সেনবাগে যুবলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, বোমাবাজি আহত আট, আটক তিন
চ.নো.রিপোর্ট-
নোয়াখালীর সেনবাগে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে যুবলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, বোমাবাজি ও সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় গ্র“পের কমপে আটজন আহত হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের কুতুবেরহাট বাজারে এ ঘটনায় ছাত্র শিবিরের কিছু কর্মীও যুবলীগের এক গ্র“পের হয়ে সংঘর্ষে অংশ নেয়। খবর পেয়ে সেনবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যুবলীগের তিন জনকে আটক করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। সংঘর্ষে বাজারে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। ব্যবসায়ীরা ভয়ে দোকান বন্ধ করে বাজার থেকে চলে যান।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গত শনিবার সন্ধ্যায় নবীপুর ইউনিয়নের দেবিসিংহ পুরের বাসিন্দা যুবলীগের মির্জা ও মোস্তফার সমর্থকেরা বিষ্ণপুরের লোকজনকে কুতুবেরহাট বাজারে উঠার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রচার করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বিষ্ণপুরের যুবলীগ কর্মী মিলন ও শিবির কর্মী ছায়েদের নেতৃত্বে ১০-১২ জন  রোববার সকাল এগারটার দিকে বাজারে মহড়া দেয়। কিছুক্ষণ পর মির্জা ও মোস্তফার সমর্থকেরাও বাজারে পাল্টা মহড়া দেওয়ার এক পর্যায়ে দক্ষিণ বাজারে গেলে তাঁদের সঙ্গে মিলন ও ছায়েদের গ্রুপ তাঁদের ধাওয়া করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় ৪-৫টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।  ঘন্টব্যাপী সংঘর্ষে ফারুক (২০), সাইফুল (১৮), আনোয়ার (২৫), শান্তসহ (২২) উভয় পরে অন্তত ৮ জন আহত হয়। এই ঘটনার পর বাজারের একটি দোকানে বসা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি বেলাল হোসেনকে (৩৫) মির্জার সমর্থকেরা বিষ্ণপুরের পকে সহায়তার অভিযোগে বেধম মারধর করে। খবর পেয়ে সেনবাগ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মোঃ হানিফ, মোঃ ফারুক ও রফিক নামের তিন যুবলীগ কর্মীকে আটকের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোক্তার হোসেন যুবলীগের দুই পরে সত্যতা নিশ্চিত করলেও বিষয়টিকে রাজনৈতিক নয় বলে দাবি করেন। তিনি বলেন আধিপত্য বিস্তার নিয়েই ঘটনা ঘটেছে।  তবে এই ঘনটায় থানায় কোন পক্ষই মামলা দায়ের করেনি।
চলতি সংবাদ