ফেনী থেকে জুলহাস তালুকদার -
রোববার বিডিআর বিদ্রোহের স্থাপিত বিশেষ আদালত- ৩ এর মামলার বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়েছে।
আদালত ৫ জনকে বেকসুর খালাস, ৪ আসামীকে ৭ বছর করে সস্ত্রম কারাদন্ড ও ১০০টাকা জরিমানা, ৫৩ জনকে ৪ মাস থেকে ৪ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডে দন্ডিত করেছে। ১৮ এপ্রিল থেকে এ সাজার মেয়াদ কার্যকর হবে। আদালতের রায় শেষে আসামীদের ফেনী কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
রায়ে বেকসুর খালাস প্রাপ্তরা হচ্ছে হাবিলদার মোহাম্মদ আলী, নায়েক দুলাল মিয়া, লেঃনায়েক,মোঃ সাইফুল ইসলাম, সিপাহী কাজি সাইফুজ্জামান ও সিপাহী ওমর ফারুক। যারা বেকসুর খালাস হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোন মামলা না থাকলে মুক্তি দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপকে নির্দেষ দিয়েছে আাদালত। ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছে হাবিলদার রুহুল আমিন, সিপাহী মিজানুর রহমান, সিপাহি মহিউদ্দিন রনি এবং সিপাহি বসির আহম্মদ।
মামলার প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের জানান তিনি রায়ের ব্যাপারে সন্তুষ্ট। সারা বাংলাদেশের অন্যান্য স্থানের রায় যেন এভাবে হয় এটাই তার প্রত্যাশ্যা। সরকারী আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল বলেন-বিডিআর আইন ১৯৭২ এর ১০(১) অনুযায়ী বিদ্রোহের বিচার যথাযথ আইন অনুসরন করে এ বিচার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
রবিবার সকালে ফেনী কারাগার থেকে ৬২ জন বিডিআর সদস্যকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিশেষ আদালতে হাজির করা হয়েছে। দুপুর ২টায় টায় আদালতের বিচার কাজ শুরু হওয়ার পর এ রায় প্রদান করা হয়েছে। ফেনীর জায়লাস্কর ১৯ রাইফেলস ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে স্থাপিত বিশেষ আদালতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, বিডিআরের মহা-পরিচালক মেজর জেনারেল মঈনুল ইসলাম। তিন সদস্য বিশিষ্ট বিচারক প্যানেলের অন্যরা হচ্ছেন- লেঃ কর্ণেল মোঃ আখতারুজ্জমান ও মেজর মোঃ মাকছুদুল আলম। তাদের সহায়তা করছেন এ্যাটর্নী জেনারেলের প্রতিনিধি এডভোকেট মোঃ ফরহাদ আহম্মেদ। ছয় কার্যদিবস আদালতের কার্যক্রম চলার পর ৭ম কার্য দিবসে ১৮ এপ্রিল রোববার এই মামলার রায় ঘোষনা করা হয়। ১৯ রাইফেল ব্যাটলিয়নের ৬২ জন বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে বিডিআর আইনের ১৯৭২ সালের ১০ (১) ধারায় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, বেআইনি ভাবে অস্ত্র ও গোলাবারূদ দখলে নিয়ে গুলিবর্ষন, ঢাকা-নোয়াখালী সড়কে যানবাহন চলাচলে বাধা, পাগলা ঘন্টা বাজানো, অফিসারদের পিছনে ধাওয়া, বিডিআর মহা-পরিচালকের ছবি ভাংচুর, বিদ্রোহ সংগঠনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারী ফেনীস্থ বিডিআর সদর দপ্তরে পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহের ধারাবাহিকতায় ১৯ রাইফেলস্ ব্যাটালিয়নের কতিপয় বিপদগামী সদস্য গুজব ছড়িয়ে ব্যাটালিয়নে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। এই ঘটনা নিয়ে ২০০৯ সালের ২০ ডিসেম্বর বিডিআর এর মহা-পরিচালক মেজর জেনারেল মঈনুল ইসলামকে সভাপতি করে বিশেষ আদালত-৩ গঠন করা হয়। আদালতের প্রথম দিনেই অত্র ব্যাটালিয়নের সদর কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার জালাল আহম্মেদ বাদী হয়ে ৬২ জন বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা ২ দিন চলার পর ২৪ শে জানুয়ারী পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। ২৪ শে জানুয়ারী পুনরায় আদালত বসে আসামীদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। এসময় ৬২ জন সদস্যের মধ্যে ৫৮ জন বিডিআর সদস্য নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে মা প্রার্থনা করেন। ৪ জন সদস্য নিজেদের নির্দোষ দাবী করেন।
পরবর্তীতে নির্দোষ দাবী করা আসামীদের পে ৩ জন সাপাই স্বাক্ষী প্রদান করেন। প্রসিকিউটর লেঃ কর্ণেল গাজী মোঃ ছালাহ উদ্দিন আসামীদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক ভাবে অভিযোগ উত্থাপন করে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন। এরপর প্রসিকিউটরের পে ২২ জন স্বাক্ষী স্ব্যা প্রদান করেন। সর্বশেষ গত ২৯ মার্চ আদালতে স্বাক্ষী, জেরা, জবানবন্দী গ্রহণ শেষে ১৮ এপ্রিল রায় ঘোষনার দিন ধার্য্য করে আদালত মুলতবি করা হয়।
