চ.নো.রিপোর্ট-
নোয়াখালীর সেনবাগে মাওলানা আবদুছ ছোবহান (৫০) নামে পথভোলা এক মসজিদের ইমামকে ডাকাত সন্দেহে গনপিটুনী দিয়েছে গ্রামবাসি। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে জেলার সেনবাগ উপজেলার অর্জনতলা ইউনিয়নের চাচুয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। রাতেই পুলিশ খবর পেয়ে ঘনাস্থলে গিয়ে পিটুনীতে গুরুতর আহত ইমামকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ওই ইমাম ফেনীর দাগনভূঁইয়ার সুজাতপুর এলাকার একটি জামে মসজিদে বিগত ১৫ বছরের বেশী সময় ধরে ইমামতি করছিলেন। কয়েকদিন আগে তাঁকে ইমামের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলে তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন।
এর পর বৃহস্পতিবার রাতে দাগনভূঁইয়া থেকে সেনবাগ শহরের কাদরা এলাকার বাসায় ফেরাপথে পথ ভূলে শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে চাচুয়া গ্রামে চলে যান। রাত আড়াইটার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ির বসতঘরে পাশে তাঁকে দেখে বাড়ির লোকজন চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন এসে তাঁকে আটক করে ডাকাত সন্দেহে গনপিটুনী দেয়। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলা-জখম হয়।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তার হোসেন জানান, ইমাম সাহেবকে ভূল বোঝার কারণে এলাকাবাসী মারধর করেছে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে এই ঘটনায় ইমামের প থেকে থানায় কারো বিরুদ্দে কোন লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।
নোয়াখালীর সেনবাগে মাওলানা আবদুছ ছোবহান (৫০) নামে পথভোলা এক মসজিদের ইমামকে ডাকাত সন্দেহে গনপিটুনী দিয়েছে গ্রামবাসি। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে জেলার সেনবাগ উপজেলার অর্জনতলা ইউনিয়নের চাচুয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। রাতেই পুলিশ খবর পেয়ে ঘনাস্থলে গিয়ে পিটুনীতে গুরুতর আহত ইমামকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ওই ইমাম ফেনীর দাগনভূঁইয়ার সুজাতপুর এলাকার একটি জামে মসজিদে বিগত ১৫ বছরের বেশী সময় ধরে ইমামতি করছিলেন। কয়েকদিন আগে তাঁকে ইমামের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলে তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন।
এর পর বৃহস্পতিবার রাতে দাগনভূঁইয়া থেকে সেনবাগ শহরের কাদরা এলাকার বাসায় ফেরাপথে পথ ভূলে শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে চাচুয়া গ্রামে চলে যান। রাত আড়াইটার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ির বসতঘরে পাশে তাঁকে দেখে বাড়ির লোকজন চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন এসে তাঁকে আটক করে ডাকাত সন্দেহে গনপিটুনী দেয়। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলা-জখম হয়।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোক্তার হোসেন জানান, ইমাম সাহেবকে ভূল বোঝার কারণে এলাকাবাসী মারধর করেছে। পরে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। তবে এই ঘটনায় ইমামের প থেকে থানায় কারো বিরুদ্দে কোন লিখিত অভিযোগ করা হয়নি।





