চ.নো.রিপোর্ট-
নোয়াখালীর সুবর্নচরে এক ভূমিহীন তরুণীর গণধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অপচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ভেস্তে গেছে। সমকালসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হবার পর ঘটনার ২১দিন পর মঙ্গলবার দুপুরে এক মহিলা ও আট ধর্ষকসহ নয়জনের বিরুদ্ধে চরজব্বার থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধর্ষিতার বড় বোন ইয়াছমিন আক্তার বাদী হয়ে নারী ও নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৫, তারিখ ১৩ এপ্রিল। তবে এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত (মঙ্গলবার সন্ধ্যা) পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নয়জন আসামী হচ্ছে কেফায়েত (২৮), সেলিম (২৭), নিজাম উদ্দিন (২৮), রিয়াজ (২৬), বাহার (২৯), আক্তার (৩০), ফারুক (২৫), রাশেদ (২৬) ও আলেয়া বেগম (৩৮)। গত ২৪ মার্চ দুপুরে চরমজিদ আশ্রায়ন প্রকল্পের বাড়িতে যাবার জন্য সোনাপুর বাস ষ্ট্যান্ডে উপস্থিত হলে ভূমিহীন তরুণীকে কৌশলে কেয়ায়েত নামের এক সিএনজি অটোরিক্সা চালকের সিএনজিতে করে আলেয়া বেগম ভূঁঞার হাটে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে সন্ধ্যা সাত টায় বাঁশখালী স্লুইস গেইট এলাকার বনে নিয়ে তরুণীকে ৮ লম্পট ধর্ষণ করে।
চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত চলছে দোষীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ মার্চ এ ঘটনার পর হতভাগ্য তরুণ চরজব্বার থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা না নিয়ে পূর্বচরবাটা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে যেতে বলে। একই ভাবে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গেলে পুলিশের মাধ্যমে না যাওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপও চিকিৎসা দেয়নি। বিচার ও চিকিৎসা না পেয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে সেই তরুনী অবশেষে শারিরিক জখমের বিবরণ দিয়ে গত ১০ এপ্রিল শনিবার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা নিতে তৎপর হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে সমকালসহ একাধিক জাতীয় দৈনিকে সংবাদক প্রকাশিত হবার পর অবশেশে মঙ্গলবার দুপুরে মামলা নেয় চরজব্বার থানা পুলিশ।
নোয়াখালীর সুবর্নচরে এক ভূমিহীন তরুণীর গণধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অপচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ভেস্তে গেছে। সমকালসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হবার পর ঘটনার ২১দিন পর মঙ্গলবার দুপুরে এক মহিলা ও আট ধর্ষকসহ নয়জনের বিরুদ্ধে চরজব্বার থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ধর্ষিতার বড় বোন ইয়াছমিন আক্তার বাদী হয়ে নারী ও নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৫, তারিখ ১৩ এপ্রিল। তবে এ রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত (মঙ্গলবার সন্ধ্যা) পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নয়জন আসামী হচ্ছে কেফায়েত (২৮), সেলিম (২৭), নিজাম উদ্দিন (২৮), রিয়াজ (২৬), বাহার (২৯), আক্তার (৩০), ফারুক (২৫), রাশেদ (২৬) ও আলেয়া বেগম (৩৮)। গত ২৪ মার্চ দুপুরে চরমজিদ আশ্রায়ন প্রকল্পের বাড়িতে যাবার জন্য সোনাপুর বাস ষ্ট্যান্ডে উপস্থিত হলে ভূমিহীন তরুণীকে কৌশলে কেয়ায়েত নামের এক সিএনজি অটোরিক্সা চালকের সিএনজিতে করে আলেয়া বেগম ভূঁঞার হাটে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে সন্ধ্যা সাত টায় বাঁশখালী স্লুইস গেইট এলাকার বনে নিয়ে তরুণীকে ৮ লম্পট ধর্ষণ করে।
চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত চলছে দোষীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ মার্চ এ ঘটনার পর হতভাগ্য তরুণ চরজব্বার থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা না নিয়ে পূর্বচরবাটা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের কাছে যেতে বলে। একই ভাবে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গেলে পুলিশের মাধ্যমে না যাওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপও চিকিৎসা দেয়নি। বিচার ও চিকিৎসা না পেয়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে সেই তরুনী অবশেষে শারিরিক জখমের বিবরণ দিয়ে গত ১০ এপ্রিল শনিবার নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলা নিতে তৎপর হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে সমকালসহ একাধিক জাতীয় দৈনিকে সংবাদক প্রকাশিত হবার পর অবশেশে মঙ্গলবার দুপুরে মামলা নেয় চরজব্বার থানা পুলিশ।