রোববার বিডিআর বিদ্রোহের স্থাপিত বিশেষ আদালত- ৩ এর মামলার বিচারের রায় ঘোষণা করা হয়েছে।
আদালত ৫ জনকে বেকসুর খালাস, ৪ আসামীকে ৭ বছর করে সস্ত্রম কারাদন্ড ও ১০০টাকা জরিমানা, ৫৩ জনকে ৪ মাস থেকে ৪ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ডে দন্ডিত করেছে। ১৮ এপ্রিল থেকে এ সাজার মেয়াদ কার্যকর হবে। আদালতের রায় শেষে আসামীদের ফেনী কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রায়ে বেকসুর খালাস প্রাপ্তরা হচ্ছে হাবিলদার মোহাম্মদ আলী, নায়েক দুলাল মিয়া, লেঃনায়েক,মোঃ সাইফুল ইসলাম, সিপাহী কাজি সাইফুজ্জামান ও সিপাহী ওমর ফারুক। যারা বেকসুর খালাস হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোন মামলা না থাকলে মুক্তি দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপকে নির্দেষ দিয়েছে আাদালত। ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্তরা হচ্ছে হাবিলদার রুহুল আমিন, সিপাহী মিজানুর রহমান, সিপাহি মহিউদ্দিন রনি এবং সিপাহি বসির আহম্মদ।
মামলার প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের জানান তিনি রায়ের ব্যাপারে সন্তুষ্ট। সারা বাংলাদেশের অন্যান্য স্থানের রায় যেন এভাবে হয় এটাই তার প্রত্যাশ্যা। সরকারী আইনজীবী মোশারফ হোসেন কাজল বলেন-বিডিআর আইন ১৯৭২ এর ১০(১) অনুযায়ী বিদ্রোহের বিচার যথাযথ আইন অনুসরন করে এ বিচার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
রবিবার সকালে ফেনী কারাগার থেকে ৬২ জন বিডিআর সদস্যকে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিশেষ আদালতে হাজির করা হয়েছে। দুপুর ২টায় টায় আদালতের বিচার কাজ শুরু হওয়ার পর এ রায় প্রদান করা হয়েছে। ফেনীর জায়লাস্কর ১৯ রাইফেলস ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে স্থাপিত বিশেষ আদালতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, বিডিআরের মহা-পরিচালক মেজর জেনারেল মঈনুল ইসলাম। তিন সদস্য বিশিষ্ট বিচারক প্যানেলের অন্যরা হচ্ছেন- লেঃ কর্ণেল মোঃ আখতারুজ্জমান ও মেজর মোঃ মাকছুদুল আলম। তাদের সহায়তা করছেন এ্যাটর্নী জেনারেলের প্রতিনিধি এডভোকেট মোঃ ফরহাদ আহম্মেদ। ছয় কার্যদিবস আদালতের কার্যক্রম চলার পর ৭ম কার্য দিবসে ১৮ এপ্রিল রোববার এই মামলার রায় ঘোষনা করা হয়। ১৯ রাইফেল ব্যাটলিয়নের ৬২ জন বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে বিডিআর আইনের ১৯৭২ সালের ১০ (১) ধারায় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, বেআইনি ভাবে অস্ত্র ও গোলাবারূদ দখলে নিয়ে গুলিবর্ষন, ঢাকা-নোয়াখালী সড়কে যানবাহন চলাচলে বাধা, পাগলা ঘন্টা বাজানো, অফিসারদের পিছনে ধাওয়া, বিডিআর মহা-পরিচালকের ছবি ভাংচুর, বিদ্রোহ সংগঠনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারী ফেনীস্থ বিডিআর সদর দপ্তরে পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহের ধারাবাহিকতায় ১৯ রাইফেলস্ ব্যাটালিয়নের কতিপয় বিপদগামী সদস্য গুজব ছড়িয়ে ব্যাটালিয়নে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিসহ জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। এই ঘটনা নিয়ে ২০০৯ সালের ২০ ডিসেম্বর বিডিআর এর মহা-পরিচালক মেজর জেনারেল মঈনুল ইসলামকে সভাপতি করে বিশেষ আদালত-৩ গঠন করা হয়। আদালতের প্রথম দিনেই অত্র ব্যাটালিয়নের সদর কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার জালাল আহম্মেদ বাদী হয়ে ৬২ জন বিডিআর সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা ২ দিন চলার পর ২৪ শে জানুয়ারী পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। ২৪ শে জানুয়ারী পুনরায় আদালত বসে আসামীদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। এসময় ৬২ জন সদস্যের মধ্যে ৫৮ জন বিডিআর সদস্য নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে মা প্রার্থনা করেন। ৪ জন সদস্য নিজেদের নির্দোষ দাবী করেন।
পরবর্তীতে নির্দোষ দাবী করা আসামীদের পে ৩ জন সাপাই স্বাক্ষী প্রদান করেন। প্রসিকিউটর লেঃ কর্ণেল গাজী মোঃ ছালাহ উদ্দিন আসামীদের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক ভাবে অভিযোগ উত্থাপন করে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন। এরপর প্রসিকিউটরের পে ২২ জন স্বাক্ষী স্ব্যা প্রদান করেন। সর্বশেষ গত ২৯ মার্চ আদালতে স্বাক্ষী, জেরা, জবানবন্দী গ্রহণ শেষে ১৮ এপ্রিল রায় ঘোষনার দিন ধার্য্য করে আদালত মুলতবি করা হয়।






