বেলাল হোসেনকে (২৭) নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সুত্র ও পুলিশ জানায়, নলের চরের মালেক ফরাজী গ্রুপ ভূমিহীনদের কাছে গণহারে চাঁদা দাবি করে আসছিলো। গত উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী অধ্যাপক ওয়ালী উল্যাকে সমর্থন করেছে এমন লোকদের কাছেই চাঁদা দাবি করা হয়। চানন্দি বাজারে আবদুছ ছালামকে কয়েকদিন আগে একই এলাকার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী চরে থাকতে হলে তাঁদের চাঁদা দিতে হবে বলে জানায়। কিন্তু ছালাম চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় বুধবার রাত আটটার দিকে স্থানীয় সন্ত্রাসী সিরাজ ও ইসমাইলের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী অতর্কিতে ছালামের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তাঁরা এসময় ছালামকে ধারালো অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। বুধবার রাতে এবং বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ওই সন্ত্রাসী গ্রুপ নলেরচরের বিভিন্ন বাড়ি ও চানন্দি বাজারে গনহারে হামলা চালিয়ে বেলাল (২৭), হোসেন ডাক্তার (৫৫), সামছুদ্দীন (৪০), নুরুল ইসলাম (৪০), ইব্রাহিমসহ (২৩) আরো অন্তত ৮-৯ জনকে আহত করে সন্ত্রাসীরা। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ভূমিহীনরা এসময় নলেরচরের থানার হাট ক্যাম্প পুলিশের সাহায্য কামনা করেও পায়নি। উপরন্তু সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে মহড়া দেয়।
এনিয়ে জানতে চাওয়া হলে নলের চরের থানার হাট পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মনিরুল ইসলাম হামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্য মহড়ার কথা অস্বীকার করে বলে, মালেক ফরাজীকে হামলার সময় তিনি থানার হাটে দেখেছেন। এছাড়া পর্যাপ্ত ফোর্স না থাকায় তিনি ব্যবস্থা নিতে পারেননি। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চলছে। ক্ষতিগ্রস্থদের মামলা দিতে বলা হয়েছে।
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নলেরচরে দাবিকৃত চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় বসত বাড়ি ও বাজারে সন্ত্রাসী হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার রাতে এবং বৃহস্পতিবার নলের চরের চানন্দি বাজার এলাকায় ওই হামলায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে আবদুছ ছালাম (৩৫) ও বেলাল হোসেনকে (২৭) নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সুত্র ও পুলিশ জানায়, নলের চরের মালেক ফরাজী গ্রুপ ভূমিহীনদের কাছে গণহারে চাঁদা দাবি করে আসছিলো। গত উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী অধ্যাপক ওয়ালী উল্যাকে সমর্থন করেছে এমন লোকদের কাছেই চাঁদা দাবি করা হয়। চানন্দি বাজারে আবদুছ ছালামকে কয়েকদিন আগে একই এলাকার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী চরে থাকতে হলে তাঁদের চাঁদা দিতে হবে বলে জানায়। কিন্তু ছালাম চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় বুধবার রাত আটটার দিকে স্থানীয় সন্ত্রাসী সিরাজ ও ইসমাইলের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন সন্ত্রাসী অতর্কিতে ছালামের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তাঁরা এসময় ছালামকে ধারালো অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। বুধবার রাতে এবং বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ওই সন্ত্রাসী গ্রুপ নলেরচরের বিভিন্ন বাড়ি ও চানন্দি বাজারে গনহারে হামলা চালিয়ে বেলাল (২৭), হোসেন ডাক্তার (৫৫), সামছুদ্দীন (৪০), নুরুল ইসলাম (৪০), ইব্রাহিমসহ (২৩) আরো অন্তত ৮-৯ জনকে আহত করে সন্ত্রাসীরা। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ভূমিহীনরা এসময় নলেরচরের থানার হাট ক্যাম্প পুলিশের সাহায্য কামনা করেও পায়নি। উপরন্তু সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে মহড়া দেয়।
এনিয়ে জানতে চাওয়া হলে নলের চরের থানার হাট পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মনিরুল ইসলাম হামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও সন্ত্রাসীদের প্রকাশ্য মহড়ার কথা অস্বীকার করে বলে, মালেক ফরাজীকে হামলার সময় তিনি থানার হাটে দেখেছেন। এছাড়া পর্যাপ্ত ফোর্স না থাকায় তিনি ব্যবস্থা নিতে পারেননি। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য চেষ্টা চলছে। ক্ষতিগ্রস্থদের মামলা দিতে বলা হয়েছে।





