চ.নো.রিপোর্ট-
নোয়াখালীর সুবর্নচরে সহপার্টিদের হাতে উৎপল চন্দ্র মজুমদার (১৫) নামে এক কিশোর খুন হয়েছে। উপজেলার চর আমানউল্লা ইউনিয়নের চর বজলুর রহমান গ্রামে শনিবার দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে। উৎপল ওই গ্রামের ভবতোষ মজুমদারের ছেলে। খবর পেয়ে চরজব্বার থানা পুলিশ রোববার সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে।
স্থানীয় সুত্র ও পুলিশ জানায়, শনিবার সন্ধ্যার পর উৎপল পাশের বাড়িতে কীর্ত্তন শুনতে যায়। রাত আনুমানিক দশটার দিকে সেখানে তাঁর অপর কয়েক সহপার্টির সঙ্গে জুতা চুরির ঘটনা নিয়ে উৎপলের ঝড়গা হয়। যার এক পর্যায়ে সহপার্টিরা তাঁকে বেধম মারধর করে। একপর্যায়ে ঐ বাড়িতেই সে মারা যায়। পরে সহপার্টিরা তাঁর লাশ বাড়ির পাশের মাঠে ফেলে রাখে। খবর পেয়ে রোববার সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে উৎপলের সহপার্টি রিপন, রুবেল, সুশান্ত ও পল্লবকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
চরজব্বার থানা পুলিশ জানায়, উৎপলের দেহে ও গলায় আঘাতের দাগ দেখা গেছে। এই ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।
নোয়াখালীর সুবর্নচরে সহপার্টিদের হাতে উৎপল চন্দ্র মজুমদার (১৫) নামে এক কিশোর খুন হয়েছে। উপজেলার চর আমানউল্লা ইউনিয়নের চর বজলুর রহমান গ্রামে শনিবার দিবাগত রাতে এই ঘটনা ঘটে। উৎপল ওই গ্রামের ভবতোষ মজুমদারের ছেলে। খবর পেয়ে চরজব্বার থানা পুলিশ রোববার সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে।
স্থানীয় সুত্র ও পুলিশ জানায়, শনিবার সন্ধ্যার পর উৎপল পাশের বাড়িতে কীর্ত্তন শুনতে যায়। রাত আনুমানিক দশটার দিকে সেখানে তাঁর অপর কয়েক সহপার্টির সঙ্গে জুতা চুরির ঘটনা নিয়ে উৎপলের ঝড়গা হয়। যার এক পর্যায়ে সহপার্টিরা তাঁকে বেধম মারধর করে। একপর্যায়ে ঐ বাড়িতেই সে মারা যায়। পরে সহপার্টিরা তাঁর লাশ বাড়ির পাশের মাঠে ফেলে রাখে। খবর পেয়ে রোববার সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে উৎপলের সহপার্টি রিপন, রুবেল, সুশান্ত ও পল্লবকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
চরজব্বার থানা পুলিশ জানায়, উৎপলের দেহে ও গলায় আঘাতের দাগ দেখা গেছে। এই ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।






